Home | জাতীয় | সকল ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরশীল হবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। (ফাইল ফটো)

সকল ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরশীল হবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : বর্তমান সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে এমন একটি দেশ গড়ে তোলা যেখানে কোন গৃহহীন থাকবে না, কেউ না খেয়ে-বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে না এবং সকলেই সুন্দরভাবে জীবন যাপনের সুযোগ পাবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার (০৪ অক্টোবর) সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় বলেন, ২০২০ সালে আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করবো, আর স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করবো ২০২১ সালে; সে সময়ে বাংলাদেশ হবে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ। আর ২০৪১ সালে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে, সেভাবেই আমরা আমাদের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন অব্যাহত রেখেছি।

তিনি বলেন, আমরা এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই যে বাংলাদেশ খাদ্য, শিক্ষা এবং মেধা সহ সকল ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরশীল হবে। সেই লক্ষ্যে দেশকে ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়ার জন্যই আমরা ‘ডেল্টা প্লান-২১০০’ প্রণয়ন করেছি। যাতে করে উন্নয়নটা টেকসই হতে পারে।

নতুন প্রজন্মেরই এখন দায়িত্ব বাংলাদেশ এগিয়ে নেয়ার এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত এবং তারাই দেশকে আগামীতে এগিয়ে নিয়ে যাবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এই অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়, এটা যেন অব্যাহত থাকে। তাহলেই ধাপে ধাপে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আজকের তরুণ আগামী দিনে হবে এদেশের কর্ণধার। কাজেই আমাদের সকল আয়োজন হচ্ছে এই তারুণ্যের জন্য। তরুণ প্রজন্ম লেখাপড়া শিখে স্বপ্রণোদিত হয়ে নিজেদের মেধা দিয়ে নিজেদের ভাগ্য যেমন গড়বে তেমনি দেশের ভাগ্যও গড়বে। আর সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের এই দেশব্যাপী উন্নয়ন মেলার আয়োজন।’

প্রধানমন্ত্রী এই উন্নয়ন মেলা তরুণ প্রজন্মের জন্য উৎসর্গ করে বলেন, তারা যেন নিজের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়তে পারে। সন্ত্রাস, মাদক বা জঙ্গিবাদ- এসব থেকে মুক্ত থেকে তাঁরা নিজেদের সুন্দরভাবে গড়ে তুলবে, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা। তাহলে তারা নিজের ভাগ্য যেমন গড়তে পারবে, দেশকেও তেমনি কিছু দিতে পারবে। তাদের পরিবারগুলোও সুন্দরভাবে বাঁচবে।

তার সরকার উন্নয়নটা সমগ্র দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, একদম গ্রামীণ জনগণও যেন নিজের ভাগ্যটা নিজে গড়তে পারে সেজন্য তার সরকার একশ’ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীরও সেখানে ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে। আমি আশাকরি উন্নয়ন মেলার মাধ্যমে দেশের জনগণের জন্য কি উন্নয়ন আমরা করলাম তা জানতে পারবে। এই উন্নয়নের মধ্যদিয়ে নিজের ভাগ্যকে কিভাবে তারা গড়তে পারেন সেই সুযোগটাও তারা পাবেন এবং সেই সুযোগটা তারা গ্রহণ করবেন।

ভিডিও কনফারেন্সের সঙ্গে ৪টি উপজেলা এবং দেশব্যাপী ৫শতাধিক বিভিন্ন বিভাগীয় শহর, জেলা-উপজেলার উন্নয়ন মেলাগুলো এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারসমূহ সংযুক্ত ছিল। এবার নিয়ে ৪র্থবারের মত সারাদেশে উন্নয়ন মেলার আয়োজন করেছে সরকার। ঢাকার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণ এবং প্রত্যেক জেলা ও উপজেলায় ৩ দিনব্যাপী এই মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মার্কিন কংগ্রেসে রোহিঙ্গা নিধনকে গণহত্যা আখ্যা

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর চালানো নৃশংসতাকে গণহত্যা আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন ...

সিংহের গর্জন এবার সত্যি সত্যি

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ ...