Home | ফটো সংবাদ | ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বীর নির্বাচনে দাঁড়ানো একটা চক্রান্ত : শামীম ওসমান

ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বীর নির্বাচনে দাঁড়ানো একটা চক্রান্ত : শামীম ওসমান

Shamim Osman photoস্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জে হত্যাকাণ্ডের শিকার মেধাবী শিক্ষার্থী তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বীর নির্বাচনে দাঁড়ানোকে চক্রান্ত হিসেবে দেখছেন সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের বাসায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শামীম ওসমান বলেন, রফিউর রাব্বী একজন ঋণ খেলাপি। একটি ব্যাংক তার কাছে ১৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা পায়। এছাড়া একটা গার্মেন্টস কোম্পানির নামে তিনি ঋণ নিয়েছেন। অথচ ওই গার্মেন্টে কোনো মেশিনই নেই।

তিনি বলেন, একজন ঋণ খেলাপি হয়েও তিনি নির্বাচন করার জন্য মনোয়নয়নপত্র কিনেছেন। এটি একটি চক্রান্ত। হয়তো কোনো মহল তাকে দিয়ে এই চক্রান্ত করাচ্ছেন। ওই মহল আমার বিরুদ্ধে সব সময়ই সক্রিয়। তারা হয়তো বলেছে নির্বাচন করেন আমরা আপনার ঋণ শোধ করে দেবো। আমার আশঙ্কা আজ হয়তো তিনি নির্বাচন করছেন। দেখা গেল কাল তিনি আর ‘নাই’।

এসময় নূর হোসেনের সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, শুধু এই বিষয় নয়। আমার বিরুদ্ধে একটি মহলই আছে যারা এসব করে। তারা আমার বিরুদ্ধে সব কিছু খুঁজে খুঁজে বের করে। এটা তো আর কোনো সাংবাদিক বা কোনো রাজনীতিক করেনি। এটা করেছে কোনো গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা। আমি জানি এবং বুঝি। আমি বুঝেই কথা বলি। না বুঝে কথা বলি না।

শামীম ওসমান বলেন, একজন তদন্ত কর্মকর্তা আছেন। তিনি গত দুই বছর ধরে আমার বিরুদ্ধে তদন্ত করছেন। কিন্তু আমার দুঃখটা হলো তদন্ত প্রতিবেদন কোর্টে যাওয়ার আগে পত্রিকায় চলে যায়। তাও আবার একটি বিশেষ পত্রিকায়।

তিনি বলেন, আজকেও আমার (শামীম ওসমান) আর নূর হোসেনের মধ্যে একটি ফোনালাপ প্রকাশ করা হয়েছে। এটিও প্রথম আলোই আগে পেয়েছে। এটি যদি কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, মানবকণ্ঠ কিংবা অন্য কোনো পত্রিকায় যেতো, আমি হ্যাপি (খুশি) হতাম। কিন্তু এটিও ওই বিশেষ পত্রিকায় গিয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকাশিত ফোনালাপের পুরো কথা এখানে নেই। আংশিক আছে, আংশিক নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের এই সাংসদ বলেন, আমার সঙ্গে ফোনে নূর হোসেন কথা বলছেন, গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা জানতেন ওই সময় নূর হোসেন ধানমন্ডি-৪ নম্বর রোডে আছেন।

এ সময় শামীম ওসমান পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, তারা (গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা) যদি জানতেন নূর হোসেন ধানমন্ডিতে আছেন, তা হলে তাঁরা নূর হোসেনকে ধরলেন না কেন?

তিনি প্রথম আলোর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই পত্রিকাটি আসলে কী চায়। তারা কী দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় নাকি আমাকে ‘মারতে’ চায়।

তিনি বলেন, আমার পরিবার থেকে আর রাজনীতি করতে চাই না। আমি নিজেও আর রাজনীতি করতে চাই না। আমি আর পারছি না। আমি টায়ার্ড। রিয়েলি আমি খুব টায়ার্ড।

তিনি নিজের জন্য শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আমি শক্তিশালি নই। যারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে তাদের তুলনায় আমি দুর্বল, অসহায়।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জে আমার লোকজনকে নির্মমভাবে হত্যা ও গুম করা হচ্ছে। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। শিশুরাও সেখান থেকে বাদ যায়নি। আমার রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

শুক্রবার ঢাকা আসছেন ভারতের সেনাপ্রধান

স্টাফ রিপোর্টার :  সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের আমন্ত্রণে ঢাকা আসছেন ...

কুমিল্লা ও সুনামগঞ্জে বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার :  জাতীয় সংসদের সুনামগঞ্জ-২ আসন ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন উপলক্ষে ...