Home | ব্রেকিং নিউজ | সাতক্ষীরায় জাল নাগরিক সনদ দিয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ

সাতক্ষীরায় জাল নাগরিক সনদ দিয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : চেয়ারম্যানের নাগরিক সনদ জাল করে সাতক্ষীরায় সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিক হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার পদে অবৈধভাবে তালা উপজেলার এক প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন সদর উপজেলার কুশখালী গ্রামের নওশের আলী মোল্যার ছেলে মো. ওসমান গণি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি গত ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত বাঁশদহা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিক হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই এবং ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করি। চুড়ান্ত ফলাফলে জানতে পারি যে, সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিক হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার পদে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা গ্রামের সুভাষ চন্দ্র কর্মকারের মেয়ে কৃষ্ণা রানী কর্মকারকে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু চাকুরির বিধি অনুযায়ী কমিউনিটি ক্লিনিক হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার পদে নিয়োগ পেতে হলে প্রার্থীকে অব্যশই অত্র ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। অথচ জনৈক নারায়ন মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নিয়ে ওই এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণা রানী কর্মকারকে সেখানে নিয়োগ দেয়ার জন্য সিভিল সার্জনের মাধ্যমে দরকষাকষি করছেন।

নিয়োগ প্রার্থী ওসমান গণি অভিযোগ করে বলেন, চাকুরির নিয়ম বর্হিভূতভাবে জনৈক নারায়ন তালা উপজেলার বাসিন্দা কৃষ্ণা রানী কর্মকারকে নিয়োগ দেয়ার জন্য বাঁশদহা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নাগরিক সনদপত্র জাল করে তাকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করান। এখন ওই জাল নাগরিক সনদপত্র দিয়ে কৃষ্ণা রানী কর্মকারকে বাঁশদহা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকে যোগদান করানোর পায়তারা চালাচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা বাঁশদহা ইউনিয়নের কয়েকজন প্রার্থী আবেদন করে পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হয়েছি। কিন্তু আমাদের কাউকে সেখানে নিয়োগ না দিয়ে সম্পূর্ন নিয়ম বর্হিভূতভাবে অন্য উপজেলার প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং তাকে যোগদান করানোরও পায়তারা চালাচ্ছেন ওই নারায়ন। তিনি এই অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে পুনরায় সঠিক নিয়মে বাঁশদহা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দাদের মধ্যে থেকে যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়ার জন্য সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বাঁশদহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশরাফ হোসেন বলেন, কৃষ্ণা রানী কর্মকারের পক্ষ থেকে কয়েকজন আমার কাছে নাগরিক সনদ নিতে আসছিল। কিন্ত অন্য এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় আমি তাকে নাগরিক সনদ দেইনি। যদি তারা কোন নাগরিক সনদ দেখিয়ে থাকে তাহলে সেটি জাল হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

বেনাপোল বন্দরের এসিড রাখায় অসুস্থ হয়ে পড়ছে আশপাশে বসবাস মানুষ : নীরব বন্দর কর্তৃপক্ষ

বেনাপোল প্রতিনিধি : বেনাপোল বন্দরের ভারতীয় ট্রাক টার্মিনালে এসিড ও ভারী পন্য ...

সুর মরে না, শ্রদ্ধায় থাকে বুলবুল

– সাকিব জামাল ‘আমাকে যেন ভুলে না যাও… তাই একটা ছবি পোস্ট করে ...