ব্রেকিং নিউজ
Home | ব্রেকিং নিউজ | দইয়ের ভিতর পাওয়া গেল মরা টিকটিকি

দইয়ের ভিতর পাওয়া গেল মরা টিকটিকি

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : খাদ্যে ভেজাল ও অপরিষ্কার নোংরা পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী   তৈরী প্রতিনিয়ত যেন বেড়েই চলেছে। এ যেন নিত্য দিনের ঘটনা। জীবননগরে হোটেল রেস্তোরা গুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য দ্রব্য তৈরীর কারনে মানুষ প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ছে। সেই দেখা দিচ্ছে নানা রকম রোগবালাই। অভিযোগ উঠেছে অস্বাস্হ্যকর ও নোংরা পরিবেশে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য তৈরী করে তা ক্রেতার কাছে পরিবেশন করা হচ্ছে। এবং সেইসাথে নিরাপদ খাদ্যের ঝুকিতে রয়েছে সাধারন মানুষ। অনেক সময় না জেনে বুঝে এধরনের নোংরা পরিবেশে তৈরী হওয়া খাবার বাসায় নিয়ে পরিবার ও মেহমানদের পরিবেশন করে আসছে । প্রশাসনের কড়া নজর দারির অভাবে এরকম অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্র দ্রব্য  তৈরী হচ্ছে। নেই জীবননগর বাজার মনিটরিং কমিটি। নোংরা পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী তৈরীর কারনে নেওয়া হয়না প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা। আর তাই কোন নিয়ম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এ সমস্থ অসাধু ব্যবসায়ীরা মানুষকে ঠকিয়ে হচ্ছে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ।  এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে এসমস্ত হোটেল রেস্তোরা গুলোতে দই বানাতে গিয়ে নানা রকম ক্ষতিকর মেডিসন, পাউডার দুধ, এবং দই ঘন আর স্বরযুক্ত করতে ব্যবহার করা হয় টয়লেট ট্যিসু সহ নানা রকম উপকরন।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন  অবস্থিত আদি বাঘাট দধি এন্ড মিষ্টান্ন ভান্ডার থেকে দই কিনে বাসায় নিয়ে মেহমানদের পরিবেশনের সময় দইয়ের মালসা থেকে  চামচের সাথে উঠে আসে দুটি মরা টিকটিকি। দইয়ের মলসায় মরা টিকটিকি দেখে ক্রেতা শিক্ষক শফিক কামাল  হতবাক। নোংরা পরিবেশে দই তৈরীর কারনে এধরনের ঘটনা প্রায়ই  ঘটে থাকে। ঘটনার বিবরনে  শফিক কমাল মাস্টার জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে  তিনি জীবননগর আদি বাগাট দধি এন্ড মিষ্টান্ন ভান্ডার থেকে ১২০ টাকা দরে দুই কেজি  দই কিনে বাসায়  নিয়ে যায় মেহমানদের  পরিবেশনের জন্য। এমতাবস্থায় খাওয়ার সময় তাদের দই পরিবেশন করতে গেলে চামচ এর সাথে উঠে আসে মরা টিকটিকি।
এ ঘটনায় শফিকুল মাস্টার বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন।তিনি জানান পরবর্তীতে আমি মরা টিকটিকির দইয়ের মালসা সহ দোকানের মালিককে দেখাতে গেলে তিনি কোন রকম পাত্তা না দিয়ে বলে এটা কোন ব্যাপার না। ও তো পড়তেই পারে।দোকান দারের এরকম কথা শুনে আমি ন্যায় বিচারের আশায়   স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন মানুষের কাছে অভিযোগ জানায়। এবং এ রকম মরা টিকটিকি যুক্ত খাবার যেন আর কেউ না খাই সেজন্য সকলের কাছে অনুরোধ জানান। এবং দোকান মালিকের বিরুদ্ধে  কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
 এ বিষয়ে জীবননগর আদি বাঘাট দধি এন্ড মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী শ্রী নিরঞ্জন শিকদার জানান এ বছর কুরবানী ঈদে ৮০০- ১০০০ কেজি দই বিক্রি হয়েছে। ভুল ত্রুটির কারণে হয়তো টিকটিকি পড়তে পারে।
এ বিষয়ে জীবননগর পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনেটারী ইন্সপেক্টর আজাদুর রহমান জানান আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি এবং ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে এবিষয়টি শহরে প্রচার হওয়ার সাথে সাথে দোকানের মালিক শ্রী নিরঞ্জন শিকদার ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাপ করছেন। এবং ভুক্তভোগী ক্রেতার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আতঙ্ক না ছড়িয়ে শক্ত ও সচেতন হোন:প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রির্পোটার : করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আতঙ্ক না ছড়িয়ে শক্ত ও সচেতন থাকতে ...

বাংলাদেশে আরও তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত

স্টাফ রির্পোটার :বাংলাদেশে আরও তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, যারা একই পরিবারের ...