Home | বিবিধ | আইন অপরাধ | টেকনাফ মাদকের বুকে কুখ্যাত ইয়াবা ডন হামজালাল বীরদর্পে

টেকনাফ মাদকের বুকে কুখ্যাত ইয়াবা ডন হামজালাল বীরদর্পে

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার : ইয়াবার উৎস ভুমি মিয়ানমার। আর ইয়াবা বুক খ্যঠু টেকনাফ। মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা আর টাস্কফোর্সের অভিযানের পরেও এই ইয়াবা বুকেই মাফিয়া খ্যাত হামজালাল সিন্ডিকেট ভাঙ্গেনি। বীরদর্পে এলাকায় চষে বেডিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। আর তাকে ছায়ার মতো সহযোগীতা করছে সরকারী দলীয় টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এক নেতা। অবশ্য ওই নেতার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ না থাকলেও তার ছত্রছায়ায় রয়েছেন ইয়াবা ব্যবসার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এমন অন্তত ২০ ব্যক্তি। এদের মধ্যে সিন্ডিকেট হোতা রয়েছে প্রতিষ্ঠিত ইয়াবা কারবারী ও একাধিকবার ইয়াবা চালান নিয়ে আটক হওয়া হামজালাল নামের ব্যক্তি। সময় অসময়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় মাদক ব্যবসায়িদের মামলার তদবিরসহ বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা দেয়ার অভিযোগ রয়েছে ওই সরকার দলীয় নেতার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় গরু আমদানিকারকের ছদ্মাবরণে হাম জালাল মিয়ানমার থেকে গরুর পাশাপাশি গত কয়েক বছর ধরে বড়ো বড়ো ইয়াবার চালান এনেছে। এগুলো পাচার করতে গিয়ে ধরাও খেয়েছে অনেক বার।

অনুসন্ধানে জানাগেছে, গত ১০/১৫ বছর আগের কথা। টেকনাফ শহর তখন বিকশিত হচ্ছে। সীমান্ত শহরের মাফিয়া ডনদের নিরাপদ আস্তানা হয়ে উঠে বেশ কয়েকটি নেতার ঘর। অনেকে এই ঘরগুলোকে হোয়াইট হাউজ ইন টেকনাফ ও মাফিয়া ডন হাম জালালদের নতুন আস্তানা বলে বেড়াত।

মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান, স্বর্ণ চোরাচালান, জাল টাকার ব্যবসা, অস্ত্র সরবরাহ, চাঁদাবাজি, কন্ট্রাক্ট কিলিং- এসব কাজ ওই নেতার বাসাতে বসেই করতো হামজালালের কুখ্যাত ‘ইয়াবা সিন্ডিকেট’। ইয়াবা ডন হামজালাল সিন্ডিকেটে উল্লেখযোগ্য সদস্য ইয়াছিন আরাফাত, শীর্ষ ইয়াবা খুনি ছিদ্দিক, জসিম উদ্দীন, ভাতিজা সফিক আলম, ইয়াবা সুন্দরী রশিদা বেগম, শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ, ইয়াবা রবিউল ও তুহিনসহ অন্তত ২০ সদস্যের ইয়াবা সিন্ডিকেট।

এসব কুখ্যাত ডনরা। মিয়ানমার ছাড়াও টেকনাফ, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ঢাকাসহ পুরো দেশে জুড়ে ছিলো আছে হাম জালালদের নেটওয়ার্ক।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, ইয়াবা ডন এর পাশাপাশি দিনদুপুরে জ্যান্ত মানুষ হত্যাকারী হামজলাল। ইয়াবা পাচার সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় তার অন্তত ডজনাধিক মামলা। হামজালালের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য মামলা রয়েছে, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানা মামলা নং- ১৬, জিআর-৫৪। মাদক সহ আটক আটক হন ৯ ফেব্রুয়ারী ২০০১৬। ডিএমপি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা মামলা নং- ৩৭, জিআর- ৩১৬। ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ট আটক হওয়া মাদক মামলার আসামী। টেকনাফ থানা মামলা নাম্বার ৩৫/জিআর ৫৯১/তাঃ ১৫সেপ্টেম্বর ২০১৫.হত্যা মামলা। টেকনাফ থানা মামলা নং-৩৭, জিআর-২২৪. তাং-৩১জুলাই ২০০৮। টেকনাফ থানার এসিড নিক্ষেপ মামলা নং-১৪, জিআর-১২৮, তাং-৩১আগষ্ট ২০০৫ সাল। টেকনাফ থানা মামলা নং-১১, জিআর-৫৬, তাং- ২৫ এপ্রিল ২০০৫ সাল।

সুত্রে আরো জানা গেছে, ইয়াবা ডন হাম জালালের ইয়াবাসহ হাটাজারি মাদ্রাসার ছাত্র চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানায় ২০১৭ সালের জুন মাসে আটক হন হামজলালের আপন ভাগীনা ইয়াছিন আরাফাত। তবে কালো টাকার বিনিময় অল্পদিনের মধ্যে জামিনে বেরিয়ে আসে আরাফাত।

মাফিয়া ডনের আরেক সদস্য শীর্ষ ইয়াবা কারবারী ও খুনি ছিদ্দিক। তার বিরুদ্ধেও রয়েছে অসংখ্য মামলা। ইয়াবা কারবারী ছিদ্দিক ২০১৬ সালের ১৮ ডিসেম্বর ইয়াবাসহ গ্রেফতার হন। এঘটনায় ডিএমপি ঢাকা শাহবাগ থানার মামলা নং- ১৮, জিআর-৪৬৪, তাং ১৮ডিসেম্বর ২০১৬। কর্ণফুলী থানার ফন্নিরহাট এলাকা হতে সরকারী ষ্টীকার লাগানো পাজেরো জীপ থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় আটক জসিম ইয়াবা ব্যবসায়ী ফরিদুল আলমের চাচাতো ভাই নগর গোয়েন্দা পুলিশকে জানান, ইয়াবাও গাড়ীর মালিক হামজালালের আপন ভাগিনা ফরিদুল আলম প্রকাশ ডাকাত ফরিদ ও ভগ্নিপতি ছিদ্দিক আহম্মদ প্রকাশ ব্লেকার ছিদ্দিক। নগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে ও আদালতে১৬৪ জবানবন্দি দেন এই জসিম। ইয়াবা উদ্ধার মামলাতে ধৃত আসামীর জবানবন্দীতে ইয়াবার মালিক খুনি ছিদ্দিক ৩নং আসামী করা হয়। গত বছরের ১৪ মার্চ শিক্ষা উপসচিবের স্টীকার লাগানো গাড়ী থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্বার করেন কক্সবাজারের ডিবি পুলিশ। এসময় ২ জনকে আটক করা হয়। এঘটনায় যার রামু থানার মামলা নং-২১, জিআর-৭৫ দায়ের করা হয়। এসময় তৌহিদূর রহমান সহ আটক ২জন ডিবি পুলিশের কাছে স্বীকার করেন, গাড়ী ও ইয়াবার মালিক ইয়াবা সম্রাট ছিদ্দিকের ছেলে রবিউল আলম ও খুনি ছিদ্দিক আহম্মদ। এই মামলাতে আসামী করা ইয়াবা ছিদ্দিকের ছেলে রবিউ কে। এই রবিউল শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে শিক্ষার্থীর আড়ালে দীর্ঘ দিন ইয়াবা ব্যবসা করে আসছেন এবং ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা পাচার করে যাচ্ছে রবিউল আলম। এই রবিউলের মামা হচ্ছে ডন হামজালাল। আর হামজালের ড্রাইভার মোঃ ইউছুফ সহ ১৯৯০,পিস ইয়াবা সহ আটক হন লোহাগড়া থানায়,লোহাগাড়া থানা মামলা নং১৬/৫৪,

ইয়াবা কারবারী ছিদ্দিকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার মধ্যে আরো রয়েছে, সিএমপি কর্ণফুলী থানা মামলা নং- ৪০, জিআর-১৪৬, তাং ২৫শে মার্চ ২০১৮। (সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়িতে থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা সহ ধৃত আসামী জসিম উদ্দীনের জবানবন্দীতে ইয়াবার মালিক ছিদ্দিক)। টেকনাফ থানার হত্যা মামলা নং- ৩৫, জিআর-৫৯১,তাং- ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ (আলোচিত মার্কিন হত্যা মামলা)। টেকনাফ থানা মামলা নং- ২৩, জিআর-২৪৯,তাং- ৮ এপ্রিল ২০১৫ ও টেকনাফ থানা মামলা নং- ২১।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মিয়ানমার থেকে ছিদ্দিকের ইয়াবা পাচার কাজে ব্যবহার করে ভাতিজা সফিক আলমকে। ইয়াবা ছিদ্দিকের ছোট ভাই টেকনাফের আলোচিত মার্কিন হত্যা মামলার অন্যতম আসামী জালাল আহম্মদের ছেলে সফিক টেকনাফ বর্ডার গার্ড বিজিবির হাতে নাফ নদী থেকে ইয়াবা সহ আটক হয়েছিল ১৫ সালে। এঘটনায় টেকনাফ থানার জিআর মামলা নং- ৪৯৯/১৫।এই মামলায় কিছু জেলে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও ইয়াবা পাচার কাজে ব্যাবহার করে আসছে তার চাঁচা শীর্ষ ইয়াবা কারবারি খুনি ছিদ্দিক। সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর টেকনাফ নাজির পাড়ার বিওপি ক্যাম্পের বিজি সদস্যদের হাতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ আবারো গ্রেফতার হন ছিদ্দিকের ভাতিজা সফিক। এঘটনায় টেকনাফ থানা মামলা নং- ১৫ দায়ের করা হয়। এই ইয়াবার চালানও ছিলো ছিদ্দিকের বলে জানা যায়।

