ব্রেকিং নিউজ
Home | ব্রেকিং নিউজ | সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি নোবিপ্রবির দুই হলের নির্মাণকাজ

সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি নোবিপ্রবির দুই হলের নির্মাণকাজ

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময় শেষ বহু আগে, চারবার নতুন করে বাড়ানো হয়ছে  সময় । সর্বেশেষ অতিরিক্ত সময়ও শেষ হয়েছে গত বছরের নভেম্বরে । কিন্তু নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) নির্মাণাধীন দুইটি হলের কাজ শেষ হয়নি এখনো!!

দুইটি ছাত্র ও তিনটি ছাত্রী হলের মধ্যে  নির্মাণাধীন হল দুটি হচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ।

নির্মাণাধীন হল দুটির মধ্যে গোলাকৃতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছেলেদের ও পঞ্চভুজ আকৃতির বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল মেয়েদের জন্য নির্মিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন  ছেলেদের জন্য নির্মিত স্পীকার আব্দুল মালেক উকিল হলে অস্থায়ীভাবে যে সকল ছাত্রীদের আবাসনের ব্যবস্থা করেছিল তাদের’কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে স্থানান্তর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানান প্লানিং,ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়ার্কার্স এর ডিরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার এ.এইচ.এম নিজাম উদ্দীন চৌধুরী । ফলশ্রুতিতে ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হল ও আব্দুল মালেক উকিল হল দুইটি ছাত্রদের জন্য এবং বিবি খাদিজা হল সহ বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা হল তিনটি ছাত্রীদের জন্য বরাদ্দ হবে। নির্মাণাধীন হল দুটির কাজ সম্পন্ন হলে শিক্ষার্থীদের সিংহ ভাগই আবাসন সুবিধা পাবে এবং বিদ্যমান আবাসন সমস্যা অনেকাংশে সমাধান হবে বলে তিনি মনে করেন।

কিন্তু এ সমস্ত প্রক্রিয়াটি ঝুলে আছে নির্মাণাধীন হল দুটির নির্মাণকাজ সম্পন্নের উপর। হল দুটির কাজ যত দ্রুত সম্পন্ন হবে ছাত্রী স্থানান্তর তথা আবাসন সমস্যা তত দ্রুত সমাধান হবে।

উল্লেখ্য, নির্মাণাধীন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল দুটির কাজ ২৪ জুন ২০১৪ সালে শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী দুই বছরের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও ঠিকাদার আলী হায়দার রতন মালিকাধীন “মাহাবুব ইনফ্রাটেক জয়েন্ট বেঞ্চার কোম্পানি” তা সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয় । নির্মাণ কাজের মন্থর গতি ও অনিয়মের অভিযোগে নোবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান ঠিকাদার পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিলে কোম্পানিটি আদালতের মাধ্যমে ছয় মাস করে সময় বৃদ্ধি করেছে অন্তত চারবার। সর্বশেষ বর্ধিত সময়ের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত বছরের নভেম্বর মাসে কিন্তু এখনো কিছু কাজ বাকি। সব কাজ শেষ হতে এখনো দুই এক মাস সময় লাগতে পারে বলে জানা যায়। এ দিকে নির্মাণকাজের এই মন্থর গতির ফলে বিপাকে পড়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। প্রকট আকার ধারণ করছে নোবিপ্রবির আবাসন সমস্যা। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন আন্দোলনের মাধ্যমে বরাবরই আবাসন সমস্যা নিরসনের দাবি জানিয়ে আসলেও কোন সুরাহা হয় নি।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার প্রফেসর মোঃ মুমিনুল হক বলেন- ঠিকাদার কোম্পানি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।
আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঠিকাদার কোম্পানি’কে বারবার তাগিদ দিচ্ছি। ইনশাআল্লাহ আগামী এক মাসের মধ্যে হলের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাকরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

জামায়াত ক্ষমা চাইলেও যুদ্ধাপরাধের বিচার চলবে : কাদের

স্টাফ রির্পোটার : জামায়াত ক্ষমা চাইলেও যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের যে বিচার চলছে ...

বাংলাদেশের ‘রাজনীতি’ নিয়ে কলকাতায় অপু বিশ্বাস

বিনোদন প্রতিবেদক : বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে কলকাতায় দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ...