ব্রেকিং নিউজ
Home | ব্রেকিং নিউজ | নিজের অপকর্ম ঢাঁকতে আ.লীগের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে আলমগীর : সংবাদ সম্মেলনে ইসরাফিল আলম

নিজের অপকর্ম ঢাঁকতে আ.লীগের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে আলমগীর : সংবাদ সম্মেলনে ইসরাফিল আলম

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁ-৬ (রাণীনগর-আত্রাই) আসনের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো: ইসরাফিল আলম সংবাদ সম্মেলনে করেছেন। সম্মেলনে তিনি বলেন, দীর্ঘ দশ বছর ধরে আত্রই-রাণীনগর এই দুই উপজেলাকে অশান্তির হাত থেকে রক্ষা করে শান্তির জনপদে পরিনত করেছি। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার আগে বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে এই জনপদ সর্বহারা,জেএমবি ও রক্তাক্ত জনপদ হিসেবে খ্যাত ছিল।তিনি অভিযোগ কওে বলেন, আলমগীর কবির এই আসনে বিএনপি থেকে এমপি নির্বাচিতদ হয়ে প্রায় ১৬ বছর সর্বহারা জেএমবি’র মদদদাতা হিসেবে এই জনপদে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ ৭৬ জন নিরিহ মানুষকে বিনা বিচারে নিজ স্বার্থে প্রকাশ্য দিবালোকে গলা কেটে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে। নিহতদের স্বজনরা এখনও প্রিয়জন হারানোর বেদনা ভুলতে পারেনি। সেই আলমগীর কবির ২০০৬ সালের দিকে বিএনপি থেকে ডিগবাজি দিয়ে অন্য দলে যোগ দেওয়ায় রাণীনগর থানা বিএনপি সেই সময় তার কুশপুত্তলীকা দাহ করে। সে নিজেও বিএনপি’র নামে এলাকায় নানান ধরণের কুৎসা রটিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায়। দীর্ঘ এক যুগ পর সুযোগ বুঝে আবারো বিএনপি’র মনোয়ন নিয়ে এলাকায় আসলে রাণীনগর থানা বিএনপি’র সভাপতির নের্তৃত্বে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আলমগীর কবির কে অবাঞ্চিত ঘোষনা করা হয়।এর পর থেকে এই আসনে বিএনপি’র অন্ত:দ্বন্দ চরম আকার ধারণ করে। ইতিমধ্যেই তিনি নেতা-কর্মী শূন্য হয়ে পড়েন। নিরুপায় হয়ে ভাড়াটিয়া বেশ কয়েকজন ক্যাডার দিয়ে রাতের-আধারে তার নিজের পোষ্টার ব্যানার ছিড়ে ফেলে। তার এসব অপকর্ম দিয়ে আমার নির্বাচনী ভাবমূর্তী নষ্ট করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে রির্টানিং অফিসারের কার্যালয়ে এপর্যন্ত প্রায় ৩০ টির মত অভিযোগ দায়ের করেছে। যার একটিরও সত্যতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে পায়নি ।

তিনি আরোও বলেন, আলমগীর কবির এলাকায় আসলেই আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটে। অথচ এই আসনে তার ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন বুলু’র সাথে আমি নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেছি, সেই সময় কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। গত ১০ বছরে রাণীনগর আত্রাইয়ে বিএনপি তাদের দলীয় কর্মকান্ড অবাধে করলেও কোন ধরণের আইন-শৃংখলার অবনতি ঘটেনি। আলমগীর কবির এলাকায় এসেই শান্তি, নিরাপত্তা আর উন্নয়নের জনপদ এখন অস্থির করার পাঁয়তারা করছে। তবে তিনি যতই অশান্তি করার চেষ্টা করুক না কেন, জনগণ আগামী ৩০ ডিসেম্বর ব্যালটের মাধ্যমে আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে জেএমবি-সর্বহারা’র গডফাদার আলমগীর কবিরকে এই এলাকা থেকে চির বিদায় জানাবে। এব্যাপারে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্বাচনী পরিবেশ ভাল রাখতে নিরপেক্ষ ভাবে দ্বায়িত্ব পালনের আহবান জানান।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা সদরে তার নিজ বাসভবন ‘রাণীনগর হাউজ’ এ অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মফিজ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ্যাড: ইসমাইল হোসেন, একডালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, কালীগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজার রহমান সহ অংগ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতৃবৃন্দ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মদনে ক্ষুদ্র নৃ—গোষ্ঠীর মধ্যে ভেড়া ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ

সুদর্শন আচার্য্য, মদন, নেত্রকোণা ঃ সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ—গোষ্ঠীর মাঝে ...

What Is Cmmi? A Model For Optimizing Development Processes

Содержание Managed Processes Maturity Model Structure Do You Want To Implement The ...