Home | সারা দেশ | বড়পুুকুুরিয়ায় শ্রমিক ধর্মঘট অব্যাহত খনি কতৃপক্ষের সংবাদ সম্মেলণ

বড়পুুকুুরিয়ায় শ্রমিক ধর্মঘট অব্যাহত খনি কতৃপক্ষের সংবাদ সম্মেলণ

দিনাজপুর ও পার্বতীপুর প্রতিনিধি (্একরাম তালুুকদার ও মুুসলিমুর রহমান)
বড় পুকুরিয়া কয়লাখনিতে শ্রমিক ধর্মঘটের পঞ্চম দিন আজ বৃহস্পতিবার খনি ক্যাম্পাসের মন মেলা মিলনায়তনে পার্বতীপুর উপজেলা এবং দিনাজপুর জেলার সকল ইলেক্ট্রনিক্স ও চ্যানেল মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে খনি কর্তৃপক্ষ সাংবাদিক সম্মেলন করেন। প্রায় অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের উপস্থিতিতে খনিতে শৃষ্ট ঘটনার কিছু চিত্র ফ্লিপচার বোর্ডে প্রদর্শন করার পর লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিব উদ্দীন আহম্মেদ। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, বড় পুকুুরিয়া কোল মাইন অফিসার্স ওয়েল ফেয়ার এ্যাসোাসিয়েশনের সকল নেতৃবৃন্দ। জানানো হয় ইতি মধ্যে তারা সকল ঘটনার ফিরিস্তি দিয়ে নিরাপত্তা চেয়ে চার দফা দাবি উপস্থাপন করে পেট্টোবাংলার চেয়ারম্যান বরাবরে স্বারক লিপি দিয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালে খনির প্রধান ফটকে শ্রমিকরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও পথ সভা করছিলেন। বলা হয় বড় পুকুরিয়া কোল মাইন লিঃ এর উৎপাাদন, ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রভিশনিং সার্র্ভিসেস বৈদেশিক চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি-সিএমসি কনসোটিয়াম কর্র্তৃৃক নিয়োজিত এবং তাদের বেতন ভূক্ত কর্র্মচারী। যারা বিসিএমসিএলের কর্মচারী নয়। এর পরও কিছু অযোক্তিক দাবিদাওয়া তুলে ধরে গত ১৫ মে সকাল থেকে শ্রমিকরা অনির্দিষ্ট কালের জন্য কর্মবিরতী শুরুর কথা বলে খনির প্রধান ফটকে যুদ্ধাংদেহী অবস্থান শুরু করে।
এতে বিসিএমসিএলের খনিতে কর্র্মরত কোম্পানীর আবাসিক এলাকায় বসবাসরত দেশী বিদেশী কর্র্তকর্র্তা কর্মচারী তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে অবরুুদ্ধ হয়ে পড়ে। ১৫ মে সকাল ৯টার দিকে খনিতে কর্মরত কয়েকজন কর্মকর্তাকে অফিসে প্রবেশের সময় প্রধান ফটকে আটকিয়ে শ্রমিকরা মারধর করে। তাদের আর্তচিৎকার শুনে খনির ভিতরকার অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারী ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এসময় শ্রমিকরা ফের চড়াও হয়ে মারপিটে লিপ্ত হয়। শ্রমিক ও বহিরাগত লোকজনের হামলায় কোম্পানীর প্লানিং এন্ড এক্সপ্লোরেশন প্রকল্প পরিচালক ও মহা-ব্যাবস্থাপক কামরুজ্জামান সহ ২০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী খুন যখমের শিকার হন। শ্রমিকরা সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন স্থানে ২টি সিসি ক্যামেরা সহ কোল ইয়ার্ডের ২টি সিসি ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেলে। আরও বলা হয়েছে গুরুতর আহত কর্মকর্তা কর্মচারীগণকে পুলিশের সহায়তায় ফুুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় । সেই সাথে গুরুতর ৫জন কর্মকর্তাকে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা খুবই গুরুতর। তিনি জানান, বিসিএমসিএলের কর্মকর্তা কর্মচারী ও তাদের পরিবার পরিজন সহ প্রায় ৩শ নাগরিক ১৩ মে থেকে অবরুুদ্ধ হয়ে নিরাপত্তাহীনতায় জীবন যাবন করছেন। একপর্যায় কান্না জড়িত কন্ঠ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, শিশু খাদ্য জরুরী ঔষদ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি দ্রুত সরবরাহ করা না হলে আবাসিক এলাকায় বসবাসরত কর্মকর্তা কর্মচারী এবং বিদেশী নাগরিক বৃন্দ চরম মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বেন।
বিষয়টি নিয়ে গেটে অবস্থানরত শ্রমিক নেতা রবিউল ইসলাম, আবু সুফিয়ান ও মিজানুর রহমানের সাথে কথা হলে শান্তিপূর্র্ণ আন্দোলন হচ্ছে দাবী করে বলেণ, আমাদের ১৩ দফা দাবি দাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলামের সাথে মুুঠোফোনে কথা হলে জানান, এখন তেমন আর নিরাপত্তা বিঘিœতের আশংখা নেই। অতিতরিকিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মশায় অতিষ্ট টুঙ্গিপাড়াবাসী

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মশার কারনে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে পৌরবাসীর ...

ফকিরহাটে মুক্তিযোদ্ধা নুরমোহম্মদ এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

সুমন কর্মকার, ফকিরহাট : বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বারশিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা খান ...