ব্রেকিং নিউজ
Home | ফটো সংবাদ | দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগে না আসায় বারবার সংকটের মুখে বাজার

দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগে না আসায় বারবার সংকটের মুখে বাজার

dse photoস্টাফ রিপোর্টার : প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগে না আসায় বারবার সংকটের মুখে পড়ছে শেয়ারবাজার। এমনটাই মনে করছেন বিনিয়োগকারী ও বাজার সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা মূল চালিকা শক্তি। কিন্তু তারা সক্রিয় না থাকায় এবং তাদের মধ্যে সমন্বয় না থাকায় লেনদেনে গতিশীলতা আসছে না। ফলে বাজার একটু বাড়তে থাকলেই তাদের মধ্যে কে কার আগে মুনাফা তুলবে-এ ধরনের অসম প্রতিযোগিতার কারণে বাজার আবার পতনের ধারায় ফিরে আসছে। যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকটকে আরো ঘনীভূত করে তুলছে।

 

বাজারের স্বার্থে এবং লেনদেনের গতিশীলতা রক্ষার্থে প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় পুঁজির বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগে আসতে হবে।তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধনও জরুরী বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

,

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের লেনদেনে বাজার কখনো পুরোপুরি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে না। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা যখন বাজারে লেনদেনে সক্রিয় হয়ে ওঠে, তখন সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝেও ইতিবাচক মনোভাব তৈরী হয়। কিন্তু যখন তারা নিস্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে তখন আবার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা নেমে আসে। সাম্প্রতিককালে এ ধরনের ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছে বিনিয়োগকারীরা। যখন বাজারে বেশ কিছু দিন ভাল অবস্থানে লেনদেন চলতে থাকে, তখন মনে হয় বাজার ঠিক হয়ে গেছে। কিন্তু যখন আবার লেনদেন কমতে কমতে থাকে তখন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল আচারণ অপরিহার্য হয়ে পড়ে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি বছর জুন ক্লোজিংকে কেন্দ্র করে সব প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাজারকে সক্রিয় করে তোলে। এতে পুরনো এবং নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ওই সময়ে লেনদেন হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত গড়ায়। কিন্তু রমজান মাসের প্রথম সপ্তাহে এসে লেনদেনে আবার ভাটা পড়ে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা অনেকে তাদের বাড়িয়ে তোলা বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম যে জায়গায় ক্রয় করেছিল বর্তমানে ওই শেয়ারের দর সেই জায়গায় নেই। অনেক পড়ে গেছে।

 

এরপর ঈদুল ফিতরের পর কয়েক কার্যদিবস সামান্য ভাল থাকলেও গত দুই মাস ধরে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশ গ্রহণ সেভাবে বাজারে নেই। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এক ধরনের অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এ ধরনের সিজনাল ব্যবসা বাজারকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেয় বলে মনে করেন তারা।

কয়েকজন বড় ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা জানান, বাজারকে লেনদেনে সক্রিয় করে তোলার দায়িত্ব প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের। তাদের কাছে লজিষ্টিক অনেক সার্পোট রয়েছে। কিন্তু এ সাপোর্ট তারা তাদের মতো করে ব্যবহার করছে। এতে তারা সাময়িক প্রফিটেবল হলেও বাজারের কোন গতিশীলতা ফিরে আসছে না। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে প্রাতিষ্ঠানিকদের দীর্ঘ মেয়াদের জন্য বাজারে সক্রিয় হওয়ার বিকল্প নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কোহলিদের কোচের দৌড়ে চারজন

স্পোর্টস ডেস্ক : চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে থেকেই সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে একাধিকবার খবরের ...

চাকরি দেওয়ার টোপ দিয়ে নারীকে ধর্ষণ

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ফেসবুক মানুষের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে এনেছে, বাড়িয়েছে বন্ধুত্ব। তবে ...