Home | ব্রেকিং নিউজ | তাহিরপুরে এক স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে সরকারী চাকুরীর অভিযোগ

তাহিরপুরে এক স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে সরকারী চাকুরীর অভিযোগ

জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার তথ্য গোপন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরীতে যোগদানের অভিযোগ উঠেছে কুকরকান্দি সরকরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। শিক্ষিকা পপি সরকার বাবার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার এবং সেখানেই তিনি ভোটার হয়েছে^ন। আর তার স্বামীর বাড়ি নেত্রকোনা জেলার বারহাট্র উপজেলার নলূয়া গ্রামে। এমন খবর প্রকাশ হবার পর থেকেই ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে উপজেলার সর্বত্রই। আর সবার মাঝে প্রশ্ন জেগেছে তাহলে কি ভাবে সরকারী নিয়মবর্হিভূত ভাবে সরকারী চাকরীতে যোগদান করল। এই নিয়ে উপজেলা থেকে আবেদনকারী অনেকের মাঝেই ক্ষোবের সঞ্চার হয়েরে।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, ২০১৪সালে জানুয়ারী মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দিলে তিনি আবেদন করেন পপি সরকার। আবেদন পত্রে স্থায়ী ঠিকানায় তিনি উল্লেখ করেন নাম পপি সরকার,স্বামী সেন্টু সরকার,গ্রাম চিকসা,ইউনিয়ন তাহিরপুর সদর,পোস্ট অফিস-থানা তাহিরপুর,জেলা-সুনামগঞ্জ। গত সেপ্টেম্বর মাসে ২০১৪সালে অনুষ্টিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চুড়ান্ত ফলাফর প্রকাশ হলে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন পপি সরকার। তখন থেকে বিষয়টি স্থানীয় ভাবে জানা-জানি হলে আটকে যায় পপি সরকারের যোগদান। তারপর রহস্যজনক ভাবে এবং সবার অগোছরে পপি সরকার গত ২৪অক্টেবর সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের কুকুরকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বর্তমানে তথ্য গোপন করে পপি সরকারের চাকুরীতে যোগদানের বিষয়টি এলাকায় শিক্ষিত মহলের মধ্যে ব্যাপক গুঞ্জন চলেছে।

এ বিষয়ে কথা হয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও পাঠাবুকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার দের সাথে। তিনি বলেন,তথ্য গোপন করে চাকুরীতে যোগদানের বিষয়টি আমি শুনেছি। শুধু এটিই তাহিরপুরে প্রথম নয় এর আগেও আরও তিনজন বহিরাগত তথ্য গোপন করে প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকুরীতে যোগদান করেছেন তাহিরপুর উপজেলায়।

কুকুরকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক হীরা মিয়া বলেন,যোগদানের বিষয়ে প্রথমে একটু জামেলা হয়েছিল। বিষয়টি বর্তমানে মিটমাট হয়েছে। তবে কিভাবে মিটমাট হয়েছে তা তিনি বলেন নি।

কুকুরকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সদ্য যোগদানকৃত সহাকারী শিক্ষিকা পপি সরকারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আমি ভোটার ময়মনসিংহ জেলার। আমার স্বামীর বাড়ি নেত্রকোনা জেলার বারহাট্রা উপজেলায়। চাকরী পাওয়ার পর তার স্বামী তাহিরপুরের চিকসা গ্রামে জায়গা কিনেছেন বলেও তিনি জানান।

বাদাঘাট ইউনিয়ন ক্লাস্টার অফিসার ও উপজেলা সহ-কারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম রাব্বী জাহান বলেন,যোগদানের বিষয়টি ভাল বলতে পারবেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহোদয়।

তাহিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আকিকুর রেজা বিডিটুডেকে বলেন,উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমি যোগদান নিয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

বিআরটিসি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : তাসরিফ খান। তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন ...

গণপিটুনির ঘটনায় কাউকে ছাড় নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টাফ রির্পোটার : যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনির মতো ঘটনা ঘটাবে—তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ...