Home | সারা দেশ | তাহিরপুরে জমজমাট ঈদ বাজার

তাহিরপুরে জমজমাট ঈদ বাজার

এম.এ রাজ্জাক,তাহিরপুর(সুনামগঞ্জ)থেকে : সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের তিনটি (বড়ছরা-ছারাগাও-বাগলী) ষল্কষ্টেশন দীর্ঘ ৬ মাস বন্ধ থাকার কারণে এবার একটু দেরিতেই ঈদের আগের দিন উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। রেডিমেট পোষাক,শাড়ির দোকান,পাঞ্জাবীর দোকান,ছিট কাপড়ের দোকান,টেইলার্স,প্রসাধনী সহ জুতার দোকান সব বাজারেই আগের তুলনায় ক্রেতাদের ভীড় ল্য করা গেছে।
রবিবার বাদাঘাট বাজারে দেখা গেছে,কাপড়েরের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের আকৃষ্ঠ করার জন্য রকমারী পোসাক সাজানো রয়েছে। রেডিমেট কাপড়ের দোকান গুলোতেও ছেলে,মেয়ে ও শিশুদের জন্য এসেছে নানা নামের ও দামের পোষাক। এবার  ঈদে বাজার দখল করে রেখেছে টাঙ্গাইল শাড়ী ও ভারতীয় পোষাক সামগ্রি। টাঙ্গাইল সিল্ক,সুতির পাশাপাশি, জামদানী শাড়িও প্রচুর বিক্রি হচ্ছে। মেয়েদের পোষাকের মধ্যে পাখি নামে লং জিপসী বিক্রি হচ্ছে বেশি। আজাদ বস্রালয়ের স্বতাধীকারী হাবিব সরোয়ার আজাদ,সেন বস্্রালয়ের মালিক বানু সেন জানান,তাদের দোকানে ছোটাদের পাখি থ্রি পিস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা এবং বড়দের ৫হাজার টাকা। সুতি লং জিপসী ১৫শ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা। লেহাঙ্গা শাড়ি ২ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা। মহিনী কাতান ২ হাজার টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা। টিসু কাতান ১২শ’ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা। টপস্ লেহেঙ্গা  ২ হাজার থেকে ২৫শ টাকা, বড়দের থ্রি পিচ আকসারা,ঝিলিক,ফুলকি, খুশি আর আনার কলি ৩ থেকে ৩৫শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছেলেদের শর্ট ও লং পাঞ্জাবী ১ হাজার ৫শ টাকায়, শর্ট ও লং শার্ট ৭শ থেকে ১২শ টাকায়। টি শার্ট ৭শ থেকে ১ হাজার টাকায়, শিশুদের পাঞ্জাবী ২শ থেকে ৫শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এবারে খাকি প্যান্ট, চায়না, কাতুয়া প্যান্ট বেশি বিক্রি হচ্ছে। এসব প্যান্টের মূল্য ৫ শ’ টাকা থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা, জিন্স প্যান্ট ১৪ থেকে ১৫শ টাকায়। এবারে ঈদে বেশ কিছু নতুন নামের শাড়ি এসেছে। রাশি,চন্দ্রি, কুমকুম সহ বাহারি নামের শাড়ি। আর ঢাকাই জামদানী,টাঙ্গাইল সিল্ক,রাজশাহী সিল্ক,জামদানী তসর সিল্ক,জর্জেট তো আছেই। এসব শাড়ি নাম ও প্রকার ভেদে মূল্য নির্ধারন করে রেখেছেন দোকানীরা। তবে এবারে বাজারে শাড়ির দাম একটু বেশী বলেন দোকানীরা। প্রসাধণী ও জুতার দোকানেও ক্রেতাদের ভীড়। বিশেষ করে প্রসাধণীর দোকান গুলোতে মেয়েদের আলতা, মেহেদী ও নানা রকম কসমেটিকস কেনার উপচে পড়া ভীড়। পাশাপাশি টুপি ও আতরের দোকানেও রয়েছে ক্রেতাদের ভীড়।
রাহাত ফার্মেসীর মালিক ডা.শফিক বলেন,গতবারের চেয়ে এবারে ঈদে কাপড়ের দাম তুলনামূলক একটু বেশী। আর তাই এবারে মধ্যবিত্ত ও নি¤œ আয়ের মানুষের জন্য পছন্দের পোষাক ক্রয় করা একটু কষ্ট সাধ্য হয়ে দাড়িয়েছে।
ইমরান এন্টারপ্রাইজের মালিক মো.নুর মিয়া ও মো.কদ্দুছ মিয়া জানান,তাহিরপুর সীমান্তের তিন ষল্কষ্টেশন ৬মাস বন্ধ থাকায় অন্যবারের তুলনায় এসব দোকান গুলাতে বিক্রি একটু কম। তবুও ঈদের আনন্দ থেকে মানুষ পিছিয়ে নেই। সকলেই তাদের সাধ্য অনুযায়ী ঈদে পরিবারের জন্য বাজারে কাপড়-চোপড় কেনার জন্য নেমে পড়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ফকিরহাট বাল্য বিবাহ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

সুমন কর্মকার, বাগেরহাট (ফকিরহাট) প্রতিনিধি :  বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের সিএসএস ...

উত্ত্যক্তকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় স্কুল ছাত্রকে মারধর

মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল,নোয়াখালী প্রতিনিধি: এলাকার মেয়েদের উত্ত্যক্তকারীর বিরুদ্ধে কথা বলায় উত্ত্যক্তে বাধা ...