ব্রেকিং নিউজ
Home | বিবিধ | আইন অপরাধ | শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা: ১০ জঙ্গির ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা: ১০ জঙ্গির ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

স্টাফ রিপোর্টার :  গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১০ জঙ্গির ডেথরেফারেন্সের নথিপত্র নিম্ন আদালত থেকে হাইকোর্টে এসে পৌঁছেছে।

রোববার হাইকোর্টের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার(প্রশাসন ও বিচার) ডেথ রেফারেন্সের নথি আসার বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

আইনত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসির রায় কার্যকরের পূর্বে হাইকোর্টের অনুমতির প্রয়োজন হয়। এটিকেই ডেথ রেফারেন্স বলা হয়। ডেথ রেফারেন্সের পাশাপাশি বিচারিক আদালতের ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল দায়ের করে থাকেন।

এখন সরকার যদি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব ডেথ রেফারেন্সের শুনানি করতে চান তাহলে রেজিস্ট্রার কার্যালয় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিবেন। যেমনটি নিয়েছিল বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় করা হত্যা মামলা, সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ এস আলী হত্যা মামলা ও ব্লগার রাজিব হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্সের ক্ষেত্রে।

এর আগে গত ২০ আগস্ট গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ১০ জঙ্গির সর্বোচ্চ শাস্তি দেন আদালত।

আদালত তার রায়ে আসামীদেরকে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মমতাজ বেগম এই আদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ওয়াশিম আখতার ওরফে তারেক হোসেন, মো. রাশেদ ড্রাইভার ওরফে আবুল কালাম, মো. ইউসুফ ওরফে আবু মুসা হারুন, শেখ ফরিদ ওরফে মাওলান শওকত ওসমান, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বক্কর, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই এবং মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু ওমর।

এছাড়া, মেহেদি হাসান ওরফে আবদুল ওয়াদুদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। আনিসুল ওরফে আনিস, মো. মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান এবং সরোয়ার হোসেন মিয়াকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অনাদায়ে আরও এক বছরের দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০০ সালের ২০ জুলাই কোটালীপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশ স্থলের পাশে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখা হয়। শেখ লুৎফর রহমান মহাবিদ্যালয়ের উত্তর পাশের একটি চায়ের দোকানের পেছনে এ বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় তৎকালীন কোটালীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন একটি মামলা দায়ের করেন।

এর আগে ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল আট জনকে আসামি করে মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়। পরে ২০০৯ সালের ২৯ জুন আরও নয় জনকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হয়। এরপর ২০১০ সালে মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকা-২ ট্রাইবুনালে পাঠানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী প্রচারে সংঘর্ষ

স্টাফ রির্পোটার : ঢাকা দক্ষিণের বিএনপির মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী প্রচারে সংঘর্ষ ...

পানির অপব্যবহার না করতে সবার প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

স্টাফ রির্পোটার : চট্টগ্রাম ও খুলনায় ওয়াসার পানি শোধানাগারের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী ...