ব্রেকিং নিউজ
Home | জাতীয় | মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতেই নিউইয়র্কে এসেছি:প্রধানমন্ত্রী
SEA Meeting Bangladesh

মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতেই নিউইয়র্কে এসেছি:প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধ এবং নিজ দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতেই এখন তিনি নিউইয়র্কে আছেন।

প্রবাসীদের দেয়া সংবর্ধনার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার (নিউইয়র্ক সময়) সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির টাইমস স্কোয়ার সংলগ্ন ম্যারিয়ট মারকুইস হোটেলের গ্রান্ড বলরুমে ‘প্রবাসী নাগরিক সংবর্ধনা’ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। খবর বার্তা সংস্থা এনা’র।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে নির্যাতনে শিকার হয়ে রোহিঙ্গা আসছে। আমরা মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়েছি। ১৬ কোটি মানুষকে যদি খাওয়াতে পারি, আট লাখ মানুষকে খাওয়াতে পারবো না কেন? খাদ্য দিচ্ছি, বাসা দিচ্ছি, চিকিৎসা দিচ্ছি, স্বেচ্ছাসেবক দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে হবে, নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। আজকে আমি ওআইসির নেতাদের বলেছি, আপনারা কেন চুপ?’

বাংলাদেশে সমৃদ্ধির পথে চলমান প্রক্রিয়া ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সাথে, দেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সবাইকে সজাগ থাকার কথা বললেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এশিয়ার সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে। আগামী নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত কতে চাই। যে কারণে মানুষের ভালোবাসা জয় করুন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখানো পথে বাংলাদেশ পরিচালিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও খ্যাতি অর্জনে সক্ষম হয়েছে।’ ‘বালাদেশ এখন উন্নয়ন আর শান্তির মডেল হয়েছে। মানবিকতার প্রশ্নেও সারাবিশ্ব প্রশংসার সাথে বাংলাদেশের নাম উচ্চারণ করছে। আর এসব অর্জন সম্ভব হচ্ছে প্রবাসীদের অকুণ্ঠ সমর্থনের কারণে।’

জাতিসংঘের ৭২তম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে যোগদানের জন্যে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে এই সমাবেশের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। সহযোগিতায় ছিল যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন।

সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের সঞ্চালনায় এ সমাবেশের শুরুতে শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।

৫৫ ফুট দীর্ঘ একটি নৌকার ওপর স্থাপিত হয় সমাবেশ মঞ্চ। পেছনে ছিল মুক্তিযুদ্ধের জন্যে শুরু হওয়া আন্দোলনের ছয় দফা এবং টানা তৃতীয় টার্মের জন্যে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করার প্রত্যয়-প্রতীক। এ উপলক্ষে ২০ মিনিটের একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়।

গত কয়েক বছরে আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের নাশকতামূলক তৎপরতার আলোকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের তৈরি করা এ চিত্রে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কীভাবে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে-তা চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি আট পৃষ্ঠার একটি বুকলেট প্রকাশ করা হয়েছে শেখ হাসিনার রূপকল্পের পরিপূরক হিসেবে।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী মন্ত্রী, এমপি ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটির সব সদস্য, মহানগর আওয়ামী লীগ, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আমেরিকার বিভিন্ন স্টেট কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও অঙ্গসংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা। মঞ্চে আরও ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম মাহমুদ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদিকা আইরীন পারভীন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, ফারুক আহমেদ, আব্দুল হাসিব মামুন, মহিউদ্দিন দেওয়ান, চন্দন দত্ত, কাজী কয়েস, হিন্দাল কাদির বাপ্পা, হাজী এনাম প্রমুখ।

সমাবেশে নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়া, কানেকটিকাট, বস্টন, ওয়াশিংটন মেট্র, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, মিশিগান, শিকাগো, লসএঞ্জেলেস থেকেও এসেছিলেন নেতা-কর্মীরা। নিউইয়র্ক মহানগর এবং নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছিলেন সরব।

অনুষ্ঠান শুরু হয় জাতীয় সঙ্গীতের পর বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠের মধ্য দিয়ে। এরপর কণ্ঠযোদ্ধা রথীন্দ্রনাথ রায়, ফকির আলমগীর এবং শহীদ হাসানের মুক্তিযুদ্ধের গানের মধ্য দিয়ে মূলপর্ব শুরু হয়।

বাংলাদেশে জাতীয় সঙ্গীত এবং শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বক্তব্য দেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ চৌধুরী, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুণ ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মমতাজ শাহনাজ, ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন নবী বাকি, শ্রমিক লীগের সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সদস্য মুজিবুল মাওলা, আব্দুল করিম প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাত ঠিক ১০টায় বক্তব্য দিতে উঠেন। তিনি তার বক্তব্যের শুরুতেই স্মরণ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে, জাতীয় চার নেতাকে, ১৫ আগস্টের হামলায় যারা নিহত হয়েছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় যারা নিহত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা নাজমুল ইসলামকে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির জনক তার পুরো জীবন মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তিনি একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সেই কাজ সমাপ্ত করতে পারেননি। তিনি যুদ্ধ শেষের পরও সহযোগীদের সাহায্য নেননি। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে বলেছিলেন তার সৈন্য নিয়ে যাবার জন্য। তিনি বাংলাদেশকে দাঁড় করিয়েছেন। জাতিসংঘের সনদ লাভ করেছিলেন এবং বাংলা ভাষায় ভাষণ দিয়েছিলেন। ওআইসিসহ বিশ্বের অন্যান্য সংস্থায় বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে বসিয়েছিলেন। কিন্তু নিমর্মমতা হচ্ছে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। আমরা দুই বোন বাইরে ছিলাম বলে বেঁচে যাই। আর সবাইকে হারিয়েছিলাম। আমরা ছয় বছর দেশের বাইরে ছিলাম। ১৯৮১ সালে আমি বিদেশে থাকা আবস্থায় আমাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয়। আমি মানুষের ভালোবাসায় দেশে ফিরে আসি। এই বাংলাদেশেই ১৯টি ক্যু হয়েছিল। স্বাধীনতাবিরোধীরা ক্ষমতায় এসেছিল। মন্ত্রী হয়েছিল।’

তিনি প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘স্বাধীনতার সময় প্রবাসী বাংলাদেশিরা সহযোগিতা করেছিল, আমাদের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রয়েছে তাদের। ২০০৭ সালে আমাকে দেশে যেতে বাধা দেয় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। কিন্তু আন্তর্জাতিক চাপ ও বাংলাদেশের মানুষের আন্দোলনের কারণে আমাকে দেশে যেতে দেয়া হয়। ওই সময় আমার সাথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা গিয়েছিলেন। সে জন্য তাদের ধন্যবাদ। আমি আজ সারা দিন টানা অনুষ্ঠান করে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম কিন্তু এই হলে ঢুকেই আমার সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেল আপনাদের দেখে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শক্তি মানুষের শক্তি। আমাদের প্রেরণার উৎস। আমরা ২০০৯ সালে সরকার গঠন করি। এই কয়েক বছরে যে উন্নতি হয়েছে তা স্মরণীয়। আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

তিনি বঙ্গবন্ধুর নীতির কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আমাদের নীতি হচ্ছে সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়।’ তিনি বলেন, ‘বিশ্বে আজ বাংলাদেশ মডেল দেশ। আগে পরিচয় ছিল বন্যার দেশ, এখন বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন করছি, স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন করছি। বাংলাদেশে এখন প্রতিটি মানুষ উন্নত শিক্ষা পাবে, আমরা বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করবো।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ঘোষণা করায় অনেকে ব্যঙ্গ করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বাংলাদেশ ডিজিটাল হচ্ছে। আমরা কৃষকদের ভর্তুকি দিচ্ছি, ৮০ ভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ দিচ্ছি, মানুষের মাথা পিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন রান্না চলে বিদ্যুতে, রিকশা চলে ব্যাটারিতে। ২০২১ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ যাবে। যারা বন্যায় বাড়ি হারিয়েছে তাদের বিনা পয়সা বাড়ি করে দেব।’

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘এসব উন্নয়নের কথা বলে ভোট বাড়াতে হবে, ইমেজ বাড়াতে হবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা এলে দেশের উন্নয়ন হয়। আর বিএনপি এলে দুর্নীতি হয়। স্বজনপ্রীতি হয়। খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেকের দুর্নীতির কথা আমেরিকায় প্রমাণ হয়েছে। তার শাস্তি হয়েছে। খালেদা জিয়া গরিবদের অর্থ মেরেছেন। যে কারণে তিনি কোর্টে যেতে ভয় পান।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের উন্নতি করি, আর তারা আগুন সন্ত্রাস করে। মানুষ পুড়িয়েছে, প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। বেগম জিয়া অফিসে বসে মানুষ পোড়ানোর নির্দেশ দেন। তিনি জনগণের চাপে নাকে খত দিয়ে ঘরে ফিরে গেলেন, কোর্টেও গেলেন, কিন্তু সরকার হটানোর স্বপ্ন তার পূরণ হলো না।’

টিউলিপের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘দেখেন কীভাবে তিনি মানুষের মন জয় করেছিলেন। যে কারণে তিনি ১১০০ ভোটের পরিবর্তে ১৬ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘আগামীর নির্বাচন হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়তে চাই। ২০২১ সালে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে, ২০৪১ সালের মধ্যে এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ হবে।’

সজীব ওয়াজেদ জয় তার বক্তব্যে বলেন, ‘এই মুহূর্তে সারা বিশ্বের মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে। খাদ্যের অভাব নেই, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে, সবাই শান্তিতে আছেন। এখন আমাদের সমস্যা হচ্ছে রোহিঙ্গা সমস্যা। তবে খুশির বিষয় হচ্ছে আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি এবং খাদ্য দিচ্ছি।’ জয় বলেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের উন্নয়নে কেউ বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না।’

ড. সিদ্দিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো জন্য, মানবতার পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলওয়াত করেন জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ইমাম মাওলানা মীর্জা আবু জাফর বেগ, বাইবেল পাঠ করেন ডা. টমাস দুলু রায়, গীতা পাঠ করেন পন্ডিত শুভঙ্কর গাঙ্গুলী, ত্রিপিটক পাঠ করেন স্বীকৃতি বড়ুয়া।

সংবর্ধনা সভায় সঙ্গীত পরিবেশন করেন ফকির আলমগীর, শাহ মাহবুব, সবিতা দাস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

হারের তিন কারণ জানালেন মাশরাফি

স্পোর্টস ডেস্ক : তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ১০৪ ...

শীত আসার আগেই বাজারে আসতে শুরু করেছে মৌসুমী সবজি

স্টাফ রিপোর্টার :  শীত আসার আগেই বাজারে আসতে শুরু করেছে মৌসুমী সবজি। ...