Home | ব্রেকিং নিউজ | রাজারহাটের রাজারহাটে আড়াই শতাধিক প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই

রাজারহাটের রাজারহাটে আড়াই শতাধিক প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই

আলতাফ হোসেন সরকার, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) : স্বাধীনতার ৪৭ বছর পেরিয়ে গেলে ও কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৩২টি মাদরাসা ৩০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৯৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৮টি কলেজ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহপ্রায় আড়াই শতাধিক সরকারী ও আধাসরকারী প্রতিষ্ঠানে শহীন মিনার নেই। সঠিক ভাবে আইন প্রনয়ন ও প্রয়োগ এবং সরকারী ভাবে ব্যবস্থা না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠান শহীদের স্বরনে শহীদ মিনার নির্মান করতে অনীহা প্রকাশ করেন। ফলে প্রতিষ্ঠান গুলোতে জাতীয় দিবসের তেমন গুরুত্ব পাচ্ছে না। সেই সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে জাতীয় দিবসের তেমন গুরুত্ব পাচ্ছে না। সেই সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে জাতীয় দিবস ও শহীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন শুধুই পাঠ্যপুস্তুক ভিত্তিক শিক্ষানীয় হয়ে রয়েছে।

এছাড়া রাজারহাট উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মানের জন্য উপজেলা বাসীর দীর্ঘ দিনের দাবী আজও বাস্তবায়ন হয়নি।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে উপজেলাধীন ৩২টি মাদরাসা রাজারহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উপজেলা প্রানি সম্পদ অফিস ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ উপজেলা ভুমি অফিসসহ আধাসরকারী অফিস ৯৫টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৮টি কলেজ কোন শহীদ মিনার নির্মিত হয় নি।

এছাড়া ৪০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে হতে গোনা মাত্র ৮ থেকে ১০টি প্রতিষ্ঠানে শহিন মিনার নির্মত রয়েছে। উপজেরার মধ্যে উপজেলা পরিষদ চত্তর ও রাজারহাট মীর ইসমাইল হোসেন সরকারী ড়িগ্রী কলেজ মাঠে মাত্র ২টি শহিদ মিনার রয়েছে। দিবস গুলো উদযাপন করতে উপজেলা প্রশাসন রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ দুটি শহীন মিনারে পদারপন করতে হয়। স্বাধীনতা দিবস বিজয় দিবস সহ জাতীয় দিবস গুলোতে এ দুটি শহীন মিনার পুস্প সাজায় সজ্জিত হয়ে উঠে। ফলে দুরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বদিচ্ছা থাকা সত্তেও এসব জাতীয় দিবস থেকে তাদের বঞ্চিত হতে হয় বলে গ্রামঞ্চলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সরকারী ভাবে এসব প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব শহীন মিনার নির্মান করার কোন বাধ্য বাধকতা ও সরকারী সহযোগিতা না থাকায় প্রতিষ্ঠানে প্রধানরা শহীদ মিনার করেন নাই। এমনকি প্রতিষ্ঠানিক ভাবে বাস্তব দৃষ্ঠি ভঙ্গিতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বায়ান্ন ভাষা আন্দেলন তাৎপর্য তুলেনা ধরলে কমল মতি শিক্ষার্থীরা এসব ইতিহাস থেকে দুরে সরে যাচ্ছে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।

এ ব্যাপারে ১০ই ডিসেম্বর সোমবার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ রজব আলী সহ কয়েক জন মুক্তিযোদ্ধা আক্ষেপ করে বলেন শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বাস্তবে শহীদ মিনার থাকা দরকার।কিন্তু হাতে গোনা দুই একটা প্রতিষ্ঠান ছাড়া কোথাও শহীদ মিনার নেই। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আশরাফ উজ জামান সরকার জানান মন্ত্রনালয় থেকে নির্মান করেত অবহেলা করছে। এ ব্যাপারে গতকাল সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাঃ রাশেদুল হক প্রধান বলেন শহীদ মিনার নির্মানের জন্য যদি কোন প্রতিষ্ঠান আর্থিক সহযোগিতা চায় তাহলে সেটা দেয়া যাবে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠান গুলোতে শহীদ মিনার নির্মানের তাগিদ দেয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন

স্টাফ রির্পোটার : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে উপলক্ষ করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ঢাকাসহ সারাদেশে ১ ...

২১টি ‘বিশেষ’অঙ্গীকার নিয়ে ইশতেহার ঘোষণা আওয়ামী লীগের

স্টাফ রির্পোটার :  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২১টি ‘বিশেষ’অঙ্গীকার নিয়ে ...