Home | সারা দেশ | মদনে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি এ কে এম সাইফুল ইসলাম হান্নানকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূল কর্মীরা

মদনে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি এ কে এম সাইফুল ইসলাম হান্নানকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূল কর্মীরা

 

 

 

 

সুদর্শন আচার্য্য, মদন (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মদন উপজেলা শাখার সম্মেলনকে সামনে রেখে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির ত্যাগী ও বঞ্চিত নেতারা নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। তাদেরই একজন মদন উপজেলা সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ কে এম সাইফুল ইসলাম হান্নান।

ত্যাগী-তৃণমূল কর্মীরা ধারণা করছেন, আগামী কাউন্সিল নির্বাচনে এ কে এম সাইফুল ইসলাম হান্নান সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেন। আগামী ৯ অক্টোবর মদন উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে সামনে রেখে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে মদন উপজেলার নেতাকর্মীরা। উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসতে তৃণমূল কর্মীসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ রাখছে প্রার্থীরা।

সভাপতি প্রার্থী এ কে এম সাইফুল ইসলাম হান্নান বলেন, আমি সভাপতি নির্বাচিত হলে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্যাগী ও পরিশ্রমী দলীয় কর্মীরা ন্যায্য সম্মান ফিরে পাবে। আমি দীর্ঘ ১৯৮৮-১৯৯১ সাল পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ১৯৯১ – ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। বঙ্গবন্ধুর প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে, উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি মরহুম সালেহ্ আহমেদ ভাইয়ের সাথে উপজেলার এমন কোন গ্রাম নেই মহল্লা নেই যেখানে আমি যাইনি। ১৯৯৮ – ২০১৫ সাল পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য ছিলাম। ২০১৫ থেকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বে আছি। ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামীলীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহŸায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু কোনো কর্মী বা সাধারণ মানুষ বলতে পারবেনা, আমার দ্বারা কোনো দুর্নীতি হয়েছে বা দলের কোন ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে।

আমার পরিবার মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী রাজনৈতিক পরিবার। আমার ছোট ভাই মরহুম মোঃ শরিফুল ইসলাম রিপুল মদন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। আমার দাদা জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। চাচা মহিউদ্দিন আহাম্মদ জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের চেরম্যান এবং পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে আমার পরিবারে। তারা হলেন, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান মাস্টার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুর রহিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আজিজুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবুল ফজল ও মোহনগঞ্জ বড়কাশিয়া বিরামপুর ইউনিয়নের তিনবারের নির্বাচিত সবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হাবিবুর রহমান। বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি এডভোকেট মোঃ আব্দুল হামিদ মহোদয় কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি থাকা অবস্থায় আমার বড় ভায়রা ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শাহাবুদ্দিন ঠাকুর কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সদ্য বিদায়ী নেত্রকোণা জেলা পরিষদের সদস্য এ কে এম সাইফুল ইসলাম হান্নান আরো বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মামলা-হামলা মোকাবেলা করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ভিতর লালন করে অনেক চড়াই-উতরাই এর মধ্য দিয়েই জীবন অতিবাহিত করেছি। তবুও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কোন দাগ লাগতে দেইনি। আমাকে সুযোগ দিলে, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে সর্বাত্মক কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ্।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মদনে হানাদারমুক্ত দিবস পালিত

সুদর্শন আচার্য্য, মদন (নেত্রকোণা)ঃ নেত্রকোণা মদনে উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযুদ্ধ সংসদ কমান্ডের ...

মদনে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

সুদর্শন আচার্য্য, মদন (নেত্রকোণা)ঃ বঙ্গবন্ধুর দর্শন, সমবায়ে উন্নয়ন এই প্রতিপাদ্যটি সামনে রেখে ...