Home | টিপস | যেসব আচরণে সম্পর্ক টিকে থাকে না

যেসব আচরণে সম্পর্ক টিকে থাকে না

বিডিটুডে ডেস্ক : পথ চলতে কাউকে ভালো লাগতেই পারে আপনার। সম্পর্কের বাঁধনেও জড়িয়ে যেতে পারেন তার সাথে। তবে সে সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করুন। কিছু আচরণ মেনে নিয়ে টিকিয়ে রাখুন সম্পর্ক। আপনার আচরণে যদি নিচের বিষয়গুলো বেশি থাকে, তাহলে ধরে নিন আপনার সম্পর্ক বেশি দিন টিকবে না।

 

  • খুতঁখুঁতে স্বভাব : খুঁতখুঁতে স্বভাব কোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রে লাল পতাকার মতো কাজ করে। আপনি যদি সবকিছুতেই খুঁত বের করেন তাহলে তা হতে পারে সম্পর্ক ভাঙার কারণ। আপনার সঙ্গীর পরিধেয় কাপড়, কথাবার্তা কিংবা দৈনন্দিন বিষয়ে সমালোচনা ও খুঁত খোঁজার ফলে ধারণা হতে পারে তার উপস্থিতি আপনার সহ্য হচ্ছে না। হতে পারে তার অনেক কিছুই আপনার মনের মতো নয়। তার মানে এই নয় যে, তার সব বিষয়ে পরিবর্তন আনার অধিকার সে আপনাকে দেবে। তার অদ্ভুত বন্ধুদের দূরে সরানো কিংবা রাত-দিন ভিডিও গেম খেলা বন্ধ করা– এসব অসংখ্য বিষয়ে চাপ না দেয়াই ভালো। মনে রাখবেন, সব বিষয়ে তাকে বিরক্ত করবেন না।
  • কাজই আপনার জীবন : আপনার চাকরি কিংবা কাজ নিঃসন্দেহে আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তবে আপনার সব বিষয়ের মধ্যমণি হিসেবে এ কাজকে রাখবেন না। কাজে তার কোনো জরুরি সাহায্য দরকার না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বেশি আলোচনা না করাই ভালো। কাজের জন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ তারিখ মিস করা কিংবা সঙ্গীর সঙ্গে থাকার সময়েও অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকা নিঃসন্দেহে তার জন্য বিরক্তিকর। এতে সঙ্গীর মনে হতে পারে তার সঙ্গে সম্পর্কের চেয়ে আপনার কাছে কাজই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য পরামর্শ হচ্ছে, কাজের সময় কাজ। সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোর সময় দূরে সরিয়ে রাখুন কাজ।
  • অপেক্ষা করে অগ্রসর : কারো সঙ্গে ডেটিং শুরুর সঙ্গে সঙ্গে তাকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব দিতে যাবেন না। একটু অপেক্ষা করুন। স্রোতের সঙ্গে তাল মেলানোর চেষ্টা করুন। আগে আপনার মতামত তাকে জানান, তার মতামত জানুন। সে যদি আগ্রহী হয়, সবকিছু যদি ঠিক থাকে তাহলেই কেবল অগ্রসর হোন, নাহলে তাকে যেতে দিন। এরপর পরিবারের অন্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিন।
  • অতিরিক্ত ছেলেমানুষি : প্রতিদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আপনি একজন দারুণ আকর্ষণীয় মানুষ বলা যেতে পারে। কিন্তু এসব বিষয় প্রতিনিয়ত আপনার নতুন সঙ্গীকে বলতে যাবেন কেন? এ কথা শুনতে শুনতে সে এক সময় বিগড়ে যেতে পারে। সবকিছু একসঙ্গে না জানিয়ে ভবিষ্যতের জন্য কিছু সংরক্ষণ করে রাখুন।
  • বিশ্বাসহীনতা : একটা সুস্থ সম্পর্কের চাবিকাঠি হচ্ছে বিশ্বাস। একে অন্যকে বিশ্বাস করুন ও বুঝতে দিন। আপনি যদি ক্রমাগত সে কার সঙ্গে আছে, কার সঙ্গে কথা বলছে এসব নিয়ে ভাবেন, তাহলে সম্পর্কের বিষয়ে নতুন করে চিন্তা করতে হবে। এভাবে ক্রমাগত করতে থাকলে আপনি বিয়ে পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবেন না।
  • খোলা রাখুন মন দরজা : আপনি যদি অন্য কারো সঙ্গে নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে যান, তাহলে পুরনো সম্পর্ক থেকে পিছিয়ে যাওয়াই ভালো। এ বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। মনে রাখতে হবে, নিজের ক্ষেত্র ছাড়া আপনার সঙ্গীর ক্ষেত্রেও এমনটা হতে পারে।
  • নিজের ছিদ্রগুলো দেখিয়ে দেয়া : আপনার বস আপনাকে ঘৃণা করে, আপনার বন্ধুরা হিংসা করে, আপনার বাবা-মা কোনো দাম দেন না, আপনি মোটা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বেশি আলোচনা করবেন না। নিজের সব দুর্বলতা আপনার সঙ্গীর কাছে প্রকাশ না করাই ভালো। কোনো সঙ্গীই এসব বিষয় শুনতে বেশি পছন্দ করে না। তার বদলে নিজেদের কথা ও ইতিবাচক বিষয় শুনতেই সবাই পছন্দ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

১০ বছর পর রক্ষিত স্বর্ণ নিলামের উদ্যোগ

স্টাফ রির্পোটার : বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত স্বর্ণ নিলামের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। খুব শিগগিরই ...

এরা ছোকড়া-টোকাই, কারা এদের ভাড়া করেছে : ড. কামাল

স্টাফ রির্পোটার : শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে হামলা ‘কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না’ উল্লেখ ...