ব্রেকিং নিউজ
Home | জাতীয় | এবার গ্রেপ্তার দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির

এবার গ্রেপ্তার দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির

স্টাফ রির্পোটার : পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (সাময়িক বরখাস্ত) মিজানুর রহমানের সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এবার গ্রেপ্তার হয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।

সোমবার রাতে ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে বাছিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। কমিশনের জনসংযোগ শাখার উপ-পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারের পর এনামুল বাছিরকে রমনা থানায় নেওয়া হয়েছে।

ওই মামলায় রবিবার পুলিশ কর্মকর্তা মিজানকে গ্রেপ্তার দেখায় দুদক। তিনি অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আগে থেকে কারাগারে রয়েছেন।

ডিআইজি মিজানের সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের তদন্ত শুরুর পর দুদক থেকে বরখাস্ত হন এনামুল বাছির। এরপর তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।

এক নারীকে জোর করে বিয়ের পর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ওঠায় গত বছরের জানুয়ারিতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ডিআইজি মিজানুর রহমানকে।

এর চার মাস পর তার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক। এক পর্যায়ে সেই অনুসন্ধানের দায়িত্ব পান এনামুল বাছির। অনুসন্ধান চলার মধ্যেই ডিআইজি মিজান গত ৮ জুন দাবি করেন, দুদক কর্মকর্তা বাছির তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

এর পক্ষে তাদের কথপোকথনের কয়েকটি অডিও ক্লিপ একটি টেলিভিশনকে দেন তিনি। ওই অডিও প্রচার হওয়ার পর দেশজুড়ে শুরু হয় আলোচনা।

ডিআইজি মিজান দাবি করেন, সব জেনেশুনেই তিনি কাজটি করেছেন। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বাছির যে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’, তা প্রমাণে ‘বাধ্য হয়ে’ এই কাজ করেন তিনি।

তবে বাছির ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলে আসছিলেন, ‘সব বানোয়াট’।

কিন্তু দুদকের পরিচালক ফানাফিল্যার এক চিঠিতে প্রকাশ পেয়েছে যে বাছিরের ঘুষ নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছেন তারা।

আর আজ রাতে শেখ মো. ফানাফিল্যা নেতৃত্বাধীন দুদকের এই সংক্রান্ত তদন্ত দল সোমবার রাতে ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে বাছিরকে গ্রেপ্তার করে।

ফানাফিল্যার দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়, “খন্দকার এনামুল বাছির সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে কমিশনের দায়িত্ব হতে অর্পিত দায়িত্ব পালনকালে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায় ক্ষমতা অপব্যবহারের মাধ্যমে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ডিআইজি মিজানুর রহমানকে অবৈধ সুযোগ প্রদানের হীন উদ্দেশ্যে ডিআইজি মিজানুর রহমার থেকে তার অবৈধ পন্থায় অর্জিত অপরাধলব্ধ ৪০ লাখ টাকা উৎকোচ/ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করে উক্ত টাকার অবস্থান গোপন করেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের খাবারের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি

ক্রীড়া ডেস্ক : ফিটনেসে জোর দিতে হবে। তাই পাকিস্তানের কোচ হয়ে এসে ...

এবারও নেতানিয়াহুর পক্ষে ক্ষমতায় টিকে থাকা কঠিন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক :  ইসরায়েলের নির্বাচনের ফলাফল এখনো প্রকাশিত না হলেও সমীক্ষা অনুযায়ী ...