Home | ফটো সংবাদ | স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান হিজড়া-গুরু আপন, তবুও পিছু ছাড়ছে না মৃত্যু ভয়

স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান হিজড়া-গুরু আপন, তবুও পিছু ছাড়ছে না মৃত্যু ভয়

 আপন ইদ্রিস আলমঃ হিজড়াদের নিয়ে সাধারণত বিরূপ ধারণা কম বেশি সবারই থাকে, তা কিন্তু মূখ্য বিষয় না বা প্রধান বিষয়ও না । প্রধান বিষয় হলো তাদের এই অপকর্ম বলি বা ভালোকর্ম বলি তাও কিন্তু মূখ্য বিষয় না। আসলে আমাদের জানা দরকার তাদের এই কর্মের মধ্যে কি করছে তারা বা আসলে তাদের উদ্দেশ্য কি? কেনই বা তারা কাজ কর্ম না করে এমন কাজের সাথে লিপ্ত হচ্ছে? জানার বিষয় কেনইবা একজন স্বাভাবিক ছেলে মানুষ কি ভাবে এই হিজড়া বিত্তিতে জরিয়ে পরছে? স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইলে কেন এত বাধা? স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চেয়েও যেন স্বস্থি নেই প্রকৃত হিজড়াদের , আবার এই পথে থেকেও যে নিরাপদে থাকতে পারছেনা তারা। তার আগে জানা জাগ তাদের কাজের ধরা বাধা বা নিয়ম কানুন। সব কাজেরই একটি সময় সীমা বা বাধ্য বাধকতা আছে। তেমনি হিজড়াদের কাজের ও নিয়ম আছে তা আমাদের সাধারণ মানুষের জানা নেই , কিন্তু আমাদের জানা খুব দরকার কারণ যে ভাবে রাজধানীসহ প্রত্তন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পরেছে নকল হিজড়াদের দৌরাতব ।এদের হাত থেকে ছোট বড় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পরিবারের মা বোনেরা ও যেন রেহায় পায়না। এমনকি তারা যাত্রীবাহী গণ পরিবহনে ও নিরব চাদাবাজী করে যাচ্ছে, আবার বিভিন্ন পার্কে তারা যৌন কাজ কর্ম করে যাচ্ছে নিরবে এমন নিয়ম নাকি প্রকৃত হিজড়াদের মাঝে নেই তার মানে ধরে নিতে পারি আসলেই তারা হিজড়া নাম ধারি পুরুষ। হিজড়াদের আসল কাজ হলো তারা দোকান থেকে ৫-১০টাকা, বিয়ে বাড়ীতে নাচ গান করে খুশি হয়ে যা বকশিশ দিবে তা এবং কোন বাড়ীতে নবজাতক হলে ঐ বাড়িতে ঢাক ডোল বাজিয়ে যা বকশিশ পাবে তা দিয়ে তাদের জীবিকা পরিচালিত করে থাকে আর এইটাই হলো প্রকৃত হিজড়াদের কাজের পরিধি বা সীমা রেখা। এই কাজের সত্যতা জানার জন্য এক হিজড়ার সাথে কথা বললে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ হিজড়া জানান, তাদের কাজ আসলেই এই সীমা রেখার মধ্যেই পরে। কিন্তু আমরা হলাম দিন মজুর শ্রমিকের মত দিন আনি দিন খাই আমরা মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার ও করি কিন্তু জারা আমগো সাথে ভালো ব্যবহার করে আমরাও তাগো সাথে ভালো ব্যবহার করি। সব থেকে বড় বিষয় হলো আমরা যা টাকা মাস শেষে পাই আমগো খরচ শেষে বাকি টাকা পরিবারে ভাই-বোনদের লেখা পড়া এবং মা বাবার খরচ চালায়।কান্না ভেজা কন্ঠে এমন কথা বলে। ঠিক একই ভাবে আরেক হিজড়ার সাথে কথা বললে সে জানায়, ভাই আপনারা তো আমাদের বাহিরের দিকটায় দেখেন, কিন্তু আমরা যে কত বিপদে থাকি তা যদি জানতেন, উল্টো আমাদের সাহায্য করতেন। কি বিপদ জানতে চাইলে বলে আমরা কোন ভুল করলে আমাদের কিছু খারাপ গুরু আছে তারা পালিশমেন্ট দেই তবে সব গুরু না । কেমন পালিশমেন্ট জানতে চাইলে বলে টাকা জরিমানা করে। যে পরিমান জরিমানা করে তা পরিশোধ করতে অনেক কষ্ট হয় আমাদের।