ব্রেকিং নিউজ
Home | বিনোদন | সঙ্গীত | বাসুদেব ঘোষের দেশের গানের অ্যালবাম ‘সূর্যালোকে শানিত প্রাণের গান’ বিশ্ব রেকর্ডের অপেক্ষায়

বাসুদেব ঘোষের দেশের গানের অ্যালবাম ‘সূর্যালোকে শানিত প্রাণের গান’ বিশ্ব রেকর্ডের অপেক্ষায়

basuবিনোদন ডেস্ক : বিশ্বে এই প্রথম ২৮৮টি দেশের গান নিয়ে অ্যালবাম প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। ‘সূর্যালোকে শানিত প্রাণের গান’ শিরোনামে এমনি একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম প্রকাশ করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সুরকার-সংগীত পরিচালক বাসুদেব ঘোষ। বাসুদেব হচ্ছেন শাশ্বত ধারার বাংলা গানের অন্যতম রূপকার, যিনি নিজেই একটি গানের শিক্ষালয়। নিজেকে সারাজীবন প্রচার প্রচারণার আড়ালে রেখে নিভৃতে বাংলা গান করে গেছেন।

 

প্রথাগত হিটের ইদুঁর দৌড়ে কখনোই জড়াননি নিজেকে। অথচ বহু প্রতিষ্ঠিত শিল্পী তার গানে পাদ প্রদীপের আলোয় এসেছেন। পার্থ বড়ুয়ার ‘তোমার ঐ মনটাকে’, আসিফের ‘তুমি হারিয়ে যাবার সময়’, কুমার বিশ্বজিতের ‘এক কথার চিঠি’, সানবীমের ‘পুড়তে চাইলে’, কনার ‘দশমাস দশদিন’, নির্ঝরের ‘পোড়ামূখী’, সন্দীপনের ‘মেলা’, পান্থ কানাইয়ের ‘দেহ মাদল’।

 

সুবীর নন্দীর ‘আমি খুঁজে বেড়াই আমার মাকে’ সাবিনা ইয়াসমিনের ‘মা’, আইয়ূব বাচ্চুর ‘একটি নারী অবুঝ’, রুনা লায়লার ‘তুমি আমি এক শহরে’, জেমসের ‘আমার মনের পাড়ায়’, রুখসানা মমতাজের ‘সুতো কাটা ঘুড়ি’।

 

সুমনা বর্ধনের ‘কেটে গেল বারটি বছর’, সামিনা চৌধুরীর ‘একটি গোলাপ’,বাসুর ‘ঢোল’ সহ বহু গান আজ বাংলা গানের ইতিহাসের অংশ। প্রায় দেড় শতাধিক অ্যালবাম এ কাজ করেছেন একক সংগীত পরিচালক হিসেবে। বাসুর গান গেয়ে সেরা শিল্পীর পুরস্কার পেয়েছেন সামিনা চৌধুরী, সুমনা বর্দ্ধন, ইসরাত মিতু সহ আরো অনেকে।

 

গত তিন বছরে তৈরি করেছেন ৩০০টি দেশের গান। সেখান থেকে ২৮৮টি গান নিয়ে হবে এই অ্যালবাম। যেখানে দুই শতাধিক শিল্পী গান করেছেন। বাংলাদেশের কিংবদন্তী শিল্পীদের থেকে শুরু করে basu dev ghoshঅনেক নবীনেরাও এখানে গান গাইবার সুযোগ পেয়েছেন।

 

শিরোনাম সঙ্গীত সহ সর্বাধিক সংখ্যক গান লিখেছেন মাহমুদ আকাশ, এছাড়াও নায়না শাহরীন অন্তরা, গোলাম মোর্শেদ, সকাল, আফরোজা নিজামী, বাসু উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গান লিখেছেন।

 

এ অ্যালবাম নিয়ে বাসু বলেন, সবাইকে নিয়েই আমি, আমার অ্যালবাম। আমি প্রত্যেকটি পরিচিত শিল্পীকেই গাইবার আমন্ত্রন জানিয়েছি, অনেকেই এসেছেন, অনেকে কৌশলে এড়িয়ে গেছেন, অনেকে ব্যস্ততায় সময় দিতে পারেননি।

 

আমি কাজ করে গেছি, নতুনেরাও অনেক ভালো গেয়েছে। আমি আমার দায়িত্বে এতটুকু ফাঁকি দেইনি। এ অর্জন আমার একার নয়। সব শিল্পী, গীতিকার, যন্ত্রশিল্পী সহ আমার দেশের প্রতিটি মানুষের। সকলের দোয়া থাকলে এই অ্যালবাম ‘গিনেজ বুক অব ওয়াল্ড রেকর্ডে’ নাম লেখাবে। বাংলার আকাশ বাতাস ভরিয়ে দিতে চাই দেশের গানে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কেটি পেরি মা হতে চলেছেন

বিনোদন ডেস্ক : গত ৫ মার্চ নতুন মিউজিক ভিডিও ‘নেভার ওর্ন হোয়াইট’ ...

ফাল্গুনের গানচিত্র “এই যে বসন্ত”

বিনোদন ডেস্ক : এই ফাল্গুনে আসছে দেবলীনা সুর ও অনিরুদ্ধ’র বসন্তের গানচিত্র ...