ব্রেকিং নিউজ
Home | জাতীয় | ঢাবির বিভিন্ন বিভাগে চালু থাকা সান্ধ্যকালীন কোর্স বাতিলের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ঢাবির বিভিন্ন বিভাগে চালু থাকা সান্ধ্যকালীন কোর্স বাতিলের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

স্টাফ রির্পোটার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্স নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ সমালোচনা করেছেন। ঢাবির বিভিন্ন বিভাগে চালু থাকা সান্ধ্যকালীন কোর্স বাতিলের আহ্বান জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার ঢাবির ৫২তম সমাবর্তনে আচার্য হিসেবে অংশ নিয়ে এ আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ বলেন, ‘ইভনিং শিফট সিস্টেমটা আমার কাছে কেন জানি ভালো লাগে না। ইভিনিং শিফটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার মতো কোনো অবস্থা থাকে না। দয়া করে এটা বাতিল করা যায় কিনা সেটা আপনারা বিবেচনায় নিবেন।’

স্নাতক সম্পন্ন করার পর ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে ঢাবির নিয়মিত ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আসা শিক্ষার্থীরা সান্ধ্যকালীন একাধিক মাস্টার্স বা অন্য কোনো কোর্সে ভর্তি হয়ে থাকেন।তবে সান্ধ্যকালীন এসব কোর্স নিয়ে খোদ বিশ^বিদ্যালয়টির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের শিক্ষকদের মধ্যেও মতভেদ রযেছে। ঢাবির অনেক শিক্ষকই এই কোর্স চালু রাখার পক্ষে নন।

আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীরাও সান্ধ্যকালীন কোর্সগুলি নিয়ে নানা সময়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। এসব কোর্স বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে একাধিক ছাত্র সংগঠনও।ঢাবিতে সান্ধ্যকালীন কোর্স নিয়ে এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ সমালোচনা করেছেন। সান্ধ্যকালীন কোর্স থেকে শিক্ষকদের আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

সেই প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার ছেলেমেয়ে। আমি শুনেছি, তাদের এমন সব বিষয় আছে এরমধ্যে ইন্টারন্যাশনাল বিনজেস নামের একটা বিষয়ে ২২টা কোর্স আছে যেটার প্রত্যেকটা কোর্স সম্পূর্ণ করতে ১০ হাজার টাকা লাগে। ২২টা কোর্সে ২ লাখ ৩০ হাজার লাগে শিক্ষার্থীদের।’

এসব অর্থের অর্ধেক শিক্ষকরা পান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি শুনেছি এই অর্থের অর্ধেক টাকা শিক্ষকরা পান, বাকিটা ডির্পামেন্ট পায়। ডির্পামেন্টের টাকা কী হয় সেটা আমি জানি না। তবে শিক্ষকরা পায় যেটা সেটা জানি। আমি এটাও জানি যারা পিএইচডি বা ডক্টরেট করা তারা এসব ক্লাস নেয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বেলা ১২টায় শুরু হওয়া এই সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানের উপস্থিতিতে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্ততা দেন জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের কসমিক রে রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক তাকাকি কাজিতা।

ঢাবির ৫২তম সমাবর্তনে অংশ নিতে নিবন্ধিত হয়েছেন ২০ হাজার ৭৯৬ জন স্নাতক ডিগ্রিধারী। এদের মধ্যে ১০ হাজার ৬৭৩ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী। আর অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থী ১০ হাজার ৪৪ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মদনে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

সুদর্শন আচার্য্য, মদন (নেত্রকোণা)ঃ বঙ্গবন্ধুর দর্শন, সমবায়ে উন্নয়ন এই প্রতিপাদ্যটি সামনে রেখে ...

পর্তুগালে মুক্তি পাচ্ছে বাংলাদেশী সিনেমা “হাওয়া”

পর্তুগাল প্রতিনিধিঃ ১৫ই অক্টোবর হাওয়া পর্তুগালে বানিজ্যিক ভাবে মুক্তি পাচ্ছে বাংলাদেশী সিনেমা ...