ইয়াবা সুন্দরী রশিদা বেগম খুনি হামজালালের বড় বোন অর্থাৎ ইয়াবা গডফাদার খুনি ছিদ্দিকের স্ত্রী। ১নং/ঢাকা মুগ্ধা থানা মামলা নাম্বার ২৮/জিআর ১৩২/তাঃ ২৬.০৬.২০১৬/ইয়াবা সহ ছেলে শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ সহ গ্রেপ্তার। ২নং/টেকনাফ থানা মামলা নাম্বার ৩৫/জিআর ৫৯১/তাঃ ১৫সেপ্টেম্বর ২০১৫ আলোচিত মার্কিন হত্যা মামলার আসামী।

মাফিয়া ডন হামজালালের আরেক সক্রিয় ইয়াবাকারবারী ইয়াবা সুন্দরী রশিদা। টেকনাফ নাজির পাড়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ইয়াবা গডফাদার ফরিদ আলমের স্ত্রী। এই সুন্দরী রশিদা ও তার ছেলে ইয়াবা সহ আটক হন ঢাকায়। এঘটনায় তার বিরুদ্ধে ঢাকা মুগদা থানার মামলা নং-২৮, জিআর-১৩২, তাং ২৬.০৬.২০১৬। গত ২৫ আগষ্ট ২০১৭ ইয়াবা ব্যবসায়ি ফরিদ আলমের ছোট ভাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রবিউল ও এই রশিদা ইয়াবাসহ আটক হন। এঘটনায় ডিএমপি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা মামলা নং-৩৭/জিআর-৩১৬ দায়ের করা হয়। সিএমপি কর্ণফুলী থানা মামলা নং- ৪০,জিআর-১৪৬,তাং- ২৫শে মার্চ ২০১৮। সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়িতে থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার ও ধৃত আসামী জসিম উদ্দীনের জবানবন্দীতে ইয়াবার মালিক ছিদ্দিক, জসীম ছিদ্দিকের ভাইয়ের ছেলে ও ইয়াবা বহনকারী ফরিদ আলমের চাঁচাতো ভাই। টেকনাফ থানার মামলা নং-৩৫,জিআর-৫৯১, ২০১৫ সালের ১৫সেপ্টেম্বর আলোচিত মার্কিন হত্যা মামলার প্রধান আসামী। টেকনাফ থানা মামলা নং- ২৩, জিআর-২৪৯, তাং- ৮এপ্রিল ২০১৫। টেকনাফ থানার মামলা নং- ৩৫, জিআর -৭৫৪,তাং-১৯ ডিসেম্বর ২০১৪। উখিয়া থানা মামলা নং-১৩,জিআর-১২১,তাং-১৯ জুন ২০১৬সহ আরো বিভিন্ন থানায় ৬টা মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

আরেক সদস্য ইয়াবা কারবারী ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ ইয়াবা। গডফাদার হামজালালের ভাগিনা খুনি ছিদ্দিকের ছেলে রবিউল আলম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী পরিচয়ে রমরমা ইয়াবা বাণিজ্য চালিয়ে আসছে। এই ফরিদের বিরুদ্ধেও রয়েছে অসংখ্য মামলা। তৎমধ্যে উল্লেখ হচ্ছে, ইয়াবাসহ আটকের ঘটনায় ডিএমপি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা মামলা নং- ৩৭, জিআর-৩১৬, তাং ২৫ আগষ্ট ২০১৭।

ইয়াবা কারবারী রবিউল হচ্ছে সক্রিয় ভাবে ইয়াবা পাচারকারী। ২০১৭ সালে শিক্ষা উপ-সচিবের গাড়িতে টেকনাফের কুলাল পাড়ার তুহিন আটক মামলার ধৃত আসামীর জবানবন্দীতে ইয়াবার মালিক শিক্ষার্থী পরিচয়দানকারী রবিউল সেই মামলার দুই নাম্বার আসামী। রামু থানার মামলা নং-২১, জিআর-৭৫, তাং ১৪ মার্চ ২০১৭। সিএমপি কর্ণফুলী থানার মামলা নং- ৪০, জিআর-১৪৬,তাং ২৫ মার্চ ২০১৮ সালে সরকারি স্টিকার লাগেনা গাড়িতে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ ধৃত আসামী ছিদ্দিকের ভাতিজা রবিউলের চাঁচাতো ভাই জসীমের জবানবন্দীতে ইয়াবার মালিক রবিউল ৩নং আসামী। উখিয়া থানার মামলা নং- ১৩, জিআর- ১২১,তাং ১৯ জুন ২০১৬। টেকনাফ থানার মামলা নং- ২৫,জিআর-৪০১,তাং ১৪ আগষ্ট ২০১৩।

ইয়াবা রবিউলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, চট্টগ্রামে লেখাপড়ার ছদ্দাবরণে আইনশ্ঙ্খৃলা বাহিনীর কিছু সদস্যেও সাথে সুসম্পর্ক রয়েছে, এধরনের কথা এলাকায় প্রচার করছে দীর্ঘদিন। সর্বশেষ টেকনাফে নাজির পাড়ার তিনজন বড় মাপের ইয়াবা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা নিয়েছে কতিপয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ভাঙ্গিয়ে। আইনশ্ঙ্খৃলা বাহিনীর অভিযান যত দিন থাকবে ততদিন ওই তিনজন গডফাদারদের বাড়িতে কোন অভিযানে আসবেনা এবং তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দিবে বলে অভয় দেখাচ্ছে। তবে যৌথ অভিযানের সময় নাজির পাড়ার অন্যান্য ইয়াবা ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান হলেও একই এলাকার তিনজন শীর্ষ ইয়াবা কারবারীর বাড়িতে অভিযান না চলার কারণে এই রবিউলের দাম! বেড়েছে অনেকগুন। তার ইশারায় নাকি অক্ষত রয়ে গেছে তাদের (শীর্ষ ৩ ইয়াবা কারবারী) রাজপ্রাসাদসম বাড়ি।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, চোরকারবারী ছিদ্দিকের দুই ছেলে ফরিদুল আলম ও রবিউল আলম এবং দুই শ্যালক হামজালাল ও ইউসুফ জালাল বাহাদুর সহ আলোচিত মাদক ব্যবসায়ীরা সবাই ইয়াবা সিন্ডিকেট নাম দিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এদের বিরুদ্ধে মাদক ও হত্যা সহ ডজনাধিক মামলা থাকলেও এরা এলাকায় প্রকাশ্যে ইয়াবা ব্যবসা চালাচ্ছে বলে দাবী এলাকাবাসীর।

এলাকাবাসি ও বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে, গত ৭/৮ বছর তিনি পুলিশ তথা আইনের কাছে মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তি ছিল হামজালার। অন্যদিকে তার সিন্ডিকেটের কাছ থেকে আর্থিক লাভবান হওয়া সরকার দলীয় একনেতার কাছে একজন সুরক্ষিত মেহমান হামজালাল। টেকনাফ নয় শুধু সারা দেশ জুড়ে বিস্তৃত তার ইয়াবা মাফিয়া চক্রের জাল। তাকে ধরার জন্য পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হন্যে হয়ে খুঁজেছে দিনের পর দিন; ইতোপূর্বে গা ঢাকা দেওয়ায় কিন্তুু নাগাল পায়নি। এই ইয়াবা ডন প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করা কিংবা নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য যেকোনো পদক্ষেপ নিতে জুড়ি নেই তার। তিনিই হলেন ইয়াবার বুকখ্যাত টেকনাফে মাদকের আন্ডারওয়ার্ল্ডের অঘোষিত ডন হাম জালাল। প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়িয়ে তার ইয়াবা সিন্ডিকেটের ব্যবসা জিইয়ে রেখেছে বলে এলাকাবাসির অভিযোগ।

এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, কোন মাদক ব্যবসায়িকে ছাড় দেয়া হবে না। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে প্রচারনা চালাচ্ছে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে আওয়ামীলীগ সরকারের ...

সুনামগঞ্জ-৫ আসনে চমক নিয়ে আসতে পারেন রুহুল আমিন

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জ-৫ আসনে চমক নিয়ে আসছেন সম্ভাব্য সংসদ সদস্য ...