ব্রেকিং নিউজ
Home | সারা দেশ | পলাশবাড়ীতে হলুদে ছেয়ে গেছে আমনের বিস্তীর্ণ মাঠ

পলাশবাড়ীতে হলুদে ছেয়ে গেছে আমনের বিস্তীর্ণ মাঠ

gaibandha(1)ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা :  গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সবুজ থেকে সোনালী বর্ণ ধারণ করেছে বিস্তীর্ণ মাঠের আমন তে। আর ৪/৫ দিনের মধ্যেই মাঠের ধানগুলো কাটা-মাড়াই শুরু হবে। দিগন্তজুড়ে আধপাকা আমন ধানের তে দেখে জুড়িয়ে যাচ্ছে কৃষাণ-কৃষাণীর মন ও প্রাণ। মৌসুমের শুরুতে খরার তীব্রতায় ধানের অবস্থা খারাপ হওয়ার আশংকা দেখা দেয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত হওয়ায় মাঠগুলো সবুজের সমারোহে ভরে উঠে। কিন্তু ১ মাস পূর্বেও অনাবৃষ্টির কারণে আবারও কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়ে। কারণ ওই সময় মাটিতে রস না থাকলে ধানের শিষে চিটা হওয়ার আশংকা থাকে। কিন্তু ১৫ দিন যেতে না যেতেই আশানুরুপ বৃষ্টিপাত কৃষকদের মনে আনন্দের দোলা দেয়। শংকামুক্ত হয় কৃষকরা। ফলে এ উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। বোরোর পর গত মৌসুমে লাগামহীন খরচ আর হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে আউশ আবাদ করেন পলাশবাড়ী উপজেলার হাজার হাজার কৃষক। কিন্তু হাট-বাজারে উপযুক্ত দাম না পাওয়ায় হতাশায় ভেঙ্গে পড়েন তারা। ধারাবাহিক হতাশার পরও কৃষক নতুন উদ্যমে আমন আবাদে ঝুঁকে পড়েন। ধান েেতর শেষ পরিচর্যাও শেষ পর্যায়। কিন্তু মাঠে এখনও কৃষকরা ভাল ফলনের জন্য পোকা-মাকড় দমনে না পদ্ধতি গ্রহণ করছে। তবে উপজেলার অধিকাংশ উঁচু জমি হওয়ায় আগাম জাতের ধান চাষ করেছে। এ সব ধান ইতিমধ্যে কর্তন করার সময়ও হয়ে এসেছে। তবে এবার কীটনাশকের পরিবর্তে ৯০ ভাগ কৃষক পাচিং পদ্ধতি প্রয়োগ করে পোকা-মাকড় দমন করেছে। কৃষকরাও জানান, কীটনাশকের পরিবর্তে পাচিং পদ্ধতি পোকা-মাকড় দমনে অনেক সহজ ও তুলনামূলক কম খরচের। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  জানায়, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ১০ হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। অধিকাংশ মাঠে ধান হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে যা কৃষকদের মনে সোনালী স্বপ্ন বুনতে শুরু করে দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ভোগান্তির আর এক নাম লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক

নুরনবী সরকার, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: ঈদে ঘরমুখো মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে ...

উন্নয়নে নৌকার বিকল্প নেই-এমপি মোতাহার

নুরনবী সরকার, লালমনিরহাট প্রতিনিধি ঃ উন্নয়নে নৌকার বিকল্প কোন মার্কা নেই উল্লেখ ...