Home | বিবিধ | কৃষি | ফকিরহাটে বোরো ধান চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভবনা

ফকিরহাটে বোরো ধান চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভবনা

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের ফকিরহাটে চলতি বোরো আবাদ মৌসুমে এবার বাম্পাার ফলনের আশা করছেন চাষীরা। এবার লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে ধান রোপন করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সার্বিক সহযোগীতা ও স্থানীয় কৃষকদের একান্ত প্রচেষ্টায় ভাল ফলন দেখা যাচ্ছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৮৭টি গ্রামে ৮৫০০ হেক্টর জমিতে ধানের চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রীড জাতের ৭৩০০ হেক্টর এবং উপসী জাতের ১২০০ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে। যা লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে অধিক।
ফকিরহাট সদর ইউনিয়নে মোট ১২৫৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হচ্ছে। তার মধ্যে উপসী জাতের ১৮৫ হেক্টর এবং হাইব্রীড জাতের ১০৩০ হেক্টর। মুলঘর ইউনিয়নে মোট ৮৩০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হচ্ছে। এর মধ্যে উপসী জাতের ১৫০ হেক্টর এবং হাইব্রীড জাতের ৬৮০ হেক্টর। নলধা-মৌভোগ ইউনিয়নে মোট ৯০৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হচ্ছে। এর মধ্যে উপসী জাতের ২২৫ হেক্টর এবং হাইব্রীড জাতের ৬৮০ হেক্টর। বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নে মোট ৯৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হচ্ছে। তার মধ্যে উপসী জাতের ১৩০ হক্টর এবং হাইব্রীড জাতের ৮২০ হেক্টর। বেতাগা ইউনিয়নে মোট ৯৮০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হচ্ছে। এর মধ্যে উপসী জাতের ১১০ হেক্টর এবং হাইব্রীড জাতের ৮৮০ হেক্টর। শুভদিয়া ইউনিয়নে মোট ১৩২৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হচ্ছে। এর মধ্যে উপসী জাতের ৮০ হেক্টর এবং হাইব্রীড জাতের ১২৪৫ হেক্টর। পিলজংগ ইউনিয়নে মোট ১২১৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হচ্ছে। এর মধ্যে উপসী জাতের ১৮৫ হেক্টর এবং হাইব্রীড জাতের ১০৩০ হেক্টর। লখপুর ইউনিয়নে মোট ৯৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হচ্ছে। এর মধ্যে উপসী জাতের ৬০ হেক্টর এবং হাইব্রীড জাতের ৮৮৫ হেক্টর।

কৃষকদের সঙ্গে আলাপ কালে তারা এ প্রতিবেদককে জানান, কৃষি অফিস সময়মত স্থানীয় সকল কৃষকদের বিভিন্ন প্রকার প্রশিক্ষন ও তদারকি করার কারনে আমরা উৎসাহীত হয়েছি। সময়মত উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রশিক্ষন প্রদান করেন। এছাড়া চাষের পদ্ধতি (পার্চিং) ডাল পোতা আলোক ফাঁদ, সময়মত সার বীজ প্রাপ্তি, সেচের ব্যাবস্থা গ্রহন করা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মাঠে গিয়ে হাতে কলমে কাজ দেখিয়ে দেওয়ায় ভাল ফলনের সম্ভবনা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ নাছরুল মিল্লাত এ প্রতিবেদককে জানান, অত্র উপজেলার কৃষক-কৃষানীরা আগের তুলনায় অনেক সচেতন। তারা তাদের জমিতে তাদের বপনকৃত ফসলের কোন সমস্যা দেখা দিলে তারা সঙ্গে সঙ্গে আমাদের কাছে ছুটে আসেন। আমরা তাদেরকে নানা প্রকার পরামর্শ দিয়ে থাকি।

তিনি আরো বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য পার্চিং পদ্ধতিতে কীটনাশনের পরিবর্তে গাছের ডাল পুতে পাখি বসার ব্যবস্থা করার পরার্মশ প্রদান করছি। এই আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

জাপানে সংসদের উচ্চকক্ষের নির্বাচনে আবের জয়

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : জাপানের ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের দল এলডিপি ও তার জোট ...

ফের ব্যালট পেপার চালুর ডাক মমতার

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : নির্বাচনে ইভিএমের বদলে আবারও ব্যালট পেপার চালুর ডাক দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ...