ব্রেকিং নিউজ
Home | অর্থনীতি | ২০১৩ সাল ব্যাংকিং খাতের বিপর্যয়ের বছর : সিপিডি

২০১৩ সাল ব্যাংকিং খাতের বিপর্যয়ের বছর : সিপিডি

cpdস্টাফ রিপোর্টার: চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, ব্যাংকিং খাতের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে ২০১৩ সাল ব্যাংকিং খাতে বিপর্যয়ের বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে বলে মনে করছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

 

সিপিডির মতে, মুদ্রানীতি মুদ্রা প্রবাহ ও সম্পদ গঠনে বাস্তবসম্মত হয়নি। বাংকিং খাতে কু-লোনের পরিমাণ বাড়ছে। ফলে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছে এ খাত। কু-লোনের পরিমাণ ১২ শতাংশে  পৌঁছেছে। অতিরিক্ত ব্যাংক সুদের হার ও আর্থিক খাতের সংস্কার করা হয়নি, এমনকি উদ্যোগও নেয়া হয়নি। প্রয়োজনীয় উদ্যোগের অভাবে বিনিয়োগ কমেছে। ফলে দেশে এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে।

 

মঙ্গলবার ‘২০১৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি : বাজেটের তিন মাস পর, নির্বাচনের তিন মাস আগে’ শীর্ষক গবেষণা রিপোর্টে সিপিডি এ তথ্য তুলে ধরেছে। সিপিডি মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানটির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেন। এ সময় সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, গবেষণার সমন্বয়ক তৌফিকুল ইসলাম খান, সিপিডির রিসার্চ ডিরেক্টর ফাহমিদা খাতুন, এডিশনাল রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম উপস্থিত ছিলেন।

 

দেবপ্রিয় বলেন, সিপিডি ২০১২-১৪ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে বাস্তবসম্মত নয় বলে জানিয়েছিলাম তা এখন সিপিডি জোর দিয়ে বলতে চায় সত্যি ছিল। দেশের অর্থনীতির আর্থিক কাঠামো এখনো দুর্বল। বিদেশে জনশক্তি রফতানি প্রবাহ কমেছে। রেমিটেন্স কমার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। গত বছরের তুলনায় মোট বিনিয়োগ একই অবস্থানে রয়েছে। ব্যাংকখাতের ওপর সরকারের চাপ বেড়েছে।

 

তিনি জানান, সরকারি নীতির অভাবে ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ কমে গেছে। আইএমএফের ন্যূনতম ব্যক্তিখাতে ১৮ মাত্রার চেয়ে দেশে এখন ১১ মাত্রা। যা অনেক কম। গত ১ দশকে এতো কম প্রবাহ হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ঈদে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার : আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ব্যাংকের এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা ...

ঈদ উপলক্ষে নতুন নোট বিনিময় শুরু

স্টাফ রিপোর্টার : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এ বছরও গ্রাহকদের মাঝে ...