ব্রেকিং নিউজ
Home | শিক্ষা | পার্বতীপুরের ভবানীপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জটিলতার অবসান ১০ দিনেও হয়নি
Exif_JPEG_420

পার্বতীপুরের ভবানীপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জটিলতার অবসান ১০ দিনেও হয়নি

মুসলিমুর রহমান পার্বতীপুর প্রতিনিধি: পার্বতীপুরের ভবানীপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জটিলতার অবসান ১০ দিনেও হয়নি। কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের নিজ নিজ অবস্থান, অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষকদের দাবি, শ্রেণী কক্ষে পাঠদান না হওয়া সহ নানা কারনে কলেজে কয়েকদিন ধরে এ অচল অবস্থা বিরাজ করছিল। ফলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি সহ উৎকন্ঠা দেখা দেয় অভিভাবক মহলে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ ক্যাম্পাসে দু-পক্ষের মধ্যে টানটান উক্তেজনা ও অপ্রীতিকর ঘটনার আশংঙ্খা করা হচ্ছে। আজ কাল বেজ ধারন করে কলেজে অবস্থান নেওয়ার আলটিমেটাম দেওয়ায় শিক্ষকরা সে কর্মসূচী পালন করেছে।
জানা যায়, গত ১৯ ফেব্রুয়ারী দিনাজপুর সার্কিটহাউসে অনুষ্ঠিত নিয়োগ নির্বাচনি পরীক্ষায় কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক মহিদুল ইসলামকে প্রথম নির্বাচন করা হয়। এদিকে কলেজের ৩৩ জন শিক্ষক ঐ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নৈতিকতা ও বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে অভিযোগ তুলে অনাস্থা জ্ঞাপন করে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। গত ৯ মার্চ অধ্যক্ষের কক্ষে তালা লাগানো হয়। আজ রবিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে কলেজে গিয়ে দেখা গেছে, পাঠদান নেই শেণীকক্ষে। শিক্ষার্থীরা কেউ কেউ শ্রেণীকক্ষের বাইরে বসে আছে। গুটিকয়েক শিক্ষার্থী বসে আছে কমনরূমের ব্যান্চে কেউবা কলেজ মাঠে দাড়িয়ে আছে। অনেক শিক্ষার্থীকে কলেজে বাইরে যেতে দেখা গেছে। তাদের চোখে মুখে উৎকণ্ঠার ছাপ। তাদের একটাই কথা কবে তাদের শ্রেণীকক্ষে পাঠদান শুরু হবে । কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুফিয়া আক্তার মিমি ও শান্তা আক্তার জানান, কয়েকদিন ধরে ক্লাস না হওয়ায় আমরা কলেজ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছি। আমরা টাকা পয়সা খরচ করে পড়াশুনা করি। কিন্তু অধ্যক্ষ এবং শিক্ষকদের সৃষ্ট জটিলতার কারনে লেখা পড়ায় বিঘœ হচ্ছে । এদিকে কলেজের শিক্ষকরা দুপুরে ২ টার দিকে অফিসকক্ষের সামনে অবস্থান নিলে অধ্যক্ষ এবং শিক্ষকদের মধ্যে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এ সময় বহিরাগত কতিপয় যুবক কলেজে প্রবেশ করে ফেরদৌস আরা আরজু সহ কয়েক জন শিক্ষককে লাঞ্চিত করে এবং অধ্যক্ষকে অফিসে বসিয়ে দিয়ে নির্বিঘেœ চলে যায়।
এ ব্যাপারে কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ মহিদুল হক জানান, ৭ মার্চ নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে ৯ মার্চ নিয়োগের অনুমোদন পেয়ে দায়িত্ব পালন করছি। শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়ার দায়িত্ব শিক্ষকদের। শিক্ষক প্রতিনিধি বাংলা বিভাগের প্রভাষক রেজওয়ানুল হক জানান, বিষয়টি অনাকাঙ্খিত্। স্ষ্টৃ জটিলতা অবসানের লক্ষ্যে আমরা শিক্ষকগন অধ্যক্ষের কাছে গিয়েছিলাম কিন্তু অধ্যক্ষ সাহেব বহিরাগতদের ডেকে এনে অনাকাঙ্খিত ঘটনার সৃষ্টি করে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ ক্যাম্পাসে টানটান উক্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোনো মূহুর্তে আবারও অপ্রীতিকর ঘটনার আশংঙ্কা করা হচ্ছে। ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ইউজিসির মতো প্রতিষ্ঠান চায় কওমি সনদ বাস্তবায়ন কমিটি

স্টাফ রিপোর্টার :  বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মতো একটি সংস্থার দাবি করেছেন ...

এসএসসির ফল ২ অথবা ৪ মে

স্টাফ রিপোর্টার :  মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২ ...