Home | অর্থনীতি | ব্যবসা ও বাণিজ্য | বদলে গছে বেনাপোল, বদলে গেছে কাস্টমস

বদলে গছে বেনাপোল, বদলে গেছে কাস্টমস

বেনাপোল প্রতিনিধি : রাজস্ব ফাকি রোধে বদলে গেছে বেনাপোল বন্দর , বদলে গেছে শুল্কায়ন ও আমদানি রফতানি বানিজ্যেক প্রক্রিয়া। বেনাপোল কাস্টমসন হাউসকে সম্পূন্র্ ডিজিটালাইজেশন’র আওতায় আনা হয়েছে।এসাইকুডা ওয়ার্লরড এর মাধ্যমে স্বচ্ছতার সাথে শুল্ক কর নির্নয় করা হচ্ছে।

রাজস্ব আদায়ের উন্নত প্রক্রিয়া, আমদানি রফতানি বানিজ্য আরো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। রাজস্ব ফাকি রোধে ভারত বাংলাদেশ কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিদিনের আমদানি রফতানি তথ্য সরবরাহ করছে নিেেজদের মধ্যে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরী বেনাপোলে দায়িত্ব গ্রহনের পরপারই শুরু হয় শুদ্ধি অভিযান। দ্রুত পন্য খালাশ, রাজস্ব ফাকি বন্ধে শক্তিশালী আই আর এম টিম গঠণ করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে রাজস্ব ফাকিবাজরা বেনাপোল বন্দর ত্যাগ করে চলে গেছে ভোমরা বন্দরে। সেখানে দেয়া হচ্ছে ঘোষনাতিরিক্ত পন্য আমদানির অনুমতি।কাস্টমস আইনে মোট আমদানি পন্যের দশ ভাগ কায়িক পরীক্ষা করার বিধান থাকলেও এতাদিন তা মানা হয়নি।

ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ব্যবসায়ীরা।বর্তর্মানে মোট আমদানি পন্যের শতকরা ১৫% কায়িক পরীক্ষা করা হচ্ছে। তাও আবার শুধু মাত্র সনামধণ্য্ আমদানিকারকরাই এ সুয়োগ পাচ্ছে। বানিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য্ এই সুবিধা নেই।

বানিজ্যিক আমদানিকারকদের পণ্য্ শতভাত পরীক্ষা করা হয় ৪/৫ টি গ্রুপ দিয়ে। ফলে এই পথে বানিজ্যিক আমদানি অনেকটা কমে গেছে। ফলে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্মাত্রাও কমে গেছে। ৫কোটি টাকা ব্যায়ে বসানো হয়েছে মোবাইল স্ক্যানার। পাশাপাশি বেনাপোল আন্র্জাতিক চেকপেস্টে ঢেলে সাজানো হযেছে।

পাসপোর্ট যাত্রী হয়রানি বন্ধে ইন্টার‌ন্যাশনাল এয়ারপোরট এর আদলে বসানো হয়েছে আধুনিক স্কেনারমেশিন। আউট গোয়িং ইনকামিং এর জন্ন্ পৃথক ব্য্বস্থা রয়েছে যাত্রীদের। দালাল মুক্ত করা হযেছে কাস্টমস চেকপয়েন্টে।বসনো হয়েছে আধুনিক সিসি ক্যামেরা। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে অফিসারদের কাজ পর্যেবেক্ষন করা হচ্ছে। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর চালু করা হয়েছে বাই পাস সড়ক। যা এতোদিন ছিল পরিত্ক্ত। ফলে বেনাপোলে যানজট কমে এসেছে অনেকটা।

অনেকদিন ধরে বেনাপোল বাসি বাইপাস সড়ক চালুর জোরদাবি করে আসছিল। ইদানিং বড়বড় মালটি ণ্যাশনাল কম্পানী গুলো বেনাপোল বন্দরে পুনরায় ফিরে আসতে শুরু করেছে। কারন কোলাকতা হয়ে বেনাপোল বন্দর থেকে খুব অল্প সময়ে শিল্পের কাচা মাল খালাশ করা সম্ভব।

অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে বরতমানে বেনাপোল বন্দর দিয়ে স্বচ্ছতার সাথে মালামাল খালাশ হয়ে থাকে বলে জানান বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টেস এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক এমদাদুল হক লতা।কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরী আসার পর বেনাপোল বন্দর একটি আধুনিক বন্দরে রুপ নিয়েছে বলে তিনি জানান।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক প্রদ্যুত কুমার জানান, বন্দরে ইতিমধ্যে ২৫ একর জমি অধিগ্রহন করায় দীরঘদিনের বন্দর জায়গা সংকট আর থাকছে না।ফলে বড় বড় মাল্টিন্যাশনাল কম্পানী বেনাপোল বন্দর দিয়ে তাদের আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। যদি বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাড়ানো হয় তাহলে এই কাস্টমস হাউস থেকে সরকার’র বছরে ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করা সম্ভব।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরী জানান, রাজস্ব ফাকি রোধে সঠিক পদ্ধতিতে ্রদুত তম সময়ে রাজস্ব আদায় ও ব্যবসায়ীদের কম সময়ে হয়রানি ছাড়াই পন্য খালাশের প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মনোনয়ন তালিকা প্রায় চূড়ান্ত : কাদের

স্টাফ রির্পোটার : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল ...

পাবনা জুড়ে ডাকাত আতঙ্ক

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনায় একের পর এক ডাকাতির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ...