ব্রেকিং নিউজ
Home | ব্রেকিং নিউজ | মসজিদে অর্থ দেওয়ার নামে কুয়েত সোসাইটির অর্থ আত্মসাত

মসজিদে অর্থ দেওয়ার নামে কুয়েত সোসাইটির অর্থ আত্মসাত

আবু সাইদ, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরায় মসজিদ নির্মাণ কাজে ব্যাবহারের জন্য নেয়া কুয়েত সোসাইটির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। জানাযায় যশোর জেলার সুতিকাটা এলাকার জনৈক আলমের মাধ্যমে কেশবপুর বায়সা দাখিল মাদ্রাসার সুপার জামায়াত নেতা আব্দুর রহমান ও মনিরামপুর খালিয়া পাতন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক জামায়াত নেতা মাওঃ আব্দুস সুবহান সাতক্ষীরার এজেন্ট জামাতের অর্থদাতা ওলিউর রহমানের মাধ্যমে মসজিদ নির্মাণ কাজে ব্যাবহারের জন্য নেয়া কুয়েত সোসাইটির অর্থ আত্মসাত করেছেন। মসজিদ ইবাদাতের উত্তম স্থান বিধায় ধর্মীয় অনুভূতির বিষয় হওয়ায় দেশের আইন প্রয়োগকারি সংস্থাগুলোর নজর এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে জামায়াত নেতারা মসজিদ বেচে খাচ্ছেন।

বাংলাদেশ অপেক্ষাকৃত গরীব তাই কুয়েতের ধনী ও ধার্মিক লোকজন এদেশে মসজিদ নির্মাণের জন্য বিপুল নগত অর্থ দান করে থাকেন। ৩১ ফুট দৈর্ঘ ও ২৪ ফুট প্রস্থ ৫ কাতার বিশিষ্ট একটি মসজিত ১ টি বাতরুম, ১ টি ওযুখানা, ১ টি পানির টাংকি ও ১ টি মটর মিলে সর্বমোট ১৪ লক্ষ টাকা ব্যায় করার কথা থাকলেও অভিযুক্তরা মাত্র ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে বাকি টাকা মেরে দিচ্ছেন। ইসলামের বিধান মতে নীচের হাতের চেয়ে উপরের হাত উত্তম তাই দানের টাকা পেতে কোন শর্ত মানার প্রয়োজন হয়না, অথচ মসজিদ পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ফান্ড থাকার শর্ত জুড়ে দিয়েছেন, যা ইসলাম পরিপন্থি বলে মত দিয়েছেন ধর্মীয় আলেমগণ। আব্দুস সুবহানের মুঠোফোনে জানতে চাইলে বলেন শর্ত সাপেক্ষে সদকায়ে জারিয়ার অর্থ বিতরণের নামে আত্মসাথের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন কোন শর্ত মানতে হবেনা, আমরা ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিব আপনাদের নিজ উদ্যোগে মসজিদ নির্মাণ করে নিতে হবে, এই বিষয়ে কেশবপুর বায়সা দাখিল মাদ্রাসার সুপার জামায়াত নেতা আব্দুর রহমান ভালো জানেন।

আব্দুর রহমান কাছে জানতে চাইলে মুঠোফোনে এবিষয়ে কেশবপুর বায়সা দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের কয়টার প্রশ্নের জবাবে বলেন আমি এবিষয়ে কিছুই জানিনা।

সাতক্ষীরার সকল উপজেলা মিলে প্রায় ৩০ টি মসজিদ মিলে কোটি টাকা আত্মসাথের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাদের সাতক্ষীরার এজেন্ট শহরের ওয়াল্টন শো-রুমের মালিক ওলিউর রহমান এব্যাপারে বিস্তারিত বলতে পারবেন। ওলিউর রহমানের কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার এলাকায় একটি মসজিদ নিয়েছি। বাকি তথ্য আব্দুর রহমান দিতে পারবেন বলে ফোন কেটে দেন। মসজিদ ইবাদাতের উত্তম স্থান বিধায় ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়, এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কেউ যেন এ অর্থ দেশ বিরোধী নাশকতার কাজে লাগাতে না পারে সে ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারি সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন এরাকাবাসী।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রাপ‍্য ১৪ লক্ষ টাকা না দিয়ে প্রত‍্যরক কেশবপুর বায়সা দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুর রহমান, মসজিদ প্রতি সামান্য টাকা দিয়ে অধিকাংশ টাকা আত্মসাত করার চেষ্টায় ব‍্যস্ত আছে। আশাশুনি, কালিগজ্ঞ, কলারোয়া, শ‍্যামনগর, দেবহাটা, সাতক্ষীরা সদর ও তালাসহ সব উপজেলা মিলে ৩০ টি মসজিদ নির্মাণ বাজেট হয়েছে। গভীর অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে মসজিদের ত্রাণের টাকা চুরি অজানা কাহিনী। মসজিদ প্রতি টাকা আসছে ১৪ লক্ষ করে দুংেখর বিষয় ত্রাণ কতৃকপক্ষ মসজিদ প্রতি নির্মাণ বাবদ টাকা দিয়ে ছে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার। সেই হিসাবে সাতক্ষীরা জেলার সকল মসজিদে তারা নির্মাণ বাবদ মোট টাকা দিয়ে ছে ১ কোটি ৩৫ লক্ষ কিন্তু স্থানীয় সরকার ত্রাণ দিয়েছে ৪ কোটি ২০ লক্ষ। অসাধু কর্মকর্তা সহ ত্রাণ কতৃকপক্ষ পুকুর চুরি করার সিন্ধান্ত নিয়ে এই কার সাজিতে ব‍্যস্ত আছে। তারা সর্বমোট পুকুর চুরি পরিকল্পনা করেছে ২ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা। তবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মসজিদের জন ৪ কোটি ২০ লক্ষ টাকার এই বাজেট এসেছে বলে গভীর অনুসন্ধানে জানা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

বাংলাদেশের উন্নয়নে ভরতের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

নওগাঁ প্রতিনিধি : স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ...

তালায় জাতীয় পার্টি ও আ.লীগের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত-৮

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালায় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জাতীয় ...