ব্রেকিং নিউজ
Home | শিক্ষা | শিরিণহক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ

শিরিণহক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ

সুমন কর্মকার, ফকিরহাট (বাগেরহাট) : বাগেরহাটের ফকিরহাট শিরিণহক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মিজানুর রহমান মোড়ল এর বিরুদ্ধে বিদ্যালয় মেরামত কাজের অর্থ আত্বসাৎ, ভর্তি এবং সমাপনী পরীক্ষার নম্বরপত্র দেওয়া বাবদ অভিভাবকদের থেকে টাকা নেওয়া সহ ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
প্রধান শিক্ষক মো: মিজানুর রহমান মোড়ল গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে পিইডিপি-৪ এর আওতায় ২লাখ টাকা বিদ্যালয় মেরামত কাজে অনিয়ম করায় বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকার সাধারণ লোকজনের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ইং ০৯-০৭-২০১৯ তারিখে তৎকালীন ফকিরহাট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: জাহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌছায়ে দেখতে ১লাখ ৫৪হাজার টাকার কাজ হয়েছে বাকি টাকা তিনি আত্বসাৎ করেছেন। এসময় তিনি উপস্থিত জনতার সামনে সে তার দোষ স্বীকার করেন। তখন মারমুখী জনতা অভিযুক্ত শিক্ষকের অন্যাত্র বদলি এবং আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য অন্দোলন শুরু করলে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জনতার সম্মুখে অঙ্গিকারাবদ্ধ হয় অন্য বিদ্যালয়ে বদলী হয়ে যাবে। সে মোতাবেক খুলনা বিভাগ প্রাথমিক শিক্ষা উপ-পরিচালক বরাবর তৎকালীন ফকিরহাট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: জাহিদুল ইসলাম বদলির যাবতীয় কাগজপত্র প্রেরণ করলেও কোন এক অদৃশ্য শক্তির বলে তিনি তার স্বকর্মস্থলে বহাল থেকে যান।
এছাড়াও প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান ক্ষমতার অপব্যবহার করে অভিভাবকদের নিকট থেকে ভর্তি এবং সমাপনী পরীক্ষার নম্বরপত্র বাবদ কৌশলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।এছাড়াও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ব্যানার টেবিলের উপর টেবিলক্লথ হিসাবে বিছানোর অভিযোগও রয়েছে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান এর বিরুদ্ধে।
শুধু তাই নয়, তার আচরনে এলাকাবাসী, অভিভাবকবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অত্যন্ত ক্ষুদ্ধ। যার ফলে অনেক অভিভাবকগনই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছে।এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৫ নভেম্বর ২০১৯ইং তারিখে স্কুলে যেয়ে দেখা যায় তিনি ক্লাস চলাকালীন সময়ে তার কর্তব্য অবহেলা করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে বসিয়ে রেখে স্কুলে তার কক্ষে এসে গভীর ঘুমে মগ্ন। যার একটা ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে ফকিহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা: শাহানাজ পারভীন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তকে প্রয়জনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন। এ ব্যাপারে ফকিরহাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) পিন্টু রঞ্জন দাশ বলেন, প্রধান শিক্ষক মো: মিজানুর রহমান এর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা অতি দ্রæত তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নিবো। প্রধান শিক্ষক মো: মিজানুর রহমান এর কাছে এসকল অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি কোন আশানুরুপ উত্তর দিতে পারেননি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কালিয়াকৈরে এক স্কুল ছাত্রীকে হত্যা ও অপর ছাত্রীকে হত্যার চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন

কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বোয়ালী এলাকার বোয়ালী নরেন্দ্র নারায়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ...

দিনাজপুরে ৭ কলেজের কেউই উত্তীর্ণ হয়নি!

দিনাজপুর প্রতিনিধি : এ বছর দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে ...