Home | ব্রেকিং নিউজ | মদনে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ৫৬টি গৃহহীন পরিবারে ঘর উদ্বোধনের অপেক্ষায়

মদনে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ৫৬টি গৃহহীন পরিবারে ঘর উদ্বোধনের অপেক্ষায়

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি : আশ্রয়ণের অধিকার,শেখ হাসিনার উপহার”হিসেবে নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে গৃহহীন, ভূমিহীন পরিবারের ৫৬টি ঘর নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। আগামি ২০ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারী খাস জমিতে নির্মাণকৃত ঘরগুলি মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে হস্থান্তর করবেন বলে জানা গেছে।

বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্ব-ইচ্ছায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে গৃহহীন, ভূমিহীন পরিবারের জন্য সরকারী খাস জমিতে এ ঘরগুলি নির্মাণ হয়েছে ।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) অফিস সূত্রে জানা যায়, মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবহেলিত জনগোষ্ঠীর মাথা গোঁজার ঠাই করে দিতে দেশব্যাপী লক্ষাধিক ঘরবাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। ভূমিহীন গৃহহীন একটি মানুষও আর গৃহহীন থাকবে না। সরকারি খাস জায়গায় ভূমিহীন গৃহহীন পরিবারের স্থায়ীভাবে বাসযোগ্য বাসভবন নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।

নেত্রকোনার মদন উপজেলার কাইটাইল, চাঁনগাও, মদন, গোবিন্দশ্রী, মাঘান, তিয়শ্রী ও ফতেপুর, ৭টি ইউনিয়নে ৫৬ টি ঘর নির্মাণ বরাদ্ধ হয়েছে। ৫৬টি পরিবারে উপহার স্বরুপ নির্মিত এই বাসভবন গুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২০ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঘর ও জমি বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন ।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় ৫৬টি আধা পাকা ঘরবাড়ি নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।এরই অংশ হিসেবে মদন উপজেলায় ৭ টি ইউনিয়নে ৫৬ টি ভূমিহীন পরিবারের জন্য পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রত্যেকের নামে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে দুই শতক করে খাসজমি। আর তাতে ১ লাখ ৭১ হাজার করে টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১৯-৬ফুট বাই ২২ফুট প্রস্থের দুটি শয়নকক্ষ, একটি রান্না ঘর, সংযুক্ত টয়লেট-বাথরুম ও সামনে বারান্দাসহ রঙিন টিনের ছাউনি দ্বারা এসব ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার শওকত জামিল জানান উপজেলার ৫৬টি গৃহহীন ভূমিহীন পরিবারের গৃহ নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বুলবুল আহমেদ জানান, আমি নিজে বাড়ি বাড়ি গিয়ে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের ঘরের কাজ গুণগত মান শতভাগ ঠিক রেখে তদারকি করছি। উপজেলার ৫৬টি ঘর নির্মাণের কাজ প্রায় ৯৫ ভাগ শেষ করেছি। আশা করছি ২০ জানুয়ারির আগেই শতভাগ কাজ শেষ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

সোস্যাল ওয়ার্ক

জহির খান রাত আর কতোই মমতা দেয় জড়িয়ে নেয় ঘুম তবুও খুব ...

চরকগাছিয়া টি-১০ ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট : পচাঁকোড়ালিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন আর্ডেফ

বরগুনা প্রতিনিধি : বরগুনার আমতলী উপজেলার চরকগাছিয়া নতুন বাজার ও চরকগাছিয়া সমাজ কল্যাণ ...