Home | সারা দেশ | পঞ্চগড়ে সাংবাদিক লানচিত ও ক্যামেরার মেমোরী ছিনতাই

পঞ্চগড়ে সাংবাদিক লানচিত ও ক্যামেরার মেমোরী ছিনতাই

panchagarডিজার হোসেন বাদশা, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি : পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা সাংবাদিক লানচিত ও ক্যামেরার মেমরী ছিনতাই। বুধবার রাত ৯ টার সময় তেঁতুলিয়া উপজেলা সাব রেজিষ্টার অফিসে রাতের আধারে বারবির কোম্পানির জমি রেষ্টি হচ্ছে এ খবর পেয়ে প্রতিনিধি ডিজার হোসেন বাদশা সাব রেজিষ্টার অফিসে গেলে দেখা যায় রাতের অন্ধকারে মোমবাতি জালিয়ে সাব রেজিষ্টার জমি রেজিস্টি দিচ্ছেন। তাৎখনিক সাংবাদিক দেখে উপজেলার আজিজনগর গ্রামের আজিজ মিয়ার ছেলে আওয়ামীলীগের কেডার সওকত ও তার সহযোগী সাজু প্রতিনিধির হাত থেকে ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে ক থেকে বের করে দেয়। জানা গেছে বারবির কোম্পানির কিছুদিন আগে একটি ভুয়া দলিলে রেজিষ্টী করেন এবং জনতার হাতে ধরা পরে খমা নিয়ে সমাধান করেন । এক পরজায়ে কথা কাটা কাটি হলে এক ঘন্টা পর ক্যামেরা থেকে মেমোরিটি খুলে নিয়ে প্রতিনিধির হাতে ক্যামেরা তুলে দেয়। কিন্তু ম্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার কথাটি এবং মেমোরি খুলে নেওয়ার কথা তেঁতুলিযা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক সহরাব আলীকে জানানো হলে সাধারণ সম্পাদক সহরাব আলী এর প্রতিবাদ করলে আওয়ামীলীগের কেডার সওকত তার কেডার বাহিনি নিয়ে প্রতিনিধি ও সাধারণ সম্পাদক সহরাব আলীর উপর মারমুখী আচরণ করে, চোরাও হয়। এক পরজায়ে বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ ও উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তারুল হক মুকু এবং তেঁতুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনোজ কুমারকে বিষয়টি জানা হলে ঘটনা স্থলে তেঁতুলিয়া থানার কয়েকজন এস আইকে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু ঘটনা স্থলে থানা পুলিশ এসে তাদের কোন ভুমিকা পালন না করে বরং সরকারী দলের কেডার বাহিনি ঘটনাটি ঘটিয়েছে শুনে থানায় ফিরে যান। পরে সাংবাদিক ডিজার হোসেন বাদশা, সাংবাদিক সহরাব আলী, সাংবাদিক আসরাফুল ইসলাম, সাংবাদিক শাকিল আহম্মেদ থানায় গিয়ে অফিসার ইনচার্জকে বিষয়টি সরাসরি জানালে এর কোন পদপে না নিলে এতে করে সাংবাদিক ডিজার হোসেন বাদশা তিনি বাংরাদেশ অনলাইন জানালিষ্ট এসোসিয়েসনের রংপুর বিভাগিয়য় কার্জ নির্বাহি সম্পাদক ও পঞ্চগড় জেলা সাখার সাধারণ সম্পাদক এবং বিভিন্ন গণ মাধ্যমের কর্মরত এ পরিচয় দিয়েও তাত নিক কোন সুরাহা না পেয়ে নিরাস হয়ে থানা থেকে চলে আসেন। জানাগেছে, সন্ত্রাশি সওকত তেঁতুলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সুনাম ধন্য এক নেতার ডান হাত এবং আওয়ামীলীগের বিষিষ্ট এক কেডার। আরো জানাগেছে, সন্ত্রাশি সওকত এর পরিবারে বড় ভাই তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেজো ভাই সাবেক উপজেলা ছত্র দলের সভাপতি বড় ভাগ্নে উপজেলা যুব দলের সভাপতি ছোট ভাগ্নে উপজেলা ছাত্র দলের সভাপতি এক বাড়ীতে এত পদ আর রক্তের গরমে সাংবাদিকে লানচিত করতে ভয় পায় না। এক পর্যায়ে রাত বারটা পর্যন্ত প্রতিনিধি ডিজার হোসেন বাদশা, সস্ত্রাশী সওকত এর কাছ থেকে মেমোরিটি চাইলে তা ফেরত না পেয়ে চলে আসতে হয়। ক্যামেরার মেমরী ছিনতাই ও প্রতিনিধির হাত থেকে ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে নেয়ার এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়া চলছে ।

৬৭

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ফুলবাড়ীতে গলায় ফাঁস দিয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে পারিবারিক কলহের জেরে এক বৃদ্ধ গলায় মাফলার পেছিয়ে ...

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশের প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়

খুলনা প্রতিনিধি : নারীর জন্য যে নতুন উন্নয়নের মডেলের বিষয়ে আলোচনা চলছে, ...