Home | ফটো সংবাদ | ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে একটি সংলাপের আয়োজন করতে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট

৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে একটি সংলাপের আয়োজন করতে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট

স্টাফ রির্পোটার : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন এবং জনমত গড়ে তোলার পাশাপাশি পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে একটি সংলাপের আয়োজন করতে যাচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। জোটটির পক্ষ থেকে এ সংলাপকে ‘গণসম্মিলন’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে বলে বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্রের বরাতে জানা গেছে।

জানা গেছে, এ সংলাপে আওয়ামী লীগসহ দেশের সব রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানাবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এরইমধ্যে এ সম্মিলনের একটি তালিকাও প্রস্তুত করেছে তারা। তবে গণসম্মিলনে জামায়াতে ইসলামীকে আমন্ত্রণ করবে না ঐক্যফ্রন্ট।

জামায়াতে ইসলামকে বাদ দিয়ে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলো, বাম গণতান্ত্রিক জোট, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনসহ বাম প্রগতিশীল ঘরানার অপরাপর রাজনৈতিক দলগুলোকেও এ সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের মতে, সবার উপস্থিতি সংলাপকে কার্যকর করবে।

সংলাপে রাজনৈতিক দলের নেতাদের পাশাপাশি সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, অবসরপ্রাপ্ত আমলা, চিকিৎসক, লেখক, সাহিত্যিক, এনজিও প্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে আলাপ করে এসব তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তন, কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তন ও গুলিস্তানের মহানগর নাট্য মঞ্চ- এই তিনটি ভেন্যু গণসম্মিলনের জন্য প্রাথমিকভাবে ঠিক করে রাখা হয়েছে।

আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশাসনকে এ ব্যাপারে আবেদন জানানো হবে। অনুমতি মিললে এর যেকোন একটিতে অনুষ্ঠিত হবে এই গণসম্মিলন। এর আগে আমন্ত্রণ পত্র ছাপানো ও বিতরণের কাজ শুরু হবে।

তবে এ গণসম্মিলন নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে বিএনপি ছোটখাটো মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলেও জানা গেছে। কেননা, বিএনপির শীর্ষ নেতারা ড. কামালের পরিকল্পনায় আর এগুতে চান না। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণসম্মিলন বিশেষ কিছু বয়ে আনবে না বলেই মনে করছেন বিএনপির নেতারা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা গত ৮ জানুয়ারি এক বৈঠকে জাতীয় সংলাপ করার সিদ্ধান্ত নেন। বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন এ জোটের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মূলত সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী করণীয় নিয়ে সব রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের মতামত জানতে এ সংলাপের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। শেষ পর্যন্ত তা হয়ে উঠবে কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর ধোঁয়াশা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতের বিরুদ্ধে মামলা করবে পাকিস্তান

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : কাশ্মীর নিয়ে চলমান সংকট নিরসনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পর এবার ...

ঢাকায় টাইগারদের হেড কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক : বহুল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঢাকায় পা রাখলেন বাংলাদেশ দলের নতুন ...