ব্রেকিং নিউজ
Home | ফটো সংবাদ | মুরগির বিরিয়ানি দিয়ে আ.লীগের সম্মেলনের অতিথিদের আপ্যায়ন করা হবে

মুরগির বিরিয়ানি দিয়ে আ.লীগের সম্মেলনের অতিথিদের আপ্যায়ন করা হবে

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় সম্মেলনে মুরগির মাংসের বিরিয়ানি দিয়ে ডেলিগেট ও অতিথিদের আপ্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্য-উপ পরিষদের আহ্বায়ক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমণ্ডির একটি কমিউনিটি সেন্টারে খাদ্য-উপপরিষদের সভায় তিনি এ কথা জানান। আগামী ১০-১১ জুলাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন সফল করতে এ বৈঠক  করা হয়।মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, কাউন্সিলে সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মাবলম্বীদের কথা বিবেচনা করে এবার গরুর মাংস বাদ দিয়ে মুরগির মাংস দিয়ে বিরিয়ানির প্যাকেট করা হবে। সঙ্গে সালাদসহ পানির বোতল এবং সফট ড্রিংকসের ব্যবস্থা থাকবে।
মায়া বলেন, গরুর মাংস দিয়ে বিরিয়ানির প্যাকেট হলে অনেক কথা ওঠে। এছাড়াও অনেকে অসুখ-বিসুখের কারণে গরুর মাংস খান না। কাউন্সিলের দুই দিনেই এই একই মেন্যুতেই অতিথিদের আপ্যায়িত করা হবে। এটা আমাদের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত। এছাড়াও আবহাওয়া এবং পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবার চার স্থানে এই খাবার রান্না করা হবে।মায়া আরও বলেন, আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে যতগুলো উপপরিষদ গঠন করা হয়েছে এর মধ্যে এই পরিষদ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সারা দেশ থেকে প্রায় ৩০ হাজার কাউন্সিলর, ডেলিগেট এবং অতিথিরা আসবেন। তাদের দেখভাল করা এবং সর্বোপরি দুপুরে তাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করাই এই কমিটির দায়িত্ব।
তিনি বলেন, এটা কঠিন গুরুদায়িত্ব। একসাথে এত লোকের খাওয়ার পরিবেশন এবং এটা সুচারুভাবে শেষ করা। আবার এবার হয়ত রাতেরও খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হতে পারে। যেহেতু দুই দিনব্যাপী কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে এ কারণে পরের দিন দুপুরও খাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। সেটা আমরা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পরামর্শ করে তার নির্দেশনা মোতাবেকই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো। তবে ইতোমধ্যে আমরা যেটা বুঝতে পেরেছি দুই দিনেই হয়ত তাদের খাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।উপ-কমিটির সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মায়া বলেন, রাজধানী ঢাকায় আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করে থাকি। এবারও আমরা আশা করছি, সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারব। সেজন্য আজকে খাওয়ার মেন্যু কী হবে, কত লোকের আয়োজন হবে, রান্না-বান্নার কাজ কোথায় হবে, সেটা এক জায়গায় হবে না, কয়েক জায়গায় হবে সেটা নিয়ে আলোচনা হবে।
মায়া বলেন, আগত মেহমানদের খাওয়া-দাওয়ায় ক্ষেত্রে আমরা যাতে কোনোরকম অভিযোগ শুনতে না পাই সেইভাবেই দায়িত্ব পালন করতে  হবে। কারণ এটা অত্যন্ত কঠিন কাজ। ভালো হবে খুবই ভালো, না হলে কিন্তু বদনামের কোনো শেষ থাকে না।কমিটির গুরুদায়িত্ব অনুসারে খাদ্য-উপ পরিষদে প্রায় এক হাজার সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এখন কেবল একশো সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই কমিটিতে সাংগঠনিক পদাধিকার বলে ঢাকা মহানগরীর দলীয় সংসদ সদস্য, থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকরা সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। এছাড়াও মহানগরীর সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরাও এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হবেন বলেও জানান মায়া। কমিটির আহ্বায়ক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা পরিচালনা করেন সদস্যসচিব কামরুল ইসলাম। সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুছ ছাত্তার, হাবিবুর রহমান সিরাজ, অ্যাডভোকেট মমতাজ উদ্দিন মেহেদী, এস. এম কামাল হোসেন, নাঈমুর রহমান দুর্জয়, মুকুল চৌধুরী, শাহে আলম মুরাদ, সাদেক খান, ইঞ্জি.সবুর,রবিউল আলম বুদু, আসলামুল হক আসলাম, কামাল আহমেদ মজুমদার প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরনের

স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন বাংলাদেশ সফররত ...

মে দিবস উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শ্রমিক সমাবেশ করার প্রস্তুতি বিএনপির

স্টাফ রিপোর্টার : মহান মে দিবস উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শ্রমিক সমাবেশ ...