Home | আন্তর্জাতিক | দিনাজপুরে আমন সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ ঃ খাদ্য বিভাগ আশাবাদী

দিনাজপুরে আমন সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ ঃ খাদ্য বিভাগ আশাবাদী

মাহিদুল ইসলাম রিপন, দিনাজপুর প্রতিনিধি, ১১ মার্চ, বিডিটুডে ২৪ডটকম : দিনাজপুর জেলায় সরকারী খাদ্য সংগ্রহ অভিযান লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না। বাজেরর সাথে সরকারী দরের পার্থক্য থাকায়  অতিরিক্ত সময়েও সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। তবে জেলা খাদ্য বিভাগ এখনো লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়ার আশাবাদী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুর এবার আমন মৌসুমে সরকারী খাদ্য শষ্য সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা ছিল সিদ্ধ চাল ২৮ হাজার ৮৩৭ মে. টন ও আতপ ৪ হাজার ৩৭৭ মে. টন। সংগ্রহের শেষ তারিখ ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারী। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারী চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। এর পর খাদ্য বিভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সময়ের আবেদন করেন। সরকার সংগ্রহ অভিযানে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ১৫ মার্চ পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করে। বৃদ্ধি সময়ের ৭ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি।
জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এসময় পর্যন্ত খাদ্য বিভাগ সংগ্রহ করেছে সিদ্ধ চাল ২৪ হাজার ৯০০ মে. টন ও আতপ চাল সংগ্রহ করেছে ২ হাজার ৮০০ মে. টন। ৫ হাজার ৫০০ মে. টন চাল সংগ্রহ এখনো ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতি চাল সংগ্রহ সফল না হওয়ার আশাংকাই বেশী। কারন সরকারী দরের চেয়ে বাজারে চালের দাম অনেক কম। ফলে চুক্তিবদ্ধ চালকল মালিকরা ২/৩ টাকা কেজি প্রতি ক্ষতি দিয়ে সরকারী গুদামে চাল দিতে অনীহা প্রকাশ করছে। একজন মিল মালিক জানায়, কেজি প্রতি ৩ টাকা ক্ষতি হলে প্রতি মে. টনে ৩ হাজার টাকার ক্ষতির শিকার হতে হবে। এমনিতেই দেশের প্রতিটি দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি। পরিবহন ব্যয়, লেবার খরচসহ প্রতি কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা ক্ষতি হয় সরকারী গুদামে চাল দিলে। এমতাবস্থায় বাজার থেকে ধান ক্রয় করে চাল সরকারী গুদামে দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা। তবে সরকার চালের দর কিছু বৃদ্ধি করলে হয়তো চাল দেয়া সম্ভব হবে।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, জেলায় খাদ্য শষ্য সংগ্রহ অভিযান অবশ্যই সফল হবে। বর্ধিত সময়ের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। বিলম্বে অর্জিত হওয়ার কারন হিসাবে তিনি বলেন, বাজারে চাল প্রতি কেজি ২৭ থেকে ২৮ টাকা। আর সরকারী দর ২৫ টাকা প্রতি কেজী। ফলে চুক্তিবদ্ধ মিলাররা সরকারী ক্রয় কেন্দ্রে চাল সরবরাহ করছে না। তবে আশা করি ১৫ মার্চের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।
এ ব্যাপারে খাদ্য বিভাগের প্রতিটি এলএসডি ও সিএসডি’র কর্মকর্তা প্রানপন চেষ্টা করছেন। পুলহাট এলএসডির কর্মকর্তা জানান, এ পর্যন্ত  এই গুদামে সংগ্রহ হয়েছে সিদ্ধ ৪ হাজার ১০০ মে. টন ও আতপ ২ হাজার ২০০ মে. টন। লক্ষ্যমাত্রা ছিল সিদ্ধ ৫ হাজার ২৩৬ মে. টন ও আতপ ২ হাজার ৭৬৩ মে. টন। তবে তিনি বর্ধিত সময় ১৫ মার্চের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন।

x

Check Also

অবশেষে বৈঠকে বসছে ভারত ও পাকিস্তান

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : দুই বছর পর সিন্ধুর জল বণ্টন নিয়ে মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) ভারতের সঙ্গে ...

এক শটে বাংলার বাইরে ফেলব ওদের : মমতা

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ভাঙা পা নিয়েই শেষ মুহুর্তের নির্বাচনি প্রচারে মাঠ গরম করছেন ...