আবার শারীরিক নির্যাতন ও করে থাকে । এসব কথার সূত্রধরে কথা হয় অন্য এক হিজড়ার গুরু আপনের সাথে সে জানান, ” এগুলো সত্য কথা ভাই, আমাদের মাঝে এখন হিজড়ার ছদ্যবেশে ভরে গেছে পুরুষ হিজড়া। তারা ঐ ধরনের আচরন করে থাকে তাদের শিষ্যদের সাথে। আমি তাদের কথা কি বলব,আমি নিজেই তো বিপদ গ্রস্ত কেন জানতে চাইলে বলে আমি এখন জীবন নিয়ে খুব হুমকির মুখে বসবাস করছি। আমার উপর কয়েক বার হামলাও হয়েছে আমার আল্লাহ সহায় ছিলো তাই বেছে গেছি। আমি কাজ করে খেতে চাই এই পথ ছেড়ে দিতে চাই আমার সাথে থাকা সবাইকে নিয়ে পরিশ্রম করে জীবন বাচাতে চাই। আমার ফিরে আসাকে অন্য হিজড়ারা অন্য ভাবে নিয়ে তাদের মানুষ সমস্যা করবে ভেবে আমাকে কয়েক বার হত্যার চেষ্টাও করে। সেই ভালো থাকার জন্য যে মহান মানুষ আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তিনি আমাদের কাছে এক মহা মানব, আমরা উনাকে দেবতার মত সম্মান শ্রদ্ধা করি, আমাদের দৃষ্টিতে পুলিশ জগতে এমন মানুষ আর কেউ আছে কি না জানানেই উনার মত মানুষ আমাদের পাশে পেয়ে আমরা গর্বিত উনি হলেন, আমাদের রাজধানীর উত্তরার ডিসি বিধান ত্রিপুরা স্যার। আর এমন মানুষকে আমরা পেয়েছি আর এক মহান সৎ ও যোগ্য পুলিশ অফিসারের মাধ্যমে তিনি হলেন পুলিশ জগতের গর্ভ পুলিশ হেডকোয়াটারের সংস্থাপন শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব স্যার। তার দেওয়া কাজের মধ্য দিয়ে আমরা খুব দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই। খোজ নিয়ে জানাজায় রাজধানীর উত্তরায় অনেক দিন যাবত থেকে আধিপত্ত বিস্তার নিয়ে প্রকৃত হিজড়াদের সাথে দণ্ড করে আসছে হিজড়ার বেশ ধারি পুরুষরা। আর সেই কারনে জীবন ভয়ে দিন পার করছে হিজড়াদের গুরু আপন। আর সেই সাথে নাম চলে আসে আর এক গুরু কচির নাম। তার নামে রাজধানিসহ বাহিরের থানায় হত্যা মামলাসহ নানা অভিযোগ আছে। খোজ নিয়ে জানা যায় অনেক মামলায় জামিনে আছে আবার উত্তরার ৭নং সেক্টরের সেঁজুতি হত্যা চেষ্টা মামলা বীগ্য আদালতে বিচারাধিন রয়েছে। কচি হিজড়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানা সূত্রে পাওয়া অভিযোগ সম্পর্কে উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি-অপারেশন) মো. শাহ আলম বলেন, কচি হিজড়ার বিরুদ্ধে শুধু উত্তরা থানাতেই নয়, রাজধানীর বেশ কয়েকটি থানা এবং জামালপুরের একটি থানাতেও হত্যা মামলা রয়েছে। আর এসব মামলার সূত্র ধরে উত্তরা ৭নং সেক্টরে সেজুতি হত্যাচেষ্টা মামলার চার্জশিট আদালতে দেয়া হয়েছে। আদালত যেকোনো দিন এ মামলার শুনানি করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ম্যালেরিয়ার টিকা পাচ্ছে প্রথম ৩ দেশ

স্টাফ রিপোর্টার :  প্রথমবারের মতো ঘানা, কেনিয়া ও মালাউইয়ে ম্যালেরিয়ার টিকা দেওয়ার ...

পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে আজহার-উমর

স্পোর্টস ডেস্ক: অধিনায়কের দায়িত্ব ছাড়ার পর ওয়ানডে দলে জায়গা হারিয়েছিলেন আজহার আলী। ...