ব্রেকিং নিউজ
Home | ব্রেকিং নিউজ | তারেক-ফখরুলসহ বিএনপির ৯ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

তারেক-ফখরুলসহ বিএনপির ৯ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ডেস্ক রির্পোট : ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ এনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের ৯ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলার দায়ের করেন।

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদারের আদালতে শুনানি শেষে সবার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

আগামী ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের আইএস দিয়ে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মামলার আবেদন করা হয়েছিল।

মামলার বাদী এবি সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলা করার পর তিনি জানান, বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের নেতাকর্মীদের নামে মামলা করায় আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন আসামিরা। সর্বশেষ আইএসের নামে আমার বাসায় চিঠি পাঠানো হয়। তাই আমি আদালতে মামলা করেছি।

মামলার আসামিরা হলেন-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বুয়েটের বহিষ্কৃত শিক্ষক হাফিজুর রহমান রানা ও ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ভূঁইয়া।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৩ জুলাই আমার বাসায় একটি রেজিস্ট্রি চিঠি পাঠিয়েছেন বুয়েটের শিক্ষক হাফিজুর রহমান রানা। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ওই শালারপুত গোপালী এ বি সিদ্দিকী বিশ্ব মামলাবাজ তুই বড় বাড়াবাড়ি করছিস তোর বোন শেখ হাসিনার দাপট দেখাচ্ছিস। তোর মামলায় আমার জীবন নষ্ট হয়েছে। আর আমাদের মা বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেলখানায় বন্দি রেখে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছিস। আইএসের কাছে পাঠিয়েছি। এবার তোরা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাক।

এর আগে গত মে মাসে তারেক রহমান আমাদের নেতাদের নির্দেশ দিয়েছিল তোকে খুন করার জন্য। তাই আমাদের নেতারা আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু নারায়ণগঞ্জের কুখ্যাত ছাত্রদলের ক্যাডার যিনি তারেক রহমানের বিশ্বস্ত ব্যক্তি এমদাদুল হককে তার বাহিনী নিয়ে তোকে কোর্টকাচারির আশপাশে খুন করার জন্য আটক করেছিল। কিন্তু বংশাল থানার আশপাশে থাকায় এবং কাকুতি মিনতি করায় তারা তোকে শর্ত দিয়ে ছেড়ে দিয়েছিল। এক মাসের মধ্যে সব মামলা প্রত্যাহার করে নিবি। তুই আমাদের বিরুদ্ধে উল্টো ছিনতাই মামলা দিয়েছিস। তাই আমাদের নেতা তারেক রহমান ক্ষুব্ধ হয়ে আইএসসহ আমাকে পাঠিয়েছে। এইবার আর তোরে কেউ বাঁচতে পারবে না প্রস্তুত হয়ে থাক।’

এবি সিদ্দিকী বলেন, হুমকির পরের দিন সরকারের কাছে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা চেয়ে হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছি। আজ মামলা করেছি। দণ্ড বিধির ১০৯/৫০৬ ধারায় আসামিদের অপরাধ আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া অন্যান্যরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, বুয়েটের বহিষ্কৃত শিক্ষক হাফিজুর রহমান রানা ও ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ভূঁইয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মদনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি ও লাইসেন্স না থাকায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

সুদর্শন আচার্য্য, মদন (নেত্রকোনা) ঃ নেত্রকোনার মদন পৌর সদরের ৬টি দোকানে অভিযান ...

সিলেটের বন্যায় কবলিতদের পাশে “পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাব”

আনোয়ার এইচ খান ফাহিম ইউরোপীয় ব্যুরো প্রধান, পর্তুগালঃ বাংলাদেশের সিলেটে স্মরণকালের সবচেয়ে ...