Home | ফটো সংবাদ | দুর্নীতি মামলার যুক্তিতর্কে অংশ নিয়ে খালেদা জিয়ার খালাস চাইলেন জমির উদ্দিন

দুর্নীতি মামলার যুক্তিতর্কে অংশ নিয়ে খালেদা জিয়ার খালাস চাইলেন জমির উদ্দিন

স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তিতর্কে অংশ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার খালাস চেয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। তিনি আদালতের কাছে ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার পক্ষে নবম দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন করছেন তার আইনজীবীরা। গতকাল শুরু করে আজ বেলা সাড়ে ১২টার দিকে যুক্তিতর্ক শেষ করেন জমির উদ্দিন সরকার।

যুক্তিতর্কে জমির উদ্দিন সরকার দাবি করেন, জিয়া পরিবার এবং বিএনপিকে ধ্বংস করতেই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়।

যুক্তিতর্কের শেষ দিকে বিচারককে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রবীণ এই আইনজীবী বলেন, ‘আমি এই মামলায় ন্যায়বিচার, ন্যায়বিচার এবং ন্যায়বিচার প্রার্থনা করছি।’

গতকাল বুধবার খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে তার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী। আজও খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হয়েছেন।

যুক্তি উপস্থাপনের শেষ পর্যায়ে এসে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি জাল, মিথ্যা নথি সৃজনের মাধ্যমে করা হয়েছে দাবি করেছে আসামি পক্ষ। মামলার এজহার দায়েরকারী ও তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশিদসহ সাত সাক্ষীর শাস্তি দাবি করে আদালত একটি আবেদনও দাখিল করা হয়েছে।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের যুক্তি উপস্থাপনের মাধ্যমে চারজন আইনজীবী খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করলেন। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী, খন্দকার মাহবুব হোসেন এবং আব্দুর রেজ্জাক খান যুক্তি উপস্থাপন করেন।

বকশীবাজারের ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাটির বিচারকাজ চলছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় একটি মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কাশিয়ানীতে প্রভাবশালী বিএনপি নেতার অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন : ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষকরা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে অবৈধ ভাবে প্রভাবশালী কর্তৃক বালু উত্তোলন করায় ...

গোপালগঞ্জে বিনাধান-১৬ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) ...