Home | বিনোদন | সঙ্গীত | নবাবের ‘আমি কিছু জানি না’

নবাবের ‘আমি কিছু জানি না’

বিনোদন প্রতিবেদক: নবাব আমিন। সাংবাদিক ও গীতিকার হিসেবেই পরিচিত। তার লেখায় কণ্ঠ দিয়েছেন বাপ্পা মজুমদার, সন্দীপন, পান্থ কানাই, দিনাত জাহান মুন্নি ও সুমন কল্যানের মতো শিল্পীরা। তবে এবার নবাব নিজেই কণ্ঠে তুলে নিলেন গান। গাইলেন ‘আমি কিছু জানি না’ শীর্ষক একটি গান।

দুই বাংলার যৌথ উদ্যোগে এই গানটি আসছে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত হবে। গানটির কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন কলকাতার গীতিকবি দেবাশিস ঘোষাল। সঙ্গীতায়োজন করেছেন তরুণ সঙ্গীত পরিচালক সোহেল রাজ।

‘ভেঙ্গে ভেঙ্গে উড়ে যাচ্ছে/মাঠ বাড়ি শহর গ্রাম/রোদে জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে/জীবনের যতোটুকু দাম/আমি কিছু জানি না/আমি কিছু বুঝি না/কালকে যে কি হবে/এর পরিণাম’-এমন কথার গানটিতে সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রামপুরায় সোহেল রাজের স্টুডিওতে কণ্ঠ দেন নবাব আমিন। কয়েক দিনের মধ্যে এস মিউজিকের ব্যানারে জিপি মিউজিক ও বাংলালিংক ভাইবে গানটি প্রকাশিত হবে।

এরপর পর্যায়ক্রমে লিরিক ভিডিও এবং মিউজিক ভিডিও প্রকাশিত হবে বলে জানান নবাব। তিনি বলেন, এতোদিন তো অন্যের জন্য গান লিখেছি। এ নিয়ে নানা রকমের বাজে অভিজ্ঞতাও আছে। গীতিকারদের ঠিক মতো সম্মান ও সম্মানী দিতে চান না অনেক কণ্ঠশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক। নামটা পর্যন্ত বলতে অনেকের মুখে আটকে যায়। এজন্য এবার নিজেই গাওয়ার একটা সাহস করলাম। খুব একটা খারাপ গাই না বলেই গান গাওয়ার এতো বড় সাহস করলাম। তবে গান গাওয়া সত্যিই খুব কষ্টের। সাধনা ছাড়া এ জায়গা সবার জন্য নয়। এটা অনেকে না বুঝেই গান করছেন। মূলত সে বিষয়টি অনুধাবন করেই না জেনে না বুঝে গাইতে চাওয়া। কোনো কিছু মানসম্মত না হলে আমি সেটি নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করি না। এ গানটি দেবাশিস দা আমাকে প্রথম যেদিন শোনালেন, সেদিন একবারেই আমার কথা ও সুর মুখস্থ তো হয়ই, মনেও দারুণভাবে গেঁথে যায়। ভেতর থেকে টান লাগে গানটি গাওয়ার জন্য। এরপর প্রায় ছয় মাসের পরিশ্রম শেষ হলো। কথা-সুরের সাথে সাথে গানটির অসাধারণ সঙ্গীতায়োজন করেছেন সোহেল রাজ ভাই। আমি শ্রোতা হিসেবে তাদের কাজে মুগ্ধ। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রকাশ হলেও ভালোবাসার গান বলা মুশকিল। ব্যান্ড প্যাটার্নের গান। আমি জানি না, কার কেমন লাগবে। একটা গানই তো। মন্দ হলে সে দায় একান্তই আমার।

নবাব আমিন আরও বলেন, আমি বরাবরই প্রচার বিমুখ। এসব ভালো লাগে না। কিন্তু এবারের ব্যাপারটা ভিন্ন। নিজে গেয়েছি বলে ঢোলটা হালকা পেটাচ্ছি।

সঙ্গীত পরিচালক সোহেল রাজ বলেন, গানটি নিয়ে বলতে গেলে উপন্যাস হবে। আমার সঙ্গীত ক্যারিয়ারে এমন কষ্ট আমি কোনো গান নিয়েই পাইনি। তবে গানের বিষয়বস্তু, কথা ও সুর অসাধারণ। বেশিরভাগ মানুষের মনের কথা। আমরা চেষ্টা করেছি, অনেক সময় নিয়ে একটা মানসম্মত কাজ উপহার দিতে। বাকিটা শ্রোতারা বলবেন।

গীতিকবি দেবাশিস ঘোষাল বলেন, গানটি নিয়ে আমি ছোট্ট করে কিছু বলবো। আমি নবাবের মধ্যে গানটি নিয়ে যে একটা আগ্রহ ভালোবাসা লক্ষ্য করেছি সেটি সত্যিই অন্যরকম। আমরা উত্তরখন্ডে ১২,৫০০ ট্র্যাকিং করেছি, যেখানে ওর মুখে এটাই ছিলো থিম সং। মানুষ পাহাড়ে উঠার সময়টাতে কথাও ঠিকমতো বলে না। ও রীতিমতো এ গানটি সারাক্ষণ গেয়েই চললো! এতে আমরা টিমের সকলে অবাক হয়েছি। এরপর পাহাড় থেকে নেমে সিদ্ধান্ত নিলো এ গান সে গাইবে। বাকিটা প্রকাশ হলে শ্রোতারা ভালো বুঝতে ও বলতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

উচ্চ শব্দে গান করায় কুমার শানুর বিরুদ্ধে এফআইআর

বিনোদন ডেস্ক : আইনি ঝামেলায় পড়লেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী কুমার শানু। নিয়ম ...

শাস্ত্রীয় সঙ্গীত কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ওস্তাদ রেজওয়ান আলী

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর, ছায়ানটের সিনয়র ফ্যাকাল্টি প্রশিক্ষক ...