Home | সারা দেশ | নগরীর ১৯ নং ওয়ার্ড মাদকের নেশায় ভাসছে ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ

নগরীর ১৯ নং ওয়ার্ড মাদকের নেশায় ভাসছে ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ

yaba 99ষ্টাফ রিপোটার : দেশের দণি পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আসছে ফেনসিডিল সহ সর্বনাশা মাদকদ্রব্য। ভারতীয় মাফিয়া চক্র শক্তিশালী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে পৌছে দিচ্ছে আর দেশীয় চোরাচালানীরা নিত্য নতুন কৌশলে তা ছড়িয়ে দিচ্ছে তৃণমূল পর্যায়ে। উভয় দেশের চোরাচালানীদের কাছে মাদক ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে তারা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অভাবী শিশু, কিশোর ও মহিলাদের কাজে লাগানো হচ্ছে মাদকদ্রব্য পারাপারে। রাজশাহী মহানগরীর ১৯ নং ওয়ার্ড এখন মাদকের সর্গরার্জে পরিনত হয়েছে। এই ওয়ার্ডে হাতবারালেই পাওয়া যাচ্ছে মরন নেশা হিরোইন,ইয়াবা, ফেনসিডিল,গাঁজা সহ সকল প্রকার মাদক দ্রব্য। একদিকে তাদের ভয়াল ব্যবসা অন্যদিকে দেশের নেশাগ্রস্থ যুব সমাজ ক্রমান্বয়ে ধাবিত হচ্ছে ধ্বংসের দিকে। চারিদিকে এখন শুধু ফেনসিডিল আর হেরোইনের ছড়াছড়ি। অবস্থাদৃষ্টে এর বিরুদ্ধে শুধু প্রশাসনিক নয়, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরী হয়ে পড়েছে।নগরীর ১৯নং ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায় ছোটবন গ্রাম পূর্ব পাড়ায় রমরমা মাদক ব্যবসা করছে কমলা নামে এক মহিলা। এই মহিলা হিরোইন, গাজা, তাড়ী, মদ ও ইয়াবা সহ সকল প্রকার মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ঐ একই এলাকা ছোট বন গ্রাম বাগান পাড়া মিন্টু ও তাহার স্ত্রী কলি বেগম প্রকাশে চালাচ্ছে ইয়াবা, হিরোইন, ও ফেনসিডিল ব্যবসা। এছাড়া ছোট বন গ্রাম উত্তর পাড়া সুমন ও তাহার মা সহ ছোট ভাই রাসেল, সকলে গাঁজা, হিরোইন, ইয়াবা, সহ মাদক ব্যবসা করছে। অপরদিকে নিউ কলোনি, হাজরাপুকুর, শিরোইল কলোনী কানার মোড়, এলাকায় বিখ্যাত গাজাঁ ব্যবসায়ী খালেক কানা, আজাহার আলী,  আকরাম ও তাহার ভাই আসলাম সহ তাদের স্ত্রীদেও দিয়ে প্রকাশে দিবালোকে চালাচ্ছে গাজাঁ, হিরোইন, ইয়াবা, তাড়ী, চুয়ানী,।১৯ নং ওয়ার্ডের হাজরাপুকুর এলাকার মাদক সেবী এক সন্তানের মা কান্না বিজড়িত কন্ঠে জানান, আমার একটি মাত্র সন্তান রাব্বানি সে এই মরন নেশা হিরোইন এ আসক্ত। গত পাচঁ বছর থেকে সে হিরোইন সেবন করে বাড়ির সকল আসবার পত্র বিক্রি করে হিরোইন খাওয়া শেষ। এখন সে চুরি ও ছিনতাই অপরাধের সাথে জরিয়ে পড়েছে। এ সকল মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে মাঝে মধ্যে প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কে টাকা নিতে দেখা যায়। এ রকম অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের উচিত সকল প্রকার মাদক ধ্বংস করা কিন্তু প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা টাকা পয়সার বিনিময়ে এ সকল মাদক ব্যবসায়ীদের আরো উৎসাহিত করছে মাদক ব্যবসা করতে। আমরা এলাকা বাসী ১৯ নং ওয়ার্ড থেকে মাদক উচ্ছেদে প্রশাসনের উদ্ধতর্ন কর্মকর্তা দৃষ্টি আর্কষন করছি। এ বিষয়ে ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুজ্জামান টিটো সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি বহু বার সাধারন জনগন নিয়ে এই মাদক ব্যবসা নিমূর্লে চেষ্টা করলেও তা সম হয়নি। এ ব্যপারে আমি কাউন্সিলর সাধারন জনগনের স্বার্থে উদ্ধতন প্রশাসনের হস্তপে কামনা করছি।এ বিষয়ে বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: সাইদুর রহমান ভূইয়া ( ও সি) সাথে কথা বললে তিনি জানান মাদক উচ্ছেদে আমাদের অভিযান অব্যহৃত আছে। অতি শীগ্রই বোয়ালিয়া মডেল থানা আওতা ভুক্ত এলাকা সমূহ থেকে মাদক উচ্ছেদে সম হব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

সদরপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন

ইকবাল মাহমুদ হিরু, সদরপুর ফরিদপুর থেকেঃ ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জে টুঙ্গিপাড়ায় ...

রাণীশংকৈল ইউএনও’র ১’শ টি হুইল চেয়ার প্রদান 

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ এর ...