ব্রেকিং নিউজ
Home | অর্থনীতি | ব্যাংক ও বীমা | লোকবল সংকটে হাটহাজারীর সরকারী ব্যাংক গুলো ঃ চরম দূর্ভোগে সাধারণ গ্রাহক

লোকবল সংকটে হাটহাজারীর সরকারী ব্যাংক গুলো ঃ চরম দূর্ভোগে সাধারণ গ্রাহক

একে এম নাজিম,হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ হাটহাজারীতে সরকারি ব্যাংকের শাখা গুলোতে লোকবল সংকটের কারণে গ্রাহক দূর্ভোগ আরো চরম আকার ধারণ করেছে। ফলে এসব ব্যাংকে দিনের পর দিন গ্রাহক সংখ্যা কমার সাথে সাথে রাজস্ব আয়ও কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি বেসরকারী ব্যাংক গুলোতে গ্রাহকদের সংখ্যা দিনের পর দিন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ বেসরকারী ব্যাংক গুলোতে হয়রানির শিকার হতে হয় অনেকাংশে কম।
সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় ১৭টি তপশিলী ব্যাংকের শাখা রয়েছে। এসব শাখার মধ্যে সোনালী ব্যাংকের ২টি শাখা ,জনতা ব্যাংকের ৬টি, পূবালী ব্যাংকের ৩টি, কৃষি ব্যাংকের ৪টি, অগ্রণী ব্যাংকের ৩টি শাখা রয়েছে। বেসরকারি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পূর্বে জন গুরত্বের কথা বিবেচনা করে এবং সরকারি রাজস্ব আয় বৃদ্বির জন্য এসব তপশিলী ব্যাংক বিভিন্ন ভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
সকল ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যাক্তি, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেন ছাড়াও সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারিদের বেতন ভাতা প্রদান, ইউনিয়ন পরিষদের  উন্নয়ন কর্মকান্ডের অর্থ উত্তোলন, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, অবসর ভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতা, শিল্প ও বৃত্তি প্রদান কার্যাদি সুসর্ম্পন্ন হয়ে থাকে। সরকারি বিভিন্ন ভাতা প্রদান ব্যবস্থা ইতিমধ্যে অনেক েেত্র বৃদ্ধি প্ওায়ায় এবং লোক সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সরকারি কার্যক্রম পূর্বের চেয়্ েবহুগুন বেড়ে গেছে। কিন্তু সেই তুলনায়  এসব ব্যাংকের পরিধি বাড়েনি। ফলে গ্রাহক দূর্ভোগ আরো প্রকট আকার ধারণ করেছে। অবশ্য পাশাপাশি বেসরকারি ব্যাংকের শাখ্ওা বেড়ে গেছে। কিন্তু সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারী, শিকদের বেতন ভাতা সরকারি তপশিলী ব্যাংক ছাড়া বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা হয় না। কিন্তু সরকারি পরিধি অনুসারে ্এসব ব্যাংকে জনবল নেই। বরং ত্রে বিশেষে পূর্বের তুলনায় লোকবল অনেক ব্যাংক শাখায় কমানো হয়েছে । আবার কিছু কিছু ব্যাংকে পর্যাপ্ত লোকবল থাকলেও তাদের কর্মের প্রতি অমনোযোগ, উদাসীনতা ও গাফলাতির কারণে সাধারণ গ্রাহকদের মনোযোগ হারাচ্ছে বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা।
ইতিমধ্যে কৃষি ঋণ সহজ করার ল্েয কৃষকদের ভর্তুকি প্রদানের জন্য কৃষি কার্ড ধারীদের মাত্র দশ টাকা দিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খোলার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে । এতে করে সরকারি ব্যাংক গুলো গ্রাহকদের সেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। ফলে গ্রাহকদের দূর্ভোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে আরো বহুগুণ। গ্রাহকগণ এতে প্রয়োজনীয় সেবা না পেয়ে সরকারী এসব ব্যাংকের প্রতি আস্থা হারাচ্ছে। ব্যাংক ঋণ দিতে গিয়ে ঋণ গ্রহীতাদের কাছ থেকে ১৫০০,২০০০ ত্রে বিশেষে আরও বেশী অবৈধ ভাবে টাকা নিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এতে  হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকরা ।
লোকবল সংকটের কারণে একশ্রেণীর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা/কর্মচারীরা নানা অজুহাতে গ্রাহক, সরকারি ভাতা ভোগী, ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নকর্মকান্ড, শিক, কর্মচারী ,সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন ভাতা উত্তোলনের সময় অনৈতিক অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়।  তাই এসব সরকারি ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকগণ আস্থ্ াহারাচ্ছে।  বিষয়টি বিবেচনা করে এ ব্যাপারে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন ভুক্ত ভোগীসহ সাধারণ গ্রাহকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

আটকে গেল ঋণ খেলাপিদের বিশেষ সুযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : ঋণ খেলাপিদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সার্কুলারের ...

Asia Insurance Limited First Quarter Financial Statement