Home | জাতীয় | জিয়ার নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে এই বক্তব্যে অনড় সিইসি

জিয়ার নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে এই বক্তব্যে অনড় সিইসি

স্টাফ রিপোর্টার :  বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে এই বক্তব্যে অনড় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। তিনি দাবি করেন, ১৯৭৫ থেকে ৭৭ পর্যন্ত দেশে গণতন্ত্র ছিল না। এর আগে ছিল। পরে জিয়াউর রহমান তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। সিইসি বলেন, ‘কোনো দলকে খুশি করার জন্য নয়। এটা তথ্যভিত্তিক কথা।’

বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি এসব কথা বলেন। নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সংলাপ সম্পর্কে জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

গত ১৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয় বিএনপি। সংলাপের সূচনা বক্তব্যে সিইসি কেএম নুরুল হুদা বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাতে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যুক্ত হন। এর মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।’

জিয়া ও বিএনপির প্রশংসা করে সিইসি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ও দলনেতা হিসেবে জিয়াউর রহমান ছয় বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপি প্রায় নয় বছর আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছে। পরে ১৯৯১ সালে সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে ২১০ আসনে জয়ী হয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে।’

সিইসির এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী এই বক্তব্যের কারণে সিইসির সঙ্গে তার দলের সংলাপ বর্জন করেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে এই বক্তব্যে অনড় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। তিনি দাবি করেন, ১৯৭৫ থেকে ৭৭ পর্যন্ত দেশে গণতন্ত্র ছিল না। এর আগে ছিল। পরে জিয়াউর রহমান তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। সিইসি বলেন, ‘কোনো দলকে খুশি করার জন্য নয়। এটা তথ্যভিত্তিক কথা।’

বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি এসব কথা বলেন। নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সংলাপ সম্পর্কে জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

গত ১৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয় বিএনপি। সংলাপের সূচনা বক্তব্যে সিইসি কেএম নুরুল হুদা বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাতে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যুক্ত হন। এর মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।’

জিয়া ও বিএনপির প্রশংসা করে সিইসি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ও দলনেতা হিসেবে জিয়াউর রহমান ছয় বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপি প্রায় নয় বছর আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছে। পরে ১৯৯১ সালে সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে ২১০ আসনে জয়ী হয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে।’

সিইসির এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী এই বক্তব্যের কারণে সিইসির সঙ্গে তার দলের সংলাপ বর্জন করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

সিনহা হত্যা : ওসি প্রদীপের বডিগার্ড রুবেল আরো ৫ দিনের রিমান্ডে

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের টেকনাফ বাহারছড়া শামলাপুর এবিপিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে মেজর ...

দ্রুত কমছে ট্রাম্প-বাইডেনের ব্যবধান

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে গত দুই সপ্তাহ আগে বড় দুই প্রার্থীর মধ্যে ...