Home | ব্রেকিং নিউজ | ড. কামাল বললেন- এটি লজ্জাস্কর, লজ্জাস্কর, লজ্জাস্কর

ড. কামাল বললেন- এটি লজ্জাস্কর, লজ্জাস্কর, লজ্জাস্কর

স্টাফ রির্পোটার : নির্বাচনে পুলিশকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। পুলিশের আচরণ কখনও এমন দেখিনি। আমি বেঁচে আছি। আর অনেক ইলেকশন দেখেছি। কিন্তু এমন ইলেকশন দেখিনি। এটি লজ্জাস্কর, লজ্জাস্কর, লজ্জাস্কর। বলেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

ড. কামাল বলেন, ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলব, সাহস থাকলে ধরেন।’

বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে ড. কামাল বলেন, জনগণের মধ্যে ভোটাধিকারের সঠিক প্রয়োগ নিয়ে সন্দেহ দিন দিন বাড়ছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের বিশ্বাস ভেঙে গেছে।

নির্বাচনে প্রশাসন সঠিক আচরণ করছে না অভিযোগ করে ড. কামাল বলেন, পুলিশের অপব্যবহার বন্ধ করুন। পুলিশকে থামান।

নির্বাচন সামনে রেখে বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা-মামলা ও গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়ে ড. কামাল বলেন, সাহস থাকলে আমাকে গ্রেফতার করুন।

তিনি আরও বলেন, দুর্বল আদালত হলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয় না। মানবাধিকার সুরক্ষিত হয় না। তাই আদালত-বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা করাটা জরুরি।

বিচারকদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রবীণ এ আইনজীবী বলেন, যেসব বিচারপতি অতীতে তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেননি, পরবর্তী সময়ে তাদের ধিক্কার পেতে হয়েছে।

ড. কামাল বলেন, আমাদের সংবিধানে মানবাধিকারের কথা বলা আছে। এই সংবিধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাক্ষর করে গেছেন। অথচ সেই সংবিধান এখন মানা হচ্ছে না।

‘যেসব বিষয় বঙ্গবন্ধু সারাজীবন অনুশীলন করেছেন, যেসব বিষয়ে তার স্বাক্ষর আছে, সেগুলো প্রতিপালন না করলে তাকে অসম্মান দেখানো হয়। শুধু দেয়ালে তার ছবি রাখলেই তাকে শ্রদ্ধা জানানো হয় না’-যোগ করেন ড. কামাল।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেন, সংবিধানে আইনের শাসনের কথা বলা আছে। গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলা আছে। ভোটের অধিকারের কথা বলা আছে। সংগঠন করার অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলা আছে। এগুলো বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলামরা মেনে গেছেন।

তিনি বলেন, অথচ আজকে সর্বত্র মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। দেশের মানুষের ভোটের অধিকার নেই, গণতান্ত্রিক অধিকার নেই। এসব লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে তাদের (জাতীয় নেতা) অসম্মান করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মন্ত্রিসভায় বৈষম্যবিরোধী আইনের খসড়ার অনুমোদন

স্টাফ রিপোর্টার: মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধে বৈষম্যবিরোধী আইন, ২০২২-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত ...

চট্টগ্রামে ৩ ছিনতাইকারি গ্রেফতার

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে মাইক্রোবাসে তুলে জিম্মি ...