ব্রেকিং নিউজ
Home | সারা দেশ | পার্বতীপুরের সরকারী খাদ্য গুদামগুলো খাঁ খাঁ করছে খাদ্য শস্য দিচ্ছে না কৃষকরা

পার্বতীপুরের সরকারী খাদ্য গুদামগুলো খাঁ খাঁ করছে খাদ্য শস্য দিচ্ছে না কৃষকরা

মুসলিমুর রহমান, পার্বতীপুর থেকে : চলতি ইরি বোরো মৌসুমে খোলা বাজারে খাদ্য  শস্যের মূল্য চড়া থাকায় পার্বতীপুরের সরকারী খাদ্য গুদামগুলো ধানসহ অন্যান্য খাদ্য শস্য দিচ্ছেনা। ফলে এসব সংগ্রহ শালায় সংগ্রহ অভিযান মুখ থুবড়ে পড়েছে। খাঁ খাঁ করছে গুদাম গুলো। জনমানব শুন্য এখন এসবের প্রাঙ্গন। অথচ এই সময়টিতে কৃষকের আনাগোনায় রমরমা হয়ে ওঠে সরকারী সংগ্রহ গুদামগুলো। এ চিত্র গোটা দেশেরই। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে খোলা বাজারে খাদ্য শস্যের মূল্য অধিক। যে কারনে কৃষকরা খাদ্য গুদামগুলোতে যাচ্ছে না। ধান চাল ও গমের মূল্য খোলা বাজারে বেশী পেয়ে কৃষকরা বেশ খুশী হলেও বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের লোকজন। মজার ব্যাপার হলো অধিক বিপাকে রয়েছেন সংশ্লিষ্ঠ্য বিভগের সাথে চুক্তিবদ্ধ চাল সরবরাহ কারী মিলাররা। কারণ চুক্তিবদ্ধ মিলারদের যেভাবেই হোক চাল দিতে হবে সরকারী গুদামে। সাধারন মানুষ যে ধরনের চাল খাচ্ছেন তার সর্বনিম্ন বাজার মূল্য প্রতিমন (৪০ কেজি) ১৮৪০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি নিম্নে ৪৬ উর্ধ্বে ৫০ টাকা। সরকার চালের দাম নির্ধারন করেছেন প্রতিমন (৪০ কেজি) ১৩৬০ টাকা। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত পার্বতীপুরের ৪ এলএসডি গুদামে এক ছটাক ধানও পড়েনি। যদিও উপজেলা  খাদ্য কর্মকর্তা জানান এখনও ধান ক্রয়ের লক্ষ্য মাত্রা আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। সূত্রের দাবি সরকার ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ও মূল্য নির্ধারনে সাহস করেনি। খাদ্য শস্য সংগ্রহের ঘোষণা হয়েছে ১ জুন থেকে। গত এক সপ্তাহে চার এলএসডি গুদামে চাল সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৮০ টনের মত। চাল সংগ্রহের লক্ষ্য মাত্র ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৪ মেট্রিক টন এবং গম ১৩০। উপজেলার চার এলএসডি গুদাম এলাকায় ১১৬ জন মিলার চাল সরবরাহে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। ৩ হাজার ৮৪ মেট্রিক টন চাল সরবরাহে পার্বতীপুর এলএসডি গুদাম বরাদ্দ পেয়েছেন ১২১২ দশমিক ১৫০ মেট্রিক টন, ভবানিপুর ১০১৯ দশমিক ৯৭ মেট্রিক টন, মন্মথপুর ৩৩৪ দশমিক ২৩০ মেট্রিক টন এবং আমবাড়ি ৫১৭ দশমিক ৬৫০ মেট্রিক টন চাল। সংশ্লিষ্ঠ সূত্র জানান  বাজারে চালের যে চড়া মূল্য তাতে চুক্তি রক্ষা করতে সরকারী খাদ্য শস্য  ভান্ডারে মিলাররা কি মানের চাল দিচ্ছেন তা অনুমেয়্। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা  সুদেব কুমার দাসের সাথে কথা হলে জানান, করার তো কিছুই  নেই। খাদ্য বিভাগ নির্ধারিত মূল্য আর বাজার মূল্যের মধ্যে ব্যবধান বেশ বিস্তর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মদনে ক্ষুদ্র নৃ—গোষ্ঠীর মধ্যে ভেড়া ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ

সুদর্শন আচার্য্য, মদন, নেত্রকোণা ঃ সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ—গোষ্ঠীর মাঝে ...

What Is Cmmi? A Model For Optimizing Development Processes

Содержание Managed Processes Maturity Model Structure Do You Want To Implement The ...