Home | সারা দেশ | রাজারহাটে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙ্গন॥ হুমকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ

রাজারহাটে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙ্গন॥ হুমকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ

আলতাফ হোসেন সরকার, রাজারহাট(কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতাঃ কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা নদীর অব্যহত ভাঙ্গনে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের শতাধিক ঘড় বাড়ি আবাদি জমি গাছ পালা নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙ্গন রোধে কুড়িগ্রাম পানি উন্নায়ন বোর্র্ড (পাউবো) বালু ভর্তি জিও বস্তা দিয়ে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
গত দুই সপ্তাহে তিস্তা নদী বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের তিস্তা পাড়ের মন্দির, চতুরা, হংশধর, রামহরি, তেয়বখা,রতি, পাড়ামৌলা, গাবুর হেলান মৌজার অর্ধেক নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এ ছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ ডাংরারহাটে ৬টি ক্রস বাধ ২টি বেরি বাধ বুড়িরহাটে ১টি ক্রস বাধ ১০টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডাংরারহাট আজিয়া আলিম মাদরাসা, ডাংরারহাট উচ্চ বিদ্যালয়, রতিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়,২০টি মসজিদ, ২টি মন্দির হুমকির মুখে রয়েছে।
বাস্ত হারা অসহায় পরিবার গুলো একটু টাই পাওয়ার আশায় বিভিন্ন রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছে। ভাঙ্গল কবলিত এলকা বেশ কয়েকবার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল হাসেম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম পরিদর্শন করলেও অসহায় পরিবার গুলোর দিকে সাহায্যের হাত বাড়ায়নি বলে পরিবার গুলো জানিয়েছেন। অসহায় পরিবার গুলোর দাবি হামরা ত্রান চাই না “তিস্তা নদী খনন চাই”। এ দিকে কুড়িগ্রাম পানি উন্নায়ন বোর্ড (পাউবো) ভাঙ্গন ঠেকাতে পাড়ামৌলা মন্দির ও তৈয়বখা এলাকায় বলু ভর্তি জিও বস্তা ফেলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কমলাপুরে আজও ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড়

শনিবার সারাদেশে পালিত হলো মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ঈদের ...

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসের ...