ব্রেকিং নিউজ
Home | সারা দেশ | ৭১এর গণহত্যার নির্মম দৃষ্টান্ত শরীয়তপুরের মধ্যপাড়া বধ্যভূমি, বিজয় সেখানে আজো পৌছেনি !

৭১এর গণহত্যার নির্মম দৃষ্টান্ত শরীয়তপুরের মধ্যপাড়া বধ্যভূমি, বিজয় সেখানে আজো পৌছেনি !

modhopara shretistambo pic (1)মোঃ আবুল হোসেন সরদার,শরীয়তপুর থেকে : বিজয়ের মাস ডিসেম্বর কে সামনে রেখে আজও ভয়, শংকা, আতংক আর স্বজন হারানোর বেদনায় এলোমেলো হয়ে যায় ৭১ এর বিভীষিকা নিয়ে বেঁচে থাকা শরীয়তপুরের কয়েক শত নর-নারী। মনে হয় স্বাধীনতার ৪২ বছর পরেও  এখানে বিজয়  পৌছেনি। একের পর এক সরকার পরিবর্তন হয়েছে। এলাকার শত শত শহীদের স্মৃতির প্রতি স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর্যন্ত কেউ সম্মান জানানোর চিন্তা ও  করেনি। ৩৯ বছর পরে শরীয়তপুর পৌরকর্তৃপক্ষ একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মান করলে ও ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক শত পরিবারের একজনকেও পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করেনি কোন সরকার । এমনকি রাজাকরদের বিরুদ্ধেও কোন কথা বলেনি কেউ। মহান স্বাধীনতার ৪২ বছরের দারপ্রান্তে দাড়িয়ে আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন এ এলাকার শহীদ পরিবারগুলো।
১৯৭১ সালের ভয়াল মুক্তিযুদ্ধের সময় শরীয়তপুর পৌর এলাকার কাশাভোগ, নিলকান্দি,মধ্যপাড়া, ধানুকা, রুদ্রকরসহ হিন্দু প্রধান এলাকা গুলোতে  রাজাকারদের সহায়তায় ৬ থেকে ৭ দফায় শত শত পাক সেনারা হানা দিয়ে অকাতরে পাখির মত গুলিকরে হত্যা করেছে প্রায় ৯ শত নারী-পুরুষ শিশুসহ আবাল বৃদ্ধ বনিতাকে। ৭১সালের ২২ মে হত্যা করা হয় ৩ শত ৭০ জনকে। ধর্ষন করে শতাধিক যুবতীকে। চোখ বেঁধে নিয়ে মাদারীপুর এ, আর হাওলাদার জুট মিলসে অবস্থিত আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় ৭০ জন যুবতী নারী সহ দু’শতাধিক পুরুষকে। তারা কেউ আজও ফিরে আসেনি। ৪২ বছর যাবৎ স্বামী গৌরাঙ্গ চন্দ্র  ফিরে আসার পথ চেয়ে ৬৫ বছরের বৃদ্ধা যুগল বালা ২০১১ সালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন ।
এ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলেছেন কমরেড নুরুল ইসলাম, আবুল কালাম হাওলাদার, দীনেশ চন্দ্র সাহা, স্বপন সাহা, নান্টু সাহা, সোহরাব শিকদার, সহাদেব দাস, সুভাষ দাস, মহাদেব দাস, সনাতন দাস, গৌরঙ্গ দাস, মানিক দাস, মিনা রানী পোদ্দার ও কালু সাহা সহ ৩০/৪০ জন প্রত্যদর্শী। যারা সে সময়ের সেই বিভিষিকাময় হত্যাযজ্ঞের  প্রত্য স্বাক্ষী। তারা  জানান, ৭১ এর ২২ মে দুপুর গড়িয়ে যখন বিকেল হতে চলেছে, পাক হানাদার বাহিনীর জাহাজ সদর উপজেলার আঙ্গারিয়া নদীর ঘাটে নোঙ্গর করে দেড় শতাধিক সেনা সদস্যকে রাজাকার সোলেমান মৌলভী, রবিউল্লা মাষ্টার, আজিজ মোল্যা, মজিবর তালুকদার, নুরুল আলম তালুকদার,মতিন খান, সহ রাজাকারের একটি বিশাল দলের নেতৃত্বে আঙ্গারিয়া বাজারের উপর দিয়ে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা মনোহর বাজার ও রুদ্রকরের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। পাকবাহিনীর  দলকে আসতে দেখে কমরেড নুরুল ইসলাম (বর্তমানে আঙ্গারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরী) হাতে লাল গামছা উড়িয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে চিৎকার করে বলছিল ”পাক সেনারা ঢুকে পড়েছে, যে যেখানে আছ পালাও, পালও ,জীবন বাচাও ।  এভাবে তিনি রুদ্রকর পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার দৌড়ে মানুষের কাছে সংবাদ পৌছে দিয়ে অনেককে নিরাপদে আশ্রয় নিতে সাহায্য করেছিল।
ঐ সময় পাক বাহিনী আঙ্গারিয়া বাজার অতিক্রম করে কাশাভোগ তালুকদার বাড়ী ব্রীজের নিকট  পৌঁছলে গরু নিয়ে বাড়ী যাওয়ার সময় কৃষক আঃ সামাদ শিকদার ভয়ে দৌড় পালাতে চাইলে পাক সেনারা তাকে ল্য করে গুলি ছুড়ে। ঘটনাস্থলেই প্রথম শহীদ হন আঃ সামাদ শিকদার। এর থেকে সামান্য দুরে সম্ভু কর্মকার (কামার)কে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।  এরপর ১০০ গজ পূর্বদিকে  নাগ বাড়ীতে ঢুকে ৮৫ বছরের বৃদ্ধ উপেন্দ্রনাথ নাগকে গুলি করে হত্যা করে। গুলীর শব্দ শুনে তার স্ত্রী তাবিনী বেলা নাগ (৭৫) চিৎকার দিলে তাকেও  গুলী করে হত্যা করা হয়। পাশের বাড়ীতে পালিয়ে থাকা একই পরিবারের শিবু দাস সাহা ও তার ভাই গৌরাঙ্গ সাহা, শিবু দাসের ৩ ছেলে সহ একজন মহিলাকে নির্মমভাবে গুলি করে ও পরে ব্যানট দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে হত্যা করে। এসব হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে কাশাভোগ গ্রামে। পাক সেনারা রাজাকারদের সহায়তা মধ্যপাড়া গ্রামে প্রবেশ করে এলোপাথারী গুলিছুড়ে। গুলীর শব্দ ও মানুষের আহাজারি শুনে এই গ্রামের মানুষেরা জীবন বাঁচানোর জন্য দিগবেদিক দৌড়াতে  শুরু করে। রাজারকারদের নেতৃত্বে তখন পাক সেনারা কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে এলাকায় ঢুকে পাখির মত গুলি করে মারতে শুরু করে দেয়। এসময় ৮ মাসের শিশু পুত্র কৃষ্ণকে নিয়ে একটি মাটির গর্তের ভিতর পালিয়ে থাকা তার মা রাধা রানীকে গুলি করে। রাধারানী গুলি খেয়ে ঘটনাস্থালেই মারা যায়। পরের দিন সকালে গর্তের ভিতর দখা যায় রাধা রানীর ৮ মাসের শিশু পুত্রটি মাতৃদুগ্ধ পান করা অবস্থায় মায়ের লাশের পাশে  মরে পড়ে আছে। এরপর রাধা রানীর স্বামী হরি সাহা (৫০) ও তার মা চিরবালা (৮০) কে ও হত্যা করা হয়। পাক সেনাদের একটি দল সাথী বিড়ি ফ্যাক্টরীর মালিক ভজনিতাই সাহার বাড়িতে ঢুকে রমনী সাহা ও তার মেয়ে শোভা রানী  ও তার শ্বশুর বাড়ী থেকে আশ্রয় নিতে আসা ৯ জনকে গুলি করে হত্যা করে।
ঘাতকের একটি দল দাসপাড়া ঢুকে মন্টু দাসের যুবতী বোন সখী বালা দাসকে তাড়া করলে সে তার দাদা, বৌদি ও তাদের ৬ মাসের শিশু সন্তানকে নিয়ে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলে ঘাতকরা জানালা দিয়ে গুলি করলে সখী বালার বুকে গুলি বিদ্ধ হয়। দাদা বউদি ও শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য সখী বালা গুলি খেয়েও চিৎকার করেনি। মন্টু দাস তার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে পিছনের বেড়া ভেঙ্গে পালিয়ে যেতে পারলেও সখী বালা সেখানেই ঘরের ভিতর নিস্তেজ নিথর  দেহ নিয়ে পড়ে থাকে। ঐ সময় রাজাকাররা ঐ ঘরটিতে কেরোসিন ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে সখী বালাকে সহ ঘরটিকে পুড়ে  ভষ্ম করে দেয়। আর এ দৃশ্য দেখে রাজাকাররা বিকৃত আনন্দ  উল্ল্যাস আর অট্ট হাসিতে ফেটে পড়ে।
মানিক দাস, জানান মিলিটারীর দল ৬ দফায় এই এলাকায় হামলা চালায়।যুগলবালাদের বাড়ীতে থাকা ২টি দালান ঘরের একটি মর্টার শেল ও বাসায়নিক পাউডার ছিটিয়ে শত শত রাউন্ড গুলি করে দালানটিকে মাটির সাথে গুড়িয়ে দেয়। ঐ সময় তাদের ঘর থেকে রাজাকাররা  প্রায় একশ ভরি স্বর্নালঙ্কার সহ অনেক মূল্যবান সম্পদ লুট করে নিয়ে গেছে। স্বামী গৌরঙ্গ চন্দ্র পোদ্দারকে সহ দেবর নিপিন্দ্রনাথ পোদ্দার, শিক সুখদেব সাহা, জয়দেব সাহা, মনি কৃষ্ণ সাহা, লী চন্দ্র সাহাকে পাক বাহিনী বেধে নিয়ে যায়। যুগল বালা সহ আরও ১০/১২ জন যুবতী মেয়েকে একই বাড়ী থেকে ধরে নিয়ে নিকারী বাড়ীর কাছে একটি টিনের ছাপরা মসজিদে নিয়ে তাদের উপর অমানবিক অত্যাচর (ধর্ষণ) চালানো হয়। যুগলবালার স্বামী  গৌরাঙ্ড় চন্দ্র আজও ফিরে আসেনি। অনেকের কাছে শুনেছে, তার স্বামী সহ সকলকে হত্যা করে আড়িয়ালখা নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি তা বিশ্বাস না করে মৃত্যুর আগ দিন পর্যন্ত স্বামীর পথ চেয়ে অনবরত অশ্রæ বিসর্জন দিয়ে গেছেন।
প্রত্যদর্শী দীনেশ চন্দ্র সাহা ও মধু চন্দ্র সাহা জানান, ঐ সময় মনোহর বাজার ও রুদ্রকর এলাকায় বরিশাল ও মাদারীপুর জেলা থেকে কয়েকশত হিন্দু নর-নারী নিরাপদ  আশ্রয় নিতে এ এলাকায় এসেছিল। ঐ সকল আশ্রয় নেয়া লোকদের অধিকাংশ সেদিন ঘাতকদের গুলিতে শহীদ হন। যারা বেঁচে ছিলেন তাদের অনেককে মাদারীপুর ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।  আশ্রয় নিতে আসা চিত্ত রঞ্জন ডাক্তার তার স্ত্রী ও ৩ ছেলে সহ মোট ৯ জনকে একই স্থানে ঘাতকরা গুলি করে হত্যা করে।
সহদেব দাস জানান, ঐ দিন দাস পাড়ার ইন্দ্রজিৎ দাস তার মা কিরন বালা দাস ও ইন্দ্রজিৎ এর ৬ মাসের পুত্র অভিমুন্ড দাসকে ঘাতকরা নির্দয় ভাবে গুলি করে হত্যা করে। ঐ বাড়ীর ইন্দ্রজিৎ এর ভাই সুভাষ (পাখি) ও মহাদেব দাস গলায় ও বুকে গুলি খেয়ে সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যায়। গোসাই দাস নামে ৮০ বছরের এক বৃদ্ধ ভয়ে ঘরের এক কোনে পালিয়ে ছিল। তাকে ধরে এনে তার শরীরে ছালার চট পেচিয়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। ৩ দিন পরে  সে মারা যায়।
সুভাষ দাস ও অন্যান্য প্রত্যদর্শীরা জানায়, ২২ মের পরেও পাক সেনারা আরো দু’বার এ এলাকায় হানা দিয়ে অনরূুপ ভাবে ব্যাপক জানমালের তি করেছে।
প্রত্যদর্শীরা বলেছে, একদিকে পাক বাহিনীর হত্যা ধর্ষন যেমন চলতে থাকে অন্যদিকে রাজাকার মুসলিম লীগের লোকজন কাশিপুর দাঁদপুর, চরচটাং থেকে দলে দলে এসে লুটতরাজ অগ্নিসংযোগ করতে থাকে। গৌরঙ্গ দাস (৭৫) ও মিনা রানি পোদ্দার (৭০) জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় ৭ মাস ধরে যেখানে সেখানে অগনিত পচা গলা লাশ পড়ে ছিল। সৎকার করার কেউ ছিল না। কুকুর শিয়ালে লাশ খেয়েছে। দূর্গন্ধে অনেক দিন পর্যন্ত কেউ এলাকায় প্রবেশ করতে পারেনি।
প্রত্যদর্শী আবুল কালাম হাওলাদার (বর্তমানে আংগারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী) জানান, আমার বয়স তখন ১৪/১৫ বছর। ৭১ এর ২২ মে আমি দুপুরে দোকানে বসা ছিলাম। আমাকে দোকান থেকে ধরে নিয়ে পাক সেনারা আমাকে দিয়ে মর্টার সেল বহন করায়। পাক সেনারা মধ্যপাড়ার কয়েক জন পুরুষকে ধরে এনে কলেমা পড়ানোর নাম করে রাস্তায় শুইয়ে রাইফেলের বাট দিয়ে বেধরক পেটাতে থাকে। মতিলাল সাহা নামে একজন নিঃসন্তান বৃদ্ধকে ধরে এনে গুলি করে হত্যা করা হয় এবং স্বর্ণঘোষের রাজাকার আজিজ মোল্যা চন্দ্রাই ঠাকুর নামে ৯৮ বছর বয়স্ক এক অচল বৃদ্ধকে কোলে করে এনে মাঠে বসিয়ে পাক সেনাদের দ্বারা গুলি করে হত্যা করে। নুর মোহাম্মদ মোল্যা নামে একজন রাজাকার পাক সেনাদেরকে রুদ্রকর বাবুর বাড়ির দিকে নিয়ে যায়। জমিদার প্রমথ চক্রবর্তির বাড়ির ১ শত ৫০ ফিট উচু মঠের উপর উপুর্যপুরি মর্টার সেল দিয়ে হামলা চালায় । আজো সেটি সদম্ভে দাড়িয়ে আছে রুদ্রকরের বুক চিড়ে।
সেদিনের প্রত্যদর্শীদের আজো যারা বেঁচে আছে তাদের থেকে জানা যায়, ২২ মে’র পরে ও পাক সেনারা আরো কয়েক দফায় এ এলাকায় হানা দিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। প্রথম দিনই (২২ মে) তারা প্রায় ৩ শত ৭০ জন শিশু ও নর-নারীকে হত্যা করেছিল। মাদারীপুরে ধরে নিয়েছিল আরো দুই শতাধিক নারী- পুরুষকে। ঐ সময় কমপে ৪ শত পরিবরের ঘরবাড়ি সম্পদ টাকা পয়সা স্বর্নালংকার ও গরু বাছুর লুট করে নিয়ে যায়। অন্তঃত ৩ শ’ ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। ৭১ এর নির্মম, নৃশংস, মানবতা বিরোধী কর্মকান্ডের সাথে যে সকল রাজাকার আল বদর বাহিনী জড়িত ছিল সে সকল রাজাকারের অন্যতম প্রধান সর্দার কাশিপুরের সোলাইমান মৌলভীসহ অনেকেই আজো বেঁচে আছে এবং তারা প্রচন্ড দম্ভের সাথে বহাল তবিয়তেই রয়েছে। সকল তিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা এ সকল যুদ্ধাপরাধীদের দীর্ঘদিন পরে হলেও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
শরীয়তপুর সদর উপজেলার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ডো আব্দুস সামাদ মাষ্টার বলেন, বিবেকের তাড়নায় নিজে বাদী হয়ে রাজাকার সোলাইমান মৌলভী ও তার দোষরদের বিরুদ্ধে আদালতে যুদ্ধাপরাধের মামলা দায়ের করেছি। এদের বিচার দেখে যেতে চাই।
শরীয়তপুর সদর উপজেলার মুক্তিযোদ্বা কমান্ড কাউন্সিলের সহকারী কমান্ডা (সাংগঠনিক) আলহাজ্ব আবদুর রহমান খান (দুলু) বলেন, এ সরকার রাজাকাদের বিচার কাজ শুরু করছে। আমি জীবদ্দশায় দেখে যেতে চাই সকল রাজাকাররা যেন দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ভোগ করছে। তাহলেই দেশের স্বাধীনতা অর্থবহ হবে এবং সকল শহীদের আত্মা শান্তি পাবে।
মধ্যপাড়ার  এ গণহত্যা সর্ম্পকে জানতে চাইলে শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব মুন্সি বলেন, ৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোষর রাজাকার আলবদর বাহিনীর অত্যাচারের কথা মনে হলে, ওদের সেই বিভীষিকাময় অত্যাচারের কথা স্মৃতিপটে ভেসে উঠলে আজো শিউরে উঠি, ওদের শাস্তি পেতেই হবে। এ অঞ্চলের শত শত শহীদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে মনোহর বাজারে একটি স্মৃতি স্তম্ভ নির্মান কাজ শেষ করেছি। সংরক্ষিত তথ্যের অভাবে সকল শহীদের নামের তালিকা স্মৃতি স্তম্ভে প্রদর্শন সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

গোপালগঞ্জে গাছের সঙ্গে জিপের ধাক্কা : চালক নিহত

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জিপগাড়ী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে চালক ...

সাতক্ষীরায় মন্দিরের গেট ভাংচুর করার সময় একজন আটক

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদরের গোদাঘাটা গ্রামের গোদাঘাটা দূর্গা মন্দিরের গেট ভাংচুর করার ...