ব্রেকিং নিউজ
Home | আন্তর্জাতিক | ফরিদপুরে মন্ত্রী গ্রুপে ভাঙ্গন- তিনটি গ্রুপে বিভক্ত এখন জেলা আওয়ামী লীগ

ফরিদপুরে মন্ত্রী গ্রুপে ভাঙ্গন- তিনটি গ্রুপে বিভক্ত এখন জেলা আওয়ামী লীগ

ইকবাল মাহমুদ (হিরু),ফরিদপুর প্রতিনিধি, ৪ মার্চ, বিডিটুডে ২৪ডটকম : দীর্ঘদিন ধরে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ স্পষ্টই দুটি গ্রুপে বিভক্ত থাকলেও এখন তিনটি গ্রুপে ভাগ হয়েছে। সর্বশেষ মন্ত্রী গ্রুপ হিসাবে বিবেচিত গ্রুপটি দুভাগে ভাগ হয়েছে। গতকালের হরতালের সময় দুটি গ্রুপ পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে। এ দুটি গ্রুপের নেতা-কর্মীদের মাঝে দিনভর উত্তেজনা থাকলেও জেলা নেতাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারনে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই জেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে দুটি গ্রুপের সৃষ্টি হয়। মন্ত্রী গ্রুপের নের্তৃত্ব দেন মন্ত্রীর ভাই মোহতেশাম হোসেন বাবর, মোকাররম মিয়া বাবু, আক্কাস হোসেন। অন্যদিকে মন্ত্রী বিরোধী গ্রুপের নের্তৃত্ব দেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শামসুল হক ভোলা মাস্টার, অমিতাব বোস, ঝর্না হাসানসহ কয়েক নেতা। এ দুটি গ্রুপের মধ্যে দা-কুমড়া সর্ম্পকের কারনে কেউ কারো ছায়া পর্যন্ত মাড়ান না। একসময় দুটি গ্রুপের কোন্দল এতটাই ভয়াবহ  রুপ নেয় যে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে মন্ত্রী গ্রুপের বেশ কয়েকজন নেতাকে কুপিয়ে মারাত্বক ভাবে আহত করা হয়। এসব ঘটনার পর থেকে আওয়ামী লীগসহ অংগ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যেও কোন্দল ছড়িয়ে পড়ে। দলের মধ্যে তীব্র কোন্দল থাকায় জেলা আওয়ামী লীগের তেমন কোন কার্যক্রম চোখে পড়েনি বিগত দিনে। জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির বেশীর ভাগ নেতা মন্ত্রী বিরোধী হলেও গত বছর অনেক নেতাই ভোল পাল্টে মন্ত্রী গ্রুপের সাথে হাত মেলায়। সাম্প্রতিক সময়ে দুটি গ্রুপের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা না ঘটলেও চলছে বাকযুদ্ধ। রাজপথে একে অপরের উপর নানা অভিযোগ তুলে বক্তব্য রাখেন নেতা-কর্মীরা। কেন্দ্র থেকে ঘোষিত কোন কর্মসূচিই একক ভাবে কেউই পালন করতে পারেন না। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করা হয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দলের সাধারন সম্পাদক হাসিবুল হাসান লাবলু মারা গেলে কোন্দল আরো উস্কে ওঠে। মন্ত্রী গ্রুপ দলের সাধারন সম্পাদক হিসাবে মনোনিত করে যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেনকে। আর মন্ত্রী বিরোধী গ্রুপটি সাধারন সম্পাদক হিসাবে মনোনিত করে দলের সদস্য মনিরুল হাসান মিঠুকে। দুটি গ্রুপই বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তাদের মনোনিত নেতাকেই সাধারন সম্পাদক হিসাবে সম্মোধন করতো। কিন্তু গত পৌরনির্বাচনে দলের মেয়র পদ নিয়ে মন্ত্রী গ্রুপের সাধারন সম্পাদক হিসাবে বিবেচিত সৈয়দ মাসুদ হোসেন মন্ত্রী গ্রুপের পক্ষ ত্যাগ করে মন্ত্রী গ্রুপের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। ফলে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে এখন আর কেউই তাদের নাম বলেন না। মন্ত্রী গ্রুপের সাথে বিরোধী গ্রুপটির দ্বন্দ্ব যখন চুড়ান্ত পর্যায়ে সেই মুহুর্তে একটি ঘটনায় পতন হয়েছে মন্ত্রী গ্রুপের অন্যতম নেতা হিসাবে বিবেচিত মোকাররম মিয়া বাবুর। গত শুক্রবার ফরিদপুর মহাবিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষের পদ নিয়ে বর্তমান অধ্যক্ষ (যিনি কদিন পর বিদায় নেবেন) খ. ম হালিমকে মন্ত্রীর বাড়ীর কাছেই লাঞ্ছিত করা হয়। এ ঘটনার পর প্রবাসী কল্যান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন চরম ভাবে ক্সুব্দ হন মোকাররম মিয়া বাবুর উপর। তিনি এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য পুলিশকে নির্দেশও দেন। এ ঘটনার পর দোর্দান্ত প্রভাবশালী ও প্রতাবশালী মোকাররম মিয়া বাবু একা হয়ে পড়েন। মন্ত্রী গ্রুপের লোকজন তাকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নেন। এরই অংশ হিসাবে গতকাল হরতালের সময় মন্ত্রী গ্রুপের নেতারা স্থানীয় জনতা ব্যাংকের মোড়ে সমাবেশ করে মোকাররম মিয়া বাবুকে সতর্ক করে দেন। অপরদিকে মোকাররম মিয়া বাবু তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভাঙ্গা রাস্তার মোড়ে সমাবেশ করেন। সমাবেশ থেকে মোকারর

x

Check Also

আক্রান্ত মুসলিম রোজাদারদের পাশে গোলাপ হাতে লন্ডনবাসী

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক :  লন্ডনের মসজিদে  সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে রোজাদার মুসলমানদের প্রতি সংহতি ...

কাতারের গবাদি পশু নিষিদ্ধ করল সৌদি আরব

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক :  কাতারিদের মালিকানাধীন সকল উট এবং ভেড়াকে সৌদি আরবের বিভিন্ন ...