Home | সারা দেশ | পহেলা বৈশাখ সম্পর্কে সচেতন হোন

পহেলা বৈশাখ সম্পর্কে সচেতন হোন

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ- হিমেল: (ক) লাল সাদার সাথে বাঙালীর কী সম্পর্ক? এটা তো শাখা সিঁদুরের কালার! তাহলে কি কৌশলে আমাকে শাখাসিঁদুরে অভ্যস্ত করা হচ্ছে?
(খ) রমনা বটমূলে ছায়ানটের শিল্পীরা বাদ্যযন্ত্র নিয়ে প্রস্তুত, প্রস্তুত শ্রোতারা, অপেক্ষা কেবল সূর্য উঠার, সূর্য উঠার অপেক্ষায় মুসলমান থাকতে পারে? , এটা তো সূর্য পুজারীদের কাজ! মুসলমান সূর্য উঠলে ইবাদত বন্ধ করে দেয়। কারণ নবীজী সূর্য উঠা আর ডুবার সময় নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন, যেনো আমাদের ইবাদত সূর্যপূজারীদের সাথে মিলে না যায়, আর সেই মুসলমান প্রত্যুষে ফজরের সালাহ বাদ দিয়ে সূর্য উঠার অপেক্ষায় থাকবে?!!
(গ) সূর্য উঠার সাথে সাথেই রবি ঠাকুরের প্রার্থণামূলক সঙ্গীত “এসো হে বৈশাখ এসো……” দিয়ে শুরু হবে বর্ষবরণ। ঠাকুরের প্রার্থনা কি এক আল্লাহর কাছে?!! . ওহে মুসলমান তুমিও সে মুশরিকের ভাষায় প্রার্থনা করবে? . এই গানটির মধ্যে শিরক স্পষ্ট। কারণ তার একটি কলি হলো “অগ্নিস্মানে সুচি হোক ধরা” অর্থাৎ আগুনে গোসল দিয়ে গোটা জগত পবিত্র হোক। আগুন পবিত্র করার ক্ষমতা রাখে এ বিশ্বাস হিন্দুদের, আর তাই মৃত্যুর পর আগুনে পুড়িয়ে পবিত্র করে; ওহে মুসলমান তুমিও কি সে বিশ্বাসে বিশ্বাসী?!! . . আসতাগফিরুল্লাহ।
(ঘ) সবচেয়ে ভয়ঙ্কর শিরক হয় মঙ্গল শোভাযাত্রায়। এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে সকল অমঙ্গল দূর করবে। মঙ্গল অমঙ্গলের মালিক কে? এখানে প্রার্থনাটা কার কাছে? সেটা বুঝতে হিন্দুদের একটা বিশ্বাস সম্পর্কে জানতে হবে। হিন্দুদের এক দেবতার নাম বিষ্ণু দেবতা, যার পত্নী হচ্ছে লক্ষ্মীদেবী। যার পাঁচ কন্যা; পদ্মা, পদ্মালয়া, ইন্দিরা, শোভা, কমলা। তাদের বিশ্বাস সমস্ত মঙ্গলের মালিক হচ্ছে লক্ষ্মী দেবী, যার বাহন হলো পেচা। চারুকলার সোনার ছেলেরা বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তির সাথে পেচার মূর্তিটিও ঢুকিয়ে দেয় মঙ্গল শোভাযাত্রায়। এবার ভাবুন, পেচা কি বাংলায় কথা বলে? না পান্তা ইলিশ খায়? পেচার সাথে বাঙালীর কী সম্পর্ক? আসলে সম্পর্ক বাঙ্গালীর সাথে নয়, লক্ষ্মীদেবীর বাহন রেডি করে আহবান করা হচ্ছে তাকে। কারণ সে না আসলে মঙ্গল বিতরণ করবে কে?
ঙ) পান্তা ভাত বাংগালীর ঐতিহ্য নয়, দরিদ্রতার প্রতীক।গরম ভাত খাবার সামর্থ্য নেই বলেই তারা বাসি(পান্তা) ভাত খায়। দরিদ্র কৃষকের ঘরে ফ্রিজ নেই।তাই রাতের বেচে যাওয়া ভাত পানি দিয়ে রেখে সকালে তা দিয়ে তারা নাস্তার কাজ সারে।১লা বৈশাখ যারা পান্তা খেয়ে বাঙ্গালীপনা জাহির করে তারা আসলে বাঙ্গালীর দরিদ্রতা নিয়ে উপহাস করে !!! আমি কি ভুল বললাম,? যদি বলে তাকি তাহলে আমাকে ভুল ধরিয়ে দিন, সংশোধন করে নেব !!! লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ ……………!!
#আসলে শয়তান যদি আমাদের পূজামণ্ডপে ডাকতো আমরা তো যেতাম না, তাই সে কৌশল পরিবর্তন করে আমাকে দিয়ে শিরক ঠিকই করাচ্ছে, কিন্তু নাম দিচ্ছে বাঙালী চেতনা!! এই বৈশাখকে কেন্দ্র করে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তাদের অনুষ্ঠানাদি পালন করুক, এতে কারো কিছু বলার নাই। কিন্তু আফসোস তাদের জন্য, যারা নিজেদের শিকড়, নিজেদের পরিচয়, নিজেদের অবস্থান ভুলে গিয়ে নিজেদের অপূরণীয় ক্ষতি করে চলেছেন। কেননা শুধুমাত্র “নামের মুসলমান” পরিচয়টা কোন কল্যান বয়ে আনবেনা। আমাদের সামনে এখনো সময় আছে, খালেছ নিয়তে তওবা করে সঠিক পথের পথিক হওয়ার। আল্লাহপাক উত্তম হেদায়াত দানকারী এবং উত্তম ফয়সালাকারী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কোটালীপাড়ায় নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু

কোটালিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ ...

ফকিরহাট আ’লীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সুমন কর্মকার, বাগেরহাট…. বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ...