ব্রেকিং নিউজ
Home | ফটো সংবাদ | নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নেব না কেন?

নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নেব না কেন?

স্টাফ রিপোর্টার :  বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. এমাজউদ্দীন আহমদ প্রশ্ন রেখে বলেছেন, জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নেব না কেন? তাদের ওপর জনগণের আস্থা রয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি একথা বলেন। ‘নির্বাচনী রোডম্যাপ: নিরপেক্ষ নির্বাচনে সংকট ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এ গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে বাংলাদেশ সেন্টার ফর ডায়লগ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিসিডিডি) নামের একটি সংগঠন।

ড. এমাজউদ্দীন বলেন, ‘সেনা মোতায়েন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য স্পষ্ট হতে হবে। সেনাবাহিনী প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত হয়। জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে তাদের সহযোগিতা নেব না কেন? সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের আস্থা রয়েছে।’

তিনি বলেন, নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের নির্দেশ অবৈধ। ওই সময় তাদের নির্দেশ না মানার ক্ষমতা বা সাহস থাকতে হবে নির্বাচন কমিশনের।

বিশিষ্ট এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, দেশের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও চায় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হোক। ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হওয়ায় নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছিল। নির্বাচন নিয়ে তখন কোনো প্রশ্ন ওঠেনি।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন অবশ্যই জরুরি। কিন্তু তার পাশাপাশি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। আর এ ফিল্ড তৈরি করতে বিএনপির নামে ২৫ হাজার মামলা শিথিল করতে হবে। মামলা যদি চালাতে চায়ও নির্বাচন পর্যন্ত স্থগিত রাখতে হবে।

কমিশনের দেয়া নির্বাচনকালীন রোডম্যাপ নিয়ে ড. এমাজউদ্দীন বলেন, রাস্তার চূড়ান্ত চিত্র অঙ্কন করতে হলে চূড়ান্ত গন্তব্য তৈরি করতে হয়। বাংলাদেশের গন্তব্য হচ্ছে নিরপেক্ষ নির্বাচন যা জনগণ এবং বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে।

সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে সংসদ ভেঙে দেয়ার ঘোষণা আসবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ভিসি বলেন, ‘বিচারহীনতা আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে। ধর্ষণ, ব্যাংক লুট নিয়ে আমাদের লজ্জা হারিয়ে গেছে। এভাবে কোনো স্বাধীন দেশ চলতে পারে না।’

সংগঠনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য খালেদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, স্বাধীনতা অধিকার আন্দোলনের সভাপতি ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির, জিনাপের সভাপতি মিয়া মো. আনোয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

হারের তিন কারণ জানালেন মাশরাফি

স্পোর্টস ডেস্ক : তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ১০৪ ...

শীত আসার আগেই বাজারে আসতে শুরু করেছে মৌসুমী সবজি

স্টাফ রিপোর্টার :  শীত আসার আগেই বাজারে আসতে শুরু করেছে মৌসুমী সবজি। ...