Home | অর্থনীতি | দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া খনি’র কয়লা উধাও ঘটনা ধামাচাপা !

দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া খনি’র কয়লা উধাও ঘটনা ধামাচাপা !

শাহ্ আলম শাহী, দিনাজপুর : দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া খনিতে কয়লা উধাও এর ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে উধাও হওয়া ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪.৪০ টন কয়লা ঘাটতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে তা অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। খনি পরিচালনা পর্ষদের ২৮৩ নম্বর সভায় প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে ১ লাখ ৫২ হাজার ৪৪৩.৪৩ টন কয়লা উদ্বৃত্ত হয়েছে বলেও পরিচালনা পর্ষদকে জানানো হয়। জানানো হয়েছে,বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি উন্নয়ন কাজ শুরু হয় ১৯৯৬ সালে। সে সময় থেকে চলতি বছরের ১৯ জুলাই পর্যন্ত ১ কোটি ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪২.৩৩ টন কয়লা উত্তোলন করা হয়েছে। এর মধ্যে খনি উন্নয়নকালীন (৯ সেপ্টেম্বর/২০০৫ পর্যন্ত) ১ লাখ ৭৮ হাজার ১৮০.৬০ টন, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট থেকে ৫২ হাজার ৩৩৯.৭৪ টন, এয়ার রিটার্ণ রোডওয়ে থেকে ৮ হাজার ৬৩৫.০১ টন এবং ঠিকাদার কর্তৃক উৎপাদন ৯৭ লাখ ৭৪ হাজার ৪৪৩.৫৫ টন সব মিলে উত্তোলন করা হয় ১ কোটি ১৩ হাজার ৫৯৮.৯০ টন কয়লা। অবশিষ্ট ১ লাখ ৫২ হাজার ৪৪৩.৪৩ টন কয়লা উদ্বৃত্ত।

এ সময়ের মধ্যে বিক্রি করা হয় পিডিবি’র কাছে ৬৬ লাখ ৮৭ হাজার ২৯.২৯ টন ও খোলা বাজারে ৩৩ লাখ ১৯ হাজার ২৮০.৩৭ টন এবং খনির নিজস্ব ব্যবহার হয়েছে ১২ হাজার ৮৮.২৭ মেট্রিক টন কয়লা। মোট বিক্রয় ও ব্যবহার ১ কোটি ১৮ হাজার ৩৯৭.৯৩ টন।

এছাড়া মজুদ পাওয়া যায় (১৯ জুলাই পর্যন্ত) আনুমানিক ৩ হাজার টন। বিক্রয়, ব্যবহার ও মজুদ একত্রে দাড়ায় ১ কোটি ২১ হাজার ৩৯৭.৯৩ টন।

সূত্রমতে, খনির উৎপাদন ঠিকাদার ১০ সেপ্টেম্বর ২০০৫ থেকে ১১ আগস্ট ২০১১ পর্যন্ত ৭১ মাসে প্রথম দফা চুক্তিকালীন ৩৪ লাখ ৯৮ হাজার ৪৬৩.৫৩ টন কয়লা উত্তোলন করে। ডিসেম্বর ২০০৮ পর্যন্ত সারফেস কনভেয়র বেল্টে কয়লা পরিমাপের জন্য কোনো ওয়েইং স্কেল বসানো ছিল না। ওয়েইং স্কেল বসানোর আগে উৎপাদিত কয়লা ভু-গর্ভে ইনসিটু অবস্থার আয়তনকে (ফেইস মেজারমেন্ট) ১.৪৩ ঘনত্ব ধরে পরিমাপ করে ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা হয়। এতে করে ১ লাখ ৫২ হাজার ৪৪৩.৪৩ টন কয়লা উদ্বৃত্ত হয়। যা পরবর্তী সময়ে মজুদ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

খনি কর্তৃপক্ষের দাবি, উদ্বৃত্ত ১ লাখ ৫২ হাজার ৪৪৩.৪৩ টন কয়লা যদি তারা চুরি বা আত্মসাত না করে থাকে যার উৎপাদন বিল পর্যন্ত ঠিকাদারকে প্রদান করতে হয়নি। তাহলে তার চেয়ে কম ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪.৪০ টন কয়লা তারা চুরি করতে যাবে কেন। এটি আসলে সিস্টেম লস।

সূত্রমতে, খনির উৎপাদন, বিক্রয়, ব্যবহার ও মজুদের বাস্তব পরিমাপের আলোকে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪.৪০ টন কয়লাকে ঘাটতি হিসেবে অস্তর্ভুক্ত এবং প্রতিটন কয়লার দাম ৭ হাজার ৮৩০ টাকা (উৎপাদন খরচ) হিসেবে মোট ১১৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা হ্রাসের প্রস্তাব করা হয়েছে।

খনির নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুর রহমান এবং জেনারেল ম্যানেজার (মাইন অপারেশন) সাইফুল ইসলাম প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য গত ১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত খনি পরিচালনা পর্ষদের ২৮৩ নম্বর সভায় তা উপস্থাপন করেন।

গত জুলাই মাসের দ্বিতীয়ার্ধে বড়পুকুরিয়া খনির কোলইয়ার্ড পুরোপুরি খালি হলে প্রায় ২৩০ কোটি টাকার ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪.৪০ টন কয়লা ঘাটতির হিসাব বেরিয়ে আসে।

এদিকে, পেট্রোবাংলার প্রাক্তন পরিচালক (খনি ও খনিজ/পরিকল্পনা) খনি বিশেষজ্ঞ মকবুল-ই-ইলাহী জানিয়েছেন, উৎপাদন ও বিতরণ সম্পৃক্ত শিল্প-কারখানায় সিস্টেম লস যেমন অস্বীকার করা যায় না, ঠিক তেমনি বড়পুকুরিয়ায় উত্তোলিত কয়লার ক্ষেত্রেও সিস্টেম লস অস্বীকার করার উপায় নেই। জ্বালানি তেল, পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ, টেলিফোনসহ সব খাতে স্বীকৃত সিস্টেম লস আছে। তাহলে কয়লার থাকবে না কেন। ১৪ বছরে ১ দশমিক ৪২ শতাংশ ঘাটতির যে হিসাব পাওয়া গেছে তা পৃথিবীর অন্যান্য দেশের খনির ঘাটতির তুলনায় খুবই কম। তবে কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ কেন সিস্টেম লসের বিষয়টি মাথায় রাখল না। বোর্ড মিটিংয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে যদি ১.৫ শতাংশ সিস্টেম লসও ধরা হতো তবে এরকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।

এদিকে কয়লা উধাও এর ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অপচেষ্টার খবরে বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে খনি এলাকাবাসী। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেেক কয়লা লোপাটরে ঘটনায় দোষিদের দ্রুত বিচারসহ খনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ০ গ্রামের মানুষ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।

ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রাম কমিটি’র আহব্বায়ক আব্দুর রাজ্জাকরে সভাপতিত্বে ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলের এই সমাবেশ থেকে ৮ দফা দাবী উপস্থাপন করা হয়েছে। সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখনে কমটির যুগ্ম আহবায়ক মশিউর রহমান বুলবুল, সদস্য সচবি রাহেনুল ইসলাম, সদস্য বেনজরি হোসনে, ফরহাদ আলী মন্ডল,মামুন মন্ডলসহ আরও অনেকে।

তাদের অভিযোগ,বড়পুকুরিয়ায় ২৩০ কোটি টাকার মূল্যে’র ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪ টন কয়লা কয়লা গায়েবের ঘটনা ধামা চাপা দিতে কয়লা চুরি’র সাথে জড়িতদের বাঁচাতে একটি চক্র মরিয়া হয়ে উঠেছে। ইতিপূর্বে সুষ্ঠু তদন্তকে বাঁধাগ্রস্থ করতে কয়লা চুরি’র সাথে জড়িতদের পক্ষে বহিরাগত লোকজন দিয়ে মানববন্ধন করেছে।

কয়লা উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। খনির সদ্য অপসারিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিবউদ্দীন আহম্মদ, কোম্পনী সচিব আবুল কাশেম প্রধানিয়াসহ ১৯ কর্মকর্তাকে আসামী করে মামলা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের সচিব, প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক,পেট্রোবাংলা এবং পিডিপি চেয়ারম্যানসহ দুদক কর্মকর্তারা পর্যায়ক্রমে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ইতোমধ্যে মামলায় অভিযুক্ত ১৯ কর্মকর্তা ও খনির সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুজ্জামান ও মো. আমিনুজ্জামানসহ ২১ কর্মকর্তাকে দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে দুদক।সোমবার (০৬ আগস্ট) বড়পুকুরিয়া খনি থেকে কয়লা দুর্নীতি মামলার তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তা ও দুদকের পরিচালক কাজী শফিকুল আলম এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সামছুল আলম নথিপত্র জব্দ করে ঢাকায় নিয়ে গেছেন। ২০০১ সাল থেকে চলতি বছরের ২৪ জুলাই পর্যন্ত মোট ১৭ বছর সাত মাসের সাত ধরনের প্রয়োজনীয় নথিপত্র জব্দ করা হয়েছে। দুদকের পরিচালক (এডমিন) কাজী শফিকুল আলম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সরেজমিনে তদন্ত দল এসেছি খুব দ্রুতরার সাথে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে। এখন যাচাই বাছাই চলছে। কয়লা খনির প্রতিটি সেক্টরে গিয়েছি এবং সবার সাথে গভির ভাবে কথা বলা হচ্ছে। তিনি আরো বলেছেন, দুর্নীতির আছে তাই মামলা হয়েছে। যারা মামলায় আসামী তাদের বিদেশে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

১৯ জুলাই খনির ইয়ার্ড থেকে কয়লা উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনাটি ধরা পড়ে। ২৩০ কোটি টাকার ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪ টন কয়লা ঘাটতির অভিযোগে বিসিএমসিএলের সদ্য সরিয়ে দেওয়া ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহমদ, মহা-ব্যবস্থাপক (মাইন অপারেশন) নুরুজ্জামান চৌধুরী ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (স্টোর) খালেদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। খনির এই তিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ ১৯ কর্মকর্তাকে আসামি করে ২৪ জুলাই দুর্নীতি দমন আইনের পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্ত করছে দুদক।

এ ঘটনায় পেট্রোবাংলার পরিচালক (মাইন অপারেশন) মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি খনির সাবেক চার ব্যবস্থাপনা পরিচালক যথাক্রমে মো. কামরুজ্জামান, মো. আমিনুজ্জামান, এসএম নুরুল আওরঙ্গজেব ও সদ্য সাবেক হাবিব উদ্দিন আহমদকে কয়লা ঘাটতির জন্য দায়ী করে গত মাসের শেষ সপ্তাহে প্রতিবেদন দাখিল করেন। সর্বশেষ ২৯ জুলাই কয়লা উধাওয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক ( প্রশাসন-ডিজি) খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- যুগ্ম সচিব (জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ) নাজমুল হক ও পেট্রোবাংলার পরিচালক (মাইন অপারেশন) মো. কামরুজ্জামান।

বড়পুকুরিয়ায় ২৩০ কোটি টাকার মূল্যে’র ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪ টন কয়লা গায়েবের ঘটনা ধামা চাপা দিতে কয়লা চুরি’র সাথে জড়িতদের বাঁচাতে একটি চক্র মরিয়া হয়ে উঠেছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সচিব কাশেম প্রধানিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ তাকে অনতি বিলম্বে স্বপদে বহাল রাখার দাবীতে খনি এলাকায় মানববন্ধন করা হয়। কয়লা খনি এলাকাবাসীর ব্যানারে এই মানববন্ধন করা হলেও কয়লা খনির আশপাশের ২০ গ্রামের কেউ অংশ নেয়নি এ মানববন্ধনে। সুষ্ঠু তদন্তকে বাঁধাগ্রস্থ করতে কয়লা চুরি’র সাথে জড়িতদের পক্ষে বহিরাগত লোকজন মানববন্ধন করেছে দাবী ২০ গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসী’র নেতা বুলবুলের। শ্রমিক নেতা নূরুজ্জামানের অভিযোগ, বহিরাগতদের দিয়ে করা এই মানববন্ধ মিডিয়ায় কাভারেজ দিতে আবার কতিপয় ব্যক্তিদের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ভাড়া করেও নিয়ে আসা হয়েছে।

এদিকে প্রায় তিন মাস (৮৬ দিন) বন্ধ থাকার পর দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে ৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুর রহমান জানান, ১৩১৪ নম্বর ফেস থেকে কয়লা উত্তোলন চলছে। প্রতিদিন গড়ে কয়লা উত্তোলন হচ্ছে,৩ হাজার মেট্রিক টন। তবে,কোন দিন ৩ হাজার ৬’শ মেট্রিট টন কয়লা উত্তোলন সম্ভব হয়েছে। এই ফেসে ২ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা মজুত রয়েছে। তা উত্তোলন শেষ হলে নতুন করে ১৩০৮ নম্বর ফেস থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হবে। এই ১৩০৮ নম্বর ফেসে প্রায় ৪ লাখ মেট্রিক টন কয়লা মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে গত ১৫ জুন খনির উৎপাদনশীল ১২১০ নম্বর কোল ফেসের উৎপাদনযোগ্য কয়লার মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ১৬ জুন থেকে খনির কয়লা উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। একই সময় খনির কোল ইয়ার্ড ও কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লার মজুদ শূন্যের কোটায় নেমে আসে। এতে কয়লার অভাবে গত ২২ জুলাই বড়পুকুরিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

দীর্ঘ ৫৩ দিন বন্ধ থাকার পর বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা প্রাপ্তির পর ১৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ২ টা ২৭ মিনিটে উৎপাদন শুরু করেছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বলে জানিয়েছেন, বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হাকিম সরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

আশাশুনি প্রতিবন্ধী মেয়েকে বিষ খাইয়ে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে শারিরীক ও মানসিক প্রতিবন্ধী মেয়ের যন্ত্রনা ...

টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় ইঁদুর নিধন উপলক্ষে “ঘরের ইঁদুর, ...