Home | ফটো সংবাদ | সমঝোতার পরও উস্কানি ছাত্রদের সতর্ক করলেন কাদের

সমঝোতার পরও উস্কানি ছাত্রদের সতর্ক করলেন কাদের

স্টাফ রিপোর্টার : সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারের আলোচনায় সমঝোতার পরও বিষয়টি নিয়ে উস্কানি চলছে জানিয়ে ছাত্রদের সতর্ক করলেন ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাসভবন পরিদর্শনের সময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, একটি পক্ষ ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা’ করছে।

রবিবার গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রে মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রধানের বাড়িতে এই হামলা হয়।

টানা দুই দিন ধরে নানা ঘটনার পর সোমবার আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদের। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার আশ্বাস দেন। এরপর শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি ৭ মে পর্যন্ত স্থগিতের ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের নেতা হাসান আল মামুন।

কিন্তু শিক্ষার্থীদের একাংশ এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ। বিশেষ করে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এতদিন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া শিক্ষার্থীদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে নতুন কমিটি করেছে তারা।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিদ্বেষপ্রসুত রাজনীতি ঢুকেছে মন্তব্য করে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে কাদের বলেন, ‘সমঝোতার পরও তারা এই বিদ্বেষপ্রসূত রাজনীতি ঢুকাতে থাকবে।’

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘এই আন্দোলনে বেশিরভাগ ভূমিকা যারা নিয়েছে তারা কিন্তু ইতোমধ্যে আমাদের সঙ্গে বসেছে। তারা বলেছে সাত মে পর্যন্ত এই আন্দোলন স্থগিত রাখবে।’

‘এর মধ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন।’

‘আমি মনে করি যারা সত্যিকার অর্থে কোটা সংস্কার করতে চান এই সমঝোতার পর তারা এখানে (আন্দোলনে) থাকবে না।’

‘যারা থাকবেন তারা এই আন্দোলনের সঙ্গে যে রাজনীতির বিদ্বেষপ্রসূত রাজনীতি ঢুকে পড়েছে, যেই রাজনীতির অন্ধ আক্রোশের শিকার হয়েছেন।’

‘তারা ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চান। এইটা খতিয়ে দেখতে হবে।’

রবিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাসভবনে হামলাকারীরা শনাক্ত হয়েছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

এ সময় উপস্থিত ঢাকার পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া জানান, এই হামলার ঘটনায় তারা অনেক তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন। হামলাকারীরা এই ভবনের সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিলেও আরও সিসি ক্যামেরা আছে ক্যাম্পাসে।

হামলার আগে ফেসবুকে কারা দুই ছাত্রের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছিল, তাদের খোঁজ চলছে বলেও জানান ঢাকার পুলিশ কমিশনার।

আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক শামীম, অসীম কোমার উকিল, সুজিত রায় নন্দী, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

হার-জিত জীবনেরই অংশ : নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর মোদি

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : গুজরাট রাজ্যে জয় পেয়েছিলেন। জোটবদ্ধ হয়ে ক্ষমতায় এসেছেন বিহার ও ...

প্রচণ্ডভাবে ঘৃণা করি সেইসব অমানুষদের : প্রিয়তি

বিনোদন ডেস্ক : রিকশাওয়ালার ওপর চড়াও হওয়া সেই নারীর চরম সমালোচনা করেছেন মিস ...