Home | অর্থনীতি | মধ্যপাড়া পাথর খনিতে জিটিসি কর্তৃক প্রতিমাসে উৎপাদন বৃদ্ধি

মধ্যপাড়া পাথর খনিতে জিটিসি কর্তৃক প্রতিমাসে উৎপাদন বৃদ্ধি

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দেশের উত্তর অঞ্চলে এবং বাংলাদেশের একমাত্র দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মধ্যপাড়া পাথর খনিতে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা এবং পাথর উত্তোলনে প্রতিমাসে উৎপাদনের নতুন মাইল ষ্টোন সৃষ্টি করেছে জার্মানীয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)।

চলতি বরছরের গত অক্টোবর মাসে পাথর উত্তোলনের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে নভেম্বর মাসে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যাতীত কোম্পানি ২৫ দিনে তিন শিফটে প্রায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন করে আবারও খনির উৎপাদনে নতুন এগিয়ে গেছে বেসরকারি কোম্পানি জিটিসি।

মধ্যপাড়া কটিনশিলা খনির প্রপ্ত তথে জানা গেছে , উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে অবকাঠামো উন্নয়ন ও নির্মাণ কাজে পাথরের চাহিদা মেটাতে এবং পাথর খনিটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে জিটিসি নিরলসভাবে খনির উন্নয়ন ও উৎপাদন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং দক্ষতার সাথে কাজ করে চলেছে। তারই ফলশ্রুতিতে মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্পে প্রতিমাসে উৎপাদন বেড়েই চলেছে। জিটিসি’র দ্বারা প্রতিদিন এখন তিন শিফটে পাথর উত্তোলন হচ্ছে গড়ে প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন ।

গত অক্টোবর মাসে জিটিসি তিন শিফটে প্রায় ১ লক্ষ ২৩ হাজার মেটিক টন পাথর উত্তোলন করে রেকর্ড তৈরী করেছে। কারণ দক্ষ কর্মকর্তা ও দক্ষ কর্মচারিদের নিরলস প্রচেষ্টায় খনির উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছর নভেম্বর মাসে প্রতিদিন তিন শিফট পরিচালনা করে মাত্র ২৫ দিনেই সেই রেকর্ডকে ছাড়িয়ে প্রায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার মেটিক টন পাথর উত্তোলন করেছে। এইভাবে পাথর উত্তোলন হলে খনিটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব বলে খনি কতৃপক্ষ মনে করেন।

জিটিসি সুত্র জানায়, মধ্যপাড়া পাথর খনির উন্নয়ন ও উৎপাদনে অর্ধশতাধিক বিদেশী খনি বিশেষজ্ঞ, অর্ধশত দেশী প্রকৌশলী এবং ৭ শতাধিক দক্ষ খনি শ্রমিক সহ প্রায় দেড় শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারী তিন শিফটে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিমাসে উৎপাদনে নতুন নতুন রেকর্ড সৃষ্ঠি করে পাথর খনিটিকে সরকারের লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে জিটিসি অঙ্গীকারবদ্ধ।

জিটিসি কর্তৃক পাথর খনির তিন শিফটে প্রতিমাসে উৎপাদন বেড়েই চলছে । ফলে উন্নয়নের অংশীদারে অবদান রাখতে এবং খনিটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে এই খনির উৎপাদিত পাথর দেশের যে কোন নির্মান কাজে ব্যবহার করলে কোম্পানি ও সরকার লাভবান হবেন। বর্তমান মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি প্রকল্পে বিপুল পরিমান পাথর মজুদ রয়েছে। পদ্মা সেতুতে এই পাথর ব্যবহার করলে হাজার বছর দীর্ঘয়িত্ব হবে। সেই সাথে খনির বর্তমান উৎপাদন অবস্থা অব্যাহত রাখতে এবং উত্তোরোত্তর উৎপাদন আরো বৃদ্ধি করতে সরকার এবং সরকারের খনি সংশ্লিষ্ট মহলের ইতিবাচক পদক্ষেপ আশা করছে খনির এলাকাবাসী ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ড. কামাল কর ফাঁকি দিয়েছেন কিনা খতিয়ে দেখছে এনবিআর

স্টাফ রির্পোটার : জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন ...

মেয়েদের সব ক্ষেত্রে সুযোগ দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রির্পোটার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মেয়েদের সব ক্ষেত্রে সুযোগ দিতে হবে। ...