ব্রেকিং নিউজ
Home | বিবিধ | কৃষি | ধর্মপাশায় বিভিন্ন হাওরে ধান কাটা শুরু

ধর্মপাশায় বিভিন্ন হাওরে ধান কাটা শুরু

pic haorসাইফ উল­াহ, প্রতিনিধি, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) : সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিভিন্ন হাওরে আগাম ধান কাটা শুরু হলেও হাওর রাবাঁধ কেটে ফসলি জমিতে রুপান্তরিত করায় বৃহত্তর টগা হাওরটি রয়েছে এখন অরতি। অকাল বন্যায় ওই হাওরটি তলিয়ে গিয়ে হাজার হাজার কৃষকদেও সোনার ফসল বিনিষ্ট হবার আশংঙ্কায় খোদ হাওর পাড়ের কৃষকগণ। কৃষকরা ধর্মপাশা উপজেলার দুইটি থানার উপজেলার প্রশাসনকে ধর্মপাশার হাওর রা বাঁধটি অবিলম্বে সংস্কার ও ভরাট করণের দাবি জানিয়ে আসলেও টনক নড়েনি সংশ্লিষ্ট কতৃপরে। এ কারণে পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট অকাল বন্যায় হাসুয়া, টগা, দারাম, ফলই চাপড়া, জালদরা, মেদা, বিগুইত্তা, কালিজানা সহ বিভিন্ন হাওর তলিয়ে যেতে পাওে এমন আশস্কায় চোখে ঘুমনেই এখানকার চলতি বোর মৌসুমে চাষীদের। বোর চাষীরা সার, বীজ ও কৃষি উপকরণ কিছুই পায়নি। ফলে এ বছর ওই উপজেলায় বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেনা কৃষকরা। তবে অনুকুল আবহাওয়া ও দূর্যোগের হাত থেকে রা পেলে বাম্পার ফলন না হলেও ভাল ফলনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় কৃষি অফিস কর্মকর্তারা। তাদের দাবি এ বছর কৃষি অফিসের মাঠকর্মীদের পরামর্শ ও চাষীরা নিজেদের উদ্যোগে আদর্শ বীজতলা তৈরী সঠিক বয়সে চারা রোপন পাচিং পদ্ধতির ব্যবহার, সারিতে রোপন, জৈব সার ও সুষম সার প্রয়োগ করে চাষাবাদ করেছেন। সঙ্গত কারণে ভাল ফলনের আশাবাদি কৃষি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারিদের। তবে মাঠ পর্যায়ে ঘুরে ফিরে চাষীদের সঙ্গে দেখা কওে জানা যায়, বোর মৌসুমে বীজ তলা তৈরী করেও সরকারী সার, বীজ সহ অন্যান্য উপকরণ না পাওয়ায় বিগত বছরের তুলনায় এবার ধর্মপাশায় বোর চাষাবাদ ভাল সম্ভাবনা দেখছেনা কৃষকরা। চলতি বোর মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরচাষ করা হয়েছে। প্রায় ৮০ হাজার হেক্টর মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হতে পারে। ইরি, বোর,টেপি, রাতা, ময়না, টিয়া, তেজ, আফতাব ধান বেশী রোপন করেছে কৃষকরা। বৃষ্টি হলেই পাহাড়ী ঢলে ফসলহানি শংকা থাকে কৃষকদের মধ্যে। স¤প্রতি বয়ে যাওয়া শিলা বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে কিছু তি হলেও সবজি চাষীদের ব্যাপক তি গ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা। সরজমিনে দেখা যায় দুর্যোগ ও আবহাওয়ার তলিয়ে যাওয়ার শস্কায় কয়েকটি হাওরে আগাম ধান কাটা শুরু করেছে কৃষকরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এওয়াইএম আমিনুল ইসলাম জানান এ বছর সরকারি ভাবে কৃষকদের সার, বীজ ও অন্যান্য উপকরণ বরাদ্দ দেয়া হয়নি। তবে মাঠ কর্মীরা সার্বনিক কৃষকদের অর্জিত ধান তে তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন। জয়শ্রী কৃষক আহমদ আলী (৪৫) জানান, আমাদের হাওরে আগাম ধান কাটতে শুরু হয়েছে আমার এক একর জমিতে ৬ মণ ধান পেয়েছি। বাখরপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল বাতিন (২৮) জানান, হাতকুড়া হাওরে সাড়েঁ তিন একর জমিতে চাষ করে ১০ মণ ধান পেয়েছি এখন কি করে কৃষি দেনা পরিশোধ করব শিলা বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট না হলে ২ শত মণ ধান পেতাম। চকিয়া চাপুরের কৃষক রুবেল কবির রানা (৩৮) ইউপি সদস্য বলেন টগা হাওরে ৪ একর জমিতে মাএ ১১ মণ ধান পেয়েছি আমার মত ুদ্র কৃষক আরও শত শত রয়েছে সকলের একই অবস্থা। দেনা জন্য ৬ শত টাকা ধরে ধান বিক্রয় করেছি কিন্তু এখন খাব কি। শত কষ্টের মধ্যে কৃষক তার কৃষি জমি কাটা শুরু করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মিরুখালীতে তিল চাষের উজ্জল সম্ভাবনা

স্টাফ রিপোর্টার :  ‘তিলে তৈল হয়’ এবং ‘তিলকে তাল করা’ বাক্য দু’টি ...

ভোলার লালমোহনে কোস্ট ট্রাস্টের উদ্যেগে অতিদরিদ্রদের গরু মোটাতাজাকরন প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত

আরিফুল ইসলাম রিয়াজ, ভোলা প্রতিনিধিঃ ভোলার লালমোহন উপজেলার চরউমেদ ইউনিয়নের ৩ নং ...