ব্রেকিং নিউজ
Home | ব্রেকিং নিউজ | দিনাজপুরে‘‘দুদক” অভিযানে স্বস্তি ফিরেছে রেগিদের

দিনাজপুরে‘‘দুদক” অভিযানে স্বস্তি ফিরেছে রেগিদের

দিনাজপুর প্রতিনিধি : ‘‘দুদক” অভিযানে স্বস্তি ফিরে ফিরেছে,দিনাজপুরের সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে আগত রেগিদের। চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতিতে স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে তারা। যদিও দায়িত্ব পালনে এখন কৌশল অবলম্বন করছেন চিকিৎসকরা। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট দিনাজপুর জেলারেল হাসপাতালে ২১ জানুয়ারী হঠাৎ দুদক এর অভিযানে সৃষ্টি হয়েছে এ পরিস্থিতি। দুদক বলছে, অভিযানের সময় চিকিৎসকদের ৪০ ভাগই হাসপাতালে ছিলো অনুপস্থিত । আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, চিকিৎসকরা হাসপাতালে উপস্থিত হয়েও হেয়ালিপনায় উপস্থিতি খাতায় সই-স্বাক্ষর না করায় দুদকের কাছে অনুপস্থিতি ধোরা পড়ে। ছুঁটিতে থাকা ৪ জন বাদে সব চিকিৎসকরা এখন হাসপাতালে উপস্থিত রয়েছে বলে দাবী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের সহকারী পরিচালক আহসানুল কবীর পলাশের নেতৃত্বে এ অভিযান চলে। চিকিৎসকদের ৪০ ভাগই ছিলো না হাসপাতালে। স্বাস্থ্য সেবা মান নিশ্চিত করতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা দুদকের উপ-পরিচালক বেনজির আহমেদ।

এদিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট দিনাজপুর জেলারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায় ডা. আহাদ আলী বলেছেন, চিকিৎসকরা হাসপাতালে উপস্থিত হয়েও হেয়ালিপনায় উপস্থিতি খাতায় সই-স্বাক্ষর না করায় সেদিন দুদকের কাছে অনুপস্থিতি ধোরা পড়ে। ছুঁটিতে থাকা ৪ জন বাদে সব চিকিৎসকরা এখন হাসপাতালে নিয়মিত উপস্থিত থাকছেন বলে তিনি দাবী করেছেন। তিনি বলেন, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট দিনাজপুর জেলারেল হাসপাতালে ৫৮ জন চিকিৎসক প্রয়োজন। তারমধ্যে ৩৩ জন চিকিৎসকের পদেই শূণ্য রয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ২৫ জন কিচিৎসক কর্মরত রয়েছেন। শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় জেনারেল হাসপাতালে

রোগির আগম বেশি। এই স্বল্প সংখ্যক চিকিৎস দিয়ে প্রতিদিন গড়ে আউটডোরে ৫০০ থেকে ৬৫০জন রোগি এবং ইনডোরে ২০০ থেকে ২৫০জন রোগির চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও জরুরী বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৭৫ থেকে ৮৫জন চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করছে। গতমাসে এ হাসপাতালে ৭২জন প্রসূতি স্বাভাবিক প্রসব এবং ৪২ জন প্রসূতি’র সিজার প্রসব করানো হয়েছে। ৩৩ জন শূণ্য চিকিৎসকের মধ্যে হৃদরোগ,নাক-কান-গলা ও যৌন-চর্ম’র মতো গুরুত্বপূর্ণ ৩ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ শূণ্য রয়েছে এ হাসপাতালে। তার পরও চিকিৎসা সেবা স্বাভাবিক ভাবেই পরিচালিত হচ্ছে এ হাসপাতালে। এমনটাই দাবী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

আজ রোববার দুপুরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট দিনাজপুর জেলারেল হাসপাতালে সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় কয়েকজন রোগি ও তাদের সাথে আসা স্বজনদের সাথে। পেটের পীড়ায় আক্রান্ত রোগি কবিরুল ইসলাম জানালেন, চিকিৎসক রয়েছে হাসপাতালে। ওষুধও পাওয়া গেছে। শুধু দু’টি ওষুধ না থাকায় তা বাইরে ফার্মেসি থেকে ক্রয় করেছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কক্সবাজারের ফাতেরঘোনার ৪ হাজার ভুমিহীন পরিবার

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার : কক্সবাজার পৌরসভার পুর্ব লাইট হাউজ ফাতেরঘোনা এলাকার ...

গোপালগঞ্জে কচুরিপানার উপর ভাসমান পদ্ধতিতে নিরাপদ সবজি চাষে লাভবান কৃষকরা

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : বাড়ির আঙ্গিনা ও পতিত জমিতে কচুরিপানার উপর